চোরাবালি পানি ও তরলকাদা মিশ্রিত এমনই একটি গর্ত। এর ফাঁদে একবার পা দিলে মানুষের আর নিস্তার নেই। আস্তে আস্তে ডুবে যেতে হয় বালির ভেতরে সাধারণত নদী বা সমুদ্রতীরে কাদা মিশ্রিত বালির ভেতরে লুকানো অবস্থায় থাকে চোরাবালি।
কোনও মানুষ যদি সেই গর্তেরধারে কাছে যায়, তা হলে শরীরের চাপে ওই বালি ক্রমে সরে যেতেথাকে।ফলে মানুষ শত চেষ্টা করেও আর ওপরে উঠে আসতে পারে না।
চোরাবালিতে পড়ার পর সেখান থেকে উঠে আসার জন্য চেষ্টা করলে শরীরের চাপে আর ও দ্রুত ডুবে যেতে হয়। সময়মত কেউ এগিয়ে না এলে ওই মানুষ নিশ্চিত মৃত্যুকোলেঢলে পড়ে।
তবে অধিকাংশ চোরাবালি সাধারণত মারাত্মক নয়।কিন্তু এটি প্রকৃতির একটি অদ্ভুত বিস্ময়। চোরাবালিতে আটকে গেলে একদমই অধৈর্য হওয়া যাবে না। অধৈর্য হয়ে হাত-
পা ছোড়াছুড়ি করলে আরও বেশিআটকে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
সবার মনে রাখা উচিত, চোরাবালি কিন্তু পানির চেয়ে অনেক বেশি ঘন।তাই চোরাবালিতে ভেসে থাকা পানির চেয়ে অনেক বেশি সহজ। যদি সঙ্গেকোন ও ভারি বস্তু থাকে তাহলে তা ছেড়ে ফেলতে হবে। কারণ ভারি বস্তু আরও বেশি দ্রুত নিচে টেনে নিতে পারে।
বেশিরভাগ চোরাবালির গভীরতা কম হয়।খানিকটা ডোবার পর হয়তো পা তলায় আটকে যেতে পারে। যদিতা না হয়, মানে যদি চোরাবালি খুব গভীর হয় তাহলে পুরোপুরি ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।
সেক্ষেত্রে যেমন পানিতে আমরা যেভাবে সাঁতার কাটি, ঠিক সেভাবে নিজের শরীরকে যতটা সম্ভব অনুভূমিক করে ফেলতে হবে। তারপর খুব ধীরে ধীরে সাঁতরে চোরাবালির বাইরে আসার চেষ্টা করতে হবে। সাথে যদি অন্য কোনও ব্যক্তি থাকে তাহলে তাকে বলতে হবে নিরাপদ দূরত্ব থেকে রশি ফেলতে এবং এই রশি ধরে ধীরে ধীরে চোরাবালি থেকে উঠে আসা যাবে।
চোরাবালি পানি ও তরলকাদা মিশ্রিত এমনই একটি গর্ত। এর ফাঁদে একবার পা দিলে মানুষের আর নিস্তার নেই। আস্তে আস্তে ডুবে যেতে হয় বালির ভেতরে সাধারণত নদী বা সমুদ্রতীরে কাদা মিশ্রিত বালির ভেতরে লুকানো অবস্থায় থাকে চোরাবালি।
কোনও মানুষ যদি সেই গর্তেরধারে কাছে যায়, তা হলে শরীরের চাপে ওই বালি ক্রমে সরে যেতেথাকে।ফলে মানুষ শত চেষ্টা করেও আর ওপরে উঠে আসতে পারে না।
চোরাবালিতে পড়ার পর সেখান থেকে উঠে আসার জন্য চেষ্টা করলে শরীরের চাপে আর ও দ্রুত ডুবে যেতে হয়। সময়মত কেউ এগিয়ে না এলে ওই মানুষ নিশ্চিত মৃত্যুকোলেঢলে পড়ে।
তবে অধিকাংশ চোরাবালি সাধারণত মারাত্মক নয়।কিন্তু এটি প্রকৃতির একটি অদ্ভুত বিস্ময়। চোরাবালিতে আটকে গেলে একদমই অধৈর্য হওয়া যাবে না। অধৈর্য হয়ে হাত-
পা ছোড়াছুড়ি করলে আরও বেশিআটকে পড়ার সম্ভাবনা থাকে।
সবার মনে রাখা উচিত, চোরাবালি কিন্তু পানির চেয়ে অনেক বেশি ঘন।তাই চোরাবালিতে ভেসে থাকা পানির চেয়ে অনেক বেশি সহজ। যদি সঙ্গেকোন ও ভারি বস্তু থাকে তাহলে তা ছেড়ে ফেলতে হবে। কারণ ভারি বস্তু আরও বেশি দ্রুত নিচে টেনে নিতে পারে।
বেশিরভাগ চোরাবালির গভীরতা কম হয়।খানিকটা ডোবার পর হয়তো পা তলায় আটকে যেতে পারে। যদিতা না হয়, মানে যদি চোরাবালি খুব গভীর হয় তাহলে পুরোপুরি ডুবে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতে পারে।
সেক্ষেত্রে যেমন পানিতে আমরা যেভাবে সাঁতার কাটি, ঠিক সেভাবে নিজের শরীরকে যতটা সম্ভব অনুভূমিক করে ফেলতে হবে। তারপর খুব ধীরে ধীরে সাঁতরে চোরাবালির বাইরে আসার চেষ্টা করতে হবে। সাথে যদি অন্য কোনও ব্যক্তি থাকে তাহলে তাকে বলতে হবে নিরাপদ দূরত্ব থেকে রশি ফেলতে এবং এই রশি ধরে ধীরে ধীরে চোরাবালি থেকে উঠে আসা যাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




