স্যারদের হাতে তো সবাই প্রায় মাইর খেয়েছে। কিন্তু আমরা যেই মাইরটা খেয়েছিলাম সেইটা ছিল পুরাই ইউনিক। ক্লাসের সবাইকে টেবিলের ভাঙা পায়া দিয়ে মারা কে নিশ্চয় ইউনিক বলা যায়, নাকি:-D?
তা মারটা খেয়েছিলাম ক্লাস নাইনে থাকতে। আর ঘটনার (খল)নায়ক ছিলেন আমাদের আনসারি স্যার।
সেদিন আমাদের ক্লাসে স্যার আসতে দেরী করছিলো। আর স্যার না থাকলে কি হয় তা তো জানেনই, হয় চিল্লাচিল্লি আর শব্দদূষণ। আমরাও শব্দ দূষণ উত্পাদন করছিলাম। আর আনসারি স্যার তখন আমাদের রুমের সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। যাওয়ার সময় অবশ্য একবার আমাদেরকে চুপ করতে বলে গেছিলেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা! স্যার বের হওয়ার সাথে সথে আবার চিল্লাচিল্লি শুরু। এইরকম এক দুই মিনিট যাওয়ার পরেই দেখি স্যার পাশের ক্লাশ থেকে বের হয়ে আমাদের ক্লাশ পার হয়ে টেনের রুমের সামনে গেলেন। বলে রাখি যে টেনের রুমের সামনেই বেশ কিছু ভাঙাচোরা চেয়ার টেবিল ছিল। সেখান থেকেই একটা টেবিলের পায়া তুলে নিয়ে স্যার আমাদের রুমে ঢুকলেন। তারপর আর কোনো কথা নাই। স্যার সাইলেন্ট মোডে পুরা উরাধুরা মাইর দিতে লাগলেন:-D। খালি ঠাশ ঠাশ বাড়ি পড়তে লাগলো সবার পিঠে। জন প্রতি দুইটা বাড়ি। ঘটনাটা এতই আকস্মিকভাবে শুরু হয়েছিল যে আমরা ভাবছিলাম কি হৈতেছে এইটা!! কিন্তু এইরকমভাবে গণহারে সবাই মাইর খাওয়াতে ব্যাথার চাইতে মজা পেয়েছিলাম বেশি। ঐযে কথায় আছে না, "দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ
মাইর খাওয়াটা সেইরকম মজা ছিল:-D। সেই ঘটনার আগে বা পরে আর কখনোন স্যারের হাতে মাইর খেয়ে এত মজা পাইনি:-D। অবশ্য অন্য কোনো স্যারও ঐভাবে টেবিলের পায়া দিয়ে কখনো গণহারে মারেনাই
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মার্চ, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




