somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কোনটি পরিবর্তন করতে হবে-দলীয় গঠনতন্ত্র না সংবিধান?

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ধর্মভিত্তিক দশটি রাজনৈতিক দলের গঠনতন্ত্র বাংলাদেশের সংবিধান পরিপন্থী-নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া এসব দলের গঠনতন্ত্র পর্যালোচনা করে এমনটাই খুজে পেয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি সচিবালয় সুত্র জানায়, এসব দলের গঠনতন্ত্রে আছে "আল্লাহ সুবহানাতায়ালা ছাড়া অন্য কাউকে সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক মেনে নেয়া যাবে না। কাউকে স্বয়ংসম্পূর্ন বিধানদাতা ও আইনপ্রনেতা বলে মেনে নেওয়া যাবে না। সেই সংগে আল্লাহ সুবহানাতায়ালার আনুগত্য ও কোরআনের ভিত্তিতে প্রতিস্ঠিত নয় এমন আইন মেনে নিতে প্রতি সদস্য অস্বীকার করবেন। ইসলামী মূল্যবোধে উজ্জীবিত হয়ে জাতীয় ঐক্য সৃস্টিতে সবাই একযোগে কাজ করবেন"। গঠনতন্ত্রের এসব অংশ সংশোধনের জন্য দলগুলোর কাছে চিঠি পাঠাচ্ছে ইসি।

আমার প্রশ্ন হলো,

১। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা ছাড়া অন্য কেউ সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক আছে কি?
২। আল্লাহ সুবহানাতায়ালা ছাড়া অন্য কাউকে স্বয়ংসম্পূর্ন বিধানদাতা ও আইনপ্রনেতা বলে মেনে নেওয়া যায় কি?
৩। আল্লাহ সুবহানাতায়ালার অবাধ্যতা ও কোরআনের পরিপন্থী এমন আইন মেনে নিতে আমরা কি বাধ্য?

একজন মুসলমান হিসেবে এই প্রশ্নগুলোর উত্তরে দ্বিমত পোষনের অবকাশ আছে কি? যদি না থাকে, তবে কোনটি সংশোধন করতে হবে, সংবিধান না আমাদের ধর্মীয় বিশ্বাস? একজন বিশ্বাসী মুসলমানের অন্তর আর বাহ্যিক বহিপ্রকাশ ভিন্নরূপ হতে পারে না। কেউ যদি অন্তরে বিশ্বাস করে একমাত্র আল্লাহ সুবহানাতায়ালাই সার্বভৌম ক্ষমতার মালিক, তিনি ছাড়া আর কেউ স্বয়ংসম্পূর্ন বিধানদাতা ও আইনপ্রনেতা নেই, তবে তাকে প্রকাশ্যেও এই ঘোষনা দিতে হবে। পরিস্থিতি তো আরও নাজুক, এখন, আমাদের ধর্মভিত্তিক দলগুলোকে (জামাআতে ইসলামী-ইসলামী আন্দোলন-খেলাফত মজলিশ, ইত্যাদি) আল্লাহ সুবহানাতায়ালার সার্বভৌমত্বের ঘোষনা প্রত্যাহার করতে হবে। আ লীগ-বি এন পি-জাতীয় পার্টিতে লক্ষ লক্ষ হাজী সাহেব, পাচ ওয়াক্ত নামাজী মুসলমানরা আছেন- তারাই বা আল্লাহ সুবহানাতায়ালার সার্বভৌমত্বকে কিভাবে অস্বীকার করবেন? আর দেশের কোটি কোটি মুসলমানরাই বা কিভাবে চুপ করে থাকবেন?
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×