যেখানে চামচা নেতাদের দৌরাত্বে দেশের অবস্থা কেরোসিন, কিছু কৃর্তিমান বাঙ্গালীরা এখনও আমাদের দেশের সুনাম ছড়িয়ে দিচ্ছে বিশ্বের দরবারে। তেমনি একজন হলেন মিতু খন্দকার। গত শুক্রবার, জুলাই ৮, ২০১১ তারিখে নাসার আটলান্টিস সর্বশেষবারের মত মহাকাশে যাত্রা করে, আর এই ঐতিহাসিক দিনটি কাছে থেকে দেখার সৌভাগ্য অর্জন করেন বাংলাদেশী বংশদ্ভুত মিতু খন্দকার।
মিতু যুক্তরাজ্যের পোর্টসমাউথ ইউনিভার্সিটিতে ভিডিও গেমস এবং ইনডিপেনডেন্ট গেমস এর উপর পিএইচডি রিসার্চ করছেন। এই রকম ঈর্ষনীয় সুযোগ পাওয়ার জন্য মিতু নাসা আয়োজিত ২৪-ঘন্টা মেয়াদী টুইটার বেসড লটারীতে অংশ নিয়েছিলেন। মিতুর সাথে অস্ট্রেলীয়া, জাপান, এবং ফ্রান্স থেকে আরও ১৫০ জন কেনেডি স্পেস সেন্টারে যাওয়ার সুযোগ লাভ করেন।
সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।" তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।