somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

লন্ডনের মহাগ্নিকান্ড

০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


লন্ডনের মহাগ্নিকান্ড হচ্ছে ১৯৬৬ সালের ২রা সেপ্টেম্বর রবিবার থেকে ৫ই সেপ্টেম্বর বুধবার পর্যন্ত ইংরেজ শহর লন্ডনে সংঘটিত হওয়া মহাবিপর্যয়ের একটি।এটি রোমান সিটি ওয়ালের ভিতরস্থ লন্ডন শহরকে জ্বালিয়ে দিয়েছিল।এটি জ্বালিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল কিন্তু পৌঁছতে পারে নি হোয়াইট হল প্যালেসে ।

মহাগ্নিকান্ডে ভস্মীভূত লন্ডন,গোলাপী রং দ্বারা চিহ্নিত
১৬৬৬ এর দিকে লন্ডন ছিল ব্রিটেনের দূরবর্তী সর্ববৃহত্‍ শহর যেখানে বাস করত অর্ধমিলিয়নেরও বেশি অধিবাসী।লন্ডনের সঙ্গে বোরকের তুলনা করতে গিয়ে জন ইভেলিন বলেন, কাঠের তৈরী, উত্তুরে এবং অকৃত্রিম ঘরবাড়িতে বোঝাই ।শহর এবং মুকুটের সম্পর্ক ছিল খুবই উত্তেজনাপূর্ণ।গৃহযুদ্ধ চলাকালীন, ১৬৪২ সাল থেকে ১৬৫১ সালে লন্ডন শহর ছিল প্রজাতন্ত্রবাদের দূর্গ এবং বিত্তবান এবং অর্থনৈতিকভাবে গতিময় পুঁজি দ্বিতীয় চার্লস এর জন্য একটি সম্ভাব্য হুমকি হতে চলেছিল যখন লন্ডনে ১৬৬০ দশকের পূর্বে কিছু প্রজাতান্ত্রীকদের দ্বারা বিদ্রোহগুলো প্রতিপাদিত হয়েছিল।শহরের প্রশাসকগণ সে প্রজন্মের যারা গৃহযুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন এবং মনে করতে পারতেন কীভাবে প্রথম চার্লসের যথার্থ ক্ষমতা দ্বারা জাতীয় স্নায়বিক চাপের মোকাবেলা করেছেন। ১৭শতকের পূর্বে এই শহরটি এই পুরো এলাকাটি শহরের দেওয়াল এবং রোমান দেয়াল দ্বারা বেষ্টিত হয় শুধু লন্ডনের অংশ ছিল আবৃত করেছিল ৭০০একর এবং ৮০,০০০ লোকের বাড়ি,অথবা লন্ডনের এক ষষ্ঠাংশ অধিবাসী, শহরটি একটি অভ্যন্তরীণ উপনগরের বলয় দ্বারা বেষ্টিত ছিল, যেখানে লন্ডনের বেশিরভাগ অধিবাসীরা বাস করত। শহরটি ছিল এখনকার মতো রাজধানীর বাণিজ্যিক কেন্দ্র , এবং ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় মার্কেট এবং সবচেয়ে ব্যস্ত অংশ, বাণিজ্য এবং উত্‍পাদন দ্বারা শাসিত হত।

২রা সেপ্টেম্বরে আক্রান্ত এলাকা
অগ্নিকান্ডের সময়ে লন্ডনবাসীর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা লক্ষ করা যায় তাদের চিঠি এবং স্মৃতিকথাতে। রেস্টোরেশনের যুগে দুজন বিখ্যাত দিনলিপিকার, স্যামুয়েল পেপিস এবং জন ইভেলিন ঘটনাবলী এবং তাদের নিজেদের প্রতিক্রিয়া প্রতিদিন লিপিবদ্ধ করেছেন, এবং শহরে ও শহরের বাইরে কী হচ্ছে তা জানার জন্য খুব চেষ্টা করেছেন। উদাহরণস্বরূপ তারা উভয়ই বুধবারে শহরের উত্তরে মূরফিল্ডস্পার্ক এলাকাতে ভ্রমণ করতে গিয়েছিল চতুর্থ দিন বিধ্বস্ত শরণার্থী শিবির দেখতে যা তাদের আঘাত করেছিল। তাদের দিনলিপিগুলো ধ্বংসলীলাটির বিবরণের গুরুত্বপূর্ণ উত্‍স। অগ্নিকান্ডসম্পর্কিত সাম্প্রতিকতম বইগুলো, টিনিসউড (২০০৩) এবং হ্যানসন (২০০১) কর্তৃক, উইলিয়াম তাসওয়েলের (১৬৫১–৮২) বিস্তারিত স্মৃতিকথার দ্বৈত, যিনি ওয়েস্টমিনস্টার ১৬৬৬ সালে চৌদ্দ-বছর-বয়সী স্কুলপড়ুয়া ছিলেন।

