
প্রায় বিশ কোটি মানুষের এক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার বর্গ কিলোমিটারের দেশ বাংলাদেশ। আর বাংলাদেশের ফরেন কারেন্সি আয়ের মাধ্যম মাত্র: - রেমিট্যান্স আর পণ্য রপ্তানি।
রেমিট্যান্স: সাধারণত কোনো ব্যক্তি যখন প্রবাসে চাকরি বা ব্যবসা করে নিজ পরিবার, আত্মীয় পরিজন ও নিজ নামে ব্যাংক একাউন্টে বৈধ উপায়ে, ব্যাংকিং চ্যানেলে নিজ দেশে অর্থ প্রেরণ করেন, তখন তাকে রেমিট্যান্স বলে।
পণ্য রপ্তানি: তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, নিটওয়্যার, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত মাছ, ওষুধ ও অন্যান্য পণ্য রপ্তানি বাবদ বাংলাদেশ ফরেন কারেন্সি আয় করে।
এছাড়া বাংলাদেশ কিছু সেবা ও আউটসোর্সিং করেও ফরেন কারেন্সি আয় করে। যেমন ফ্রিল্যান্সিং, কল সেন্টার, সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট। আর বাংলাদেশ বিদেশি পর্যটক হতে সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশের তুলনায় খুবই কম আয় করে। সার্কভুক্ত দেশের মাঝে পর্যটন খাত হতে সবচেয়ে কম আয় করে যেই দেশ তার মধ্য অন্যতম দেশ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।
টাকা পাচার: বাংলাদেশ হতে এক টাকা পাচার হলেও টাকা পাচার। বিলিয়ন টাকা পাচার হরেও টাকা পাচার। এখন সেই টাকা যেই উদ্দেশ্যে পাচার হোক তা টাকা পাচারই।
অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী: পড়ালেখার নামে যদি হয় লবডঙ্কা। একটি সিভি বায়োডাটা তৈরি করার মতো পড়ালেখা ও যোগ্যতা যদি না থাকে। তাহলে money laundering এর মতো রাষ্ট্রীয় ফিনান্সিয়াল ইস্যু নিয়ে কথা বলাও এক ধরনের অপরাধ। ব্যর্থ মানুষ আর বেকার মানুষ হচ্ছে সকল কাজে পারদর্শী। এরা সমাজের জন্য পরিবারের জন্য ও পরিবেশের হুমকি।
শেষ কথা: বাংলাদেশের মতো হতদরিদ্র দেশের ক্ষেত্রে এই দেশ হতে প্রবাসে ফরেন কারেন্সি নেওয়ার জন্য লিখিত সুনির্দিষ্ট কারণ ও লিখিত লিমিট / সীমা থাকা উচিত। এমনকি পড়ালেখা ও চিকিৎসার নামেও যেনো কেউ টাকা পাচার করতে না পারে তার জন্য কঠোর থেকে কঠোরতম আইন হওয়া উচিত। অন্যথায় যেই ব্যক্তি / ব্যক্তি গং জীবনে এক পয়সা ফরেন কারেন্সি আয় করেনি সেও প্রবাসে উচ্চশিক্ষা ও চিকিৎসার নামে টাকা পাচার করবে। ছোট ছোট বালুকণা বিন্দু বিন্দু জল গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর অতল, ছোট ছোট অংকের টাকা করেই বিলিয়ন টাকা পাচার হয়। - তাই যে কোনো পথে যে কোনো উদ্দেশ্যে প্রবাসে টাকা প্রেরণের জন্য কঠোর থেকে কঠোরতম আইন হবে দেশের জন্য মঙ্গল।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



