এইযে বেঁচে থাকা, এটাই তো আনন্দের। এইযে নিঃশ্বাস নিচ্ছি, প্রঃশ্বাস ত্যাগ করছি এটার মাঝেই তো কত আনন্দ, বেঁচে থাকার। এই অলস দুপুর, দুপুরের ক্লান্ত পাখির ডাক, বাইরের রোদেলা সময়, সেই সময়ে বাতাসে উড়তে থাকা আমার জানালার পর্দা আর হাতে থাকা মাসুদ রানার কোনো একটা পুরোনো বই। এইগুলোই তো সুখের উপকরন।
কি হবে ঐ অদৃশ্য সুখের পিছে ছুটে, যার পিছনে সবাই উন্মাদের মত ছুটে চলেছে? আমারতো প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ভালো লাগে না। সুখি হবার প্রতিযোগিতা। অন্যদের ঠিক করেদেয়া সুখ। যেখানে অন্যকেউ ঠিক করে রেখেছে আমার সুখের উপকরন। জেগুলো না পেলে তাদের চোখে সুখি হওয়া যাবে না। কিন্তু কি দরকার অন্যদের সামনে সুখি সুখি অভিনয় করে যাওয়া, যদি আমি আসলেই তা না হই? সেই সুখ নিয়ে আমি কি করবো যেখানে আমার ক্লান্ত দুপুরে পাখির ডাক থাকবে না? থাকবেনা আমার রোদ জ্বলা টকটকে নীল আকাশটা?
আমি তো প্রতিযোগিতা করতে চাই না। অন্যেরা নাহয় জীবনের শেষপ্রান্তে বাঁধা সেই সুখের লাল ফিতা ছুঁতে ছুটে যাক। আমি রস্তার পাশের ঐ ছোট্ট হলুদ ফুলের সুবাস নিতে নিতেই কিছু সময় পার করবো। আরো কিছুটা সময় পার করবো সেই বড় পাখার নীল প্রজাপতিটার পিছে উলটো পথে ছুটে। তারপর নাহয় স্নিগ্ধ বাতাসের ফিসফিসানি শুনতে শুনতে ফিরে আসবো। ততক্ষনে অন্যরা তাদের দৌড় শেষ করে নিজ নিজ পুরষ্কার বুঝে নিক না। আমার যা পাবার ছিল, তাতো আমি পেয়ে গেছি। যদিও তারা আমাকে বলবে ব্যর্থ, তাতে কি? তাদের চোখে বরাবরই ব্যর্থ এই আমি ব্যর্থই থাকতে চাই।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মার্চ, ২০১৬ বিকাল ৩:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