এটি আমাকে অবনত করেছে একে দেখার জন্য,স্যামুয়েল পেপিস
১৬৬৪ সালে এবং ১৬৬৫ সালে দুটি বর্ষার পর নভেম্বর ১৬৬৫সাল পর্যন্ত লন্ডন এক ব্যতিক্রমী খরায় আক্রান্ত হয়েছিল এবং ১৬৬৫সালের দীর্ঘ গ্রীষ্মের পর কাঠের দালানগুলো শুষ্ক জ্বালানীতে পরিণত হয়েছিল। ২ রা সেপ্টেম্বর রোববার মধ্যরাতে পুডিং লেনে অবস্থিত থমাস ফেরিনার বেকারী হতে একটু আগুনের উদ্ভব হয়েছিল।পরিবারটি উপরের সিঁড়িতে আটকা পড়েছিল কিন্তু সিঁড়ির একটি জানালা হতে ঘরে যাওয়ার জন্য ব্যবস্থা করেছিল, একটি চাকরাণী ব্যতীত যে চেষ্টা করতে ভয় পেয়েছিল এবং প্রথম দগ্ধ হলো।প্রতিবেশীরা আগুন নেভাতে সাহায্য করতে চেয়েছিল একঘন্টা পরে রাজকীয় বিভাগের কনস্টেবলরা পৌঁছেছিল এবং রায় দিল যে লাগোয়া ঘরবাড়ি এই আগুন ছড়ানোর কারণ হতে পারে। গৃহকর্তা দৃঢ়প্রতিজ্ঞা করল, এবং মহামান্য ব্লাডওয়র্থ, একমাত্র যার অধিকার ছিল তাদের ইচ্ছা অগ্রাহ্য করার, তলবকৃত হলেন। যখন ব্লাডওয়র্থ পৌঁছলেন, আগুনের শিখাগুলো লাগোয়া ঘরগুলো,দাহ্য পদার্থ স্পর্শ করল।এভাবেই আগুন ছড়িয়ে পড়লো ।

দ্বিতীয় চার্লস এর আমলেই এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছিল।

তথসূত্র: Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা অক্টোবর, ২০১৭ দুপুর ১:০৭
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=নীলাম্বরী সেজে আছি=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৩৮



এই এসো না কাছে এসো,
নীল শাড়ীতে নীলাম্বরী
ঠায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষাতে
এসে ভাসাও প্রেমের তরী।

নীল সমুদ্দুর ডেকেছে আজ
তাই দাঁড়িয়ে আছি একা
এসো তুমি হাওয়ায় উড়ে
এসে করো একটু দেখা।

হাঁটতে ইচ্ছে বালিচরে,
তুমি আমার - পাশে হাঁটবে?
মনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মূল্যস্ফীতি বাড়লে বা কমলে আমরা টের পাই না কেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১


গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে বাংলাদেশে এখন কয়টা ঋতু আছে তা কেউ বলতে পারে না। আমার মনে হয় গ্রীষ্ম আর বর্ষার একটা মিশ্র ঋতু আছে, আর আছে শীত। এই গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেরা লেখক

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৭



বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো লেখক এক কথায় - হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস মধ্যাহ্ন বা দেয়াল - এর পাশাপাশি রাখার মতো বাংলাদেশে আর কোনো উপন্যাস আছে কিনা আমার জানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

=ডায়াটে একদিনের খাবার=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১

ডায়াটের প্রথম দিকে-একদিনের খাবার। বর্তমানে আমাদের দেহে রোগসুগের অভাব নাই। ডায়াবেটিস, প্রেসার, ক্যান্সারসহ নানাবিধ রোগ বলা নাই কওয়া নাই শরীরে এসে বাসা বাঁধে।

আর এসব রোগের একমাত্র কারণ আনহেলদি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×