
গাজী সাহেব বলেছেন, এই ছবির একদম পেছনে যাকে দেখছেন, তিনি ৭১-এর যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। একই পরিবারের আত্নীয়সহ আরও পাঁচজন ৭১-এর যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। পরিবারের যিনি কোনোভাবে বেঁচে আছেন, তাঁর নাতিও ২৪-এর জুলাইয়ে শহীদ হয়েছেন।
নিজের পরিবারের দুই জেনারেশন ধরে দেশের জন্য রক্ত দিয়েছেন - যিনি আজও বেঁচে আছেন, তিনি এখন শুধু একটা জিনিসই চান - জামাত-পাকিস্তানের বন্ধুত্ব, যাতে দেশ ও দেশের মানুষের উন্নতি হয়।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: কথাগুলো সম্পূর্ণ কাল্পনিক, তবে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সম্পর্কে চাঁদগাজীর বয়ানের বিষয়বস্তু একই রাখা হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


