somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চারতাস 3 (ধারাবাহিক ওয়েস্টার্ন গল্প )

০২ রা জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৬:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

স্যাম হ্যাজলিট খোয়া যাওয়া গরুঘোড়া সব নিয়ে গেছিল এখান থেকে । আচ্ছা হুইট যদি চোর না হয় তাহলে চোর কে? আর চোরাই গরুই বা কোথায় বা কোথায় লুকিয়েছে ? আপনা থেকেই মগোলোনস পর্বতমালার দিকে চোখ চলে গেল ওর, আদর্শ জায়গা । ওর চোখ সরু হয়ে গেল পুরনো এক স্মৃতি মনে করে । একরাতে তাস খেলতে খেলতে একটা ঝড়্ণার কথা বলেছিল টেইলর । ফসিল স্প্রিংস, বিশাল এক ঝর্ণা যা প্রচন্ড গর্জনে হাজার হাজার গ্যালন পানি উগরে দেয় মাটির ওপরে ।

'ওখানে একটা লোক অনেক গরু চরাতে পারে,' চোখ টিপে বলেছিল টেইলর । 'কেউ জানতে পারবেনা, সেকথা ।'

অনেক দিন আগে এবং অনেক দুরে শোনা কথা । রেড রক র‌্যাঞ্চ তখনও বাজি ধরা হয়নি, বেশ কয়েকমাস পরে হবে ব্যাপারটা । ভেবে দেখর চেষ্টা করল সে, ফসিল ক্রিক জায়গাটা এখান থেকে খানিকটা উত্তরে । হয়তো ফসিল ক্রিক, সিল স্প্রিংস থেকেই নেমে এসেছে? কে জানে । টেক্সাসে ওর পরিচয় টেইলরের সাথে আর এটা অ্যারিজোনা । বাংক হাউজের একটা সামান্য আলাপেরও অনেক তাৎপর্য থাকতে পারে ।

'দেখা যাবে বেন! ' বিড় বিড় করল অ্যালান রিং । 'আমরা দেখবো ঘটনা কোথায় গড়ায় !'

রস বিলটন, হ্যাজলিট র‌্যাঞ্চের কর্মচারী ছিল খুনের সময় এবং অকুস্থলে সবার আগে পৌঁছেছে সে । এখন সে টাউন মার্শাল এবং সে এই র‌্যাঞ্চটায় কেউ বাস করুক তা চায়না । কেন?

কোনটাই কোন মানে হয়না । এবং আপাতদৃষ্টিতে এটা তার কোন মাথাব্যাথা নয় । কিন্তু অনেক ভেবে দেখল সে, এটা তার ব্যাপার । র‌্যাঞ্চটার মালিক এখন সে । যদি কোন পুরনো খুন তার এখানে বসবাসের ব্যাপারে বাধা সৃষ্টি করে তো এটা খতিয়ে দেখা তার কর্তব্য । আসলে ব্যাপারটা কৌতুহল মেটানোর একটা অজুহাত, নিজেও মনে মনে জানে সে তা ।

সকাল হল ও তা ধীরে ধীরে দুপুর পর্যন্ত গড়াল । বিলটন বা ব্রুলের কোন পাত্তা দেখা যাচ্ছেনা । রাইফেলে গুলি ভরে হাতের কাছেই রেখেছে অ্যালেন, কোমরেও জোড়া পিস্তল ঝুলিয়েছে, যদিও একটার বেশি সে সাধারনতঃ পরেনা । কেবিনের দরজার কাছেই আছে তার দোনলা শটগান ।

ঝর্ণাটার দিকে তার মনোযোগ । ঠিক এই মুহুর্তে কেবিনের আশপাশ ছেড়ে যেতে চাইছেনা মন । ঝর্ণাটা তাহলে বেশ খুঁটিয়ে দেখা যায় । ঠিক এই মুহুর্তেই যে কাজটা করতে হবে তা নয় । কিন্তু বেশ কিছু পাথর আর শ্যাওলা জমেছে বেসিনের তলায় । ওগুলো সরালে আরো বেশি ও আরো পরিস্কার পানি পাবে সে । ক্যানিয়নের মুখের দিকে একটা সতর্ক চোখ রেখে কাজে নেমে পড়ল অ্যালেন ।

এগিয়ে আসা ঘোড়ার খুরের শব্দে সোজা হয়ে দাঁড়াল সে । হাতের কাছেই একটা পাথরের গায়ে হেলান দিয়ে রাখা আছে তার রাইফেলটা । পিস্তলও তৈরি, কিন্তু অচেনা অশ্বারোহী যখন চোখের সামনে আসল তখন দেখল লোকটা একাই এসেছে ।

চমৎকার একটা বে গেল্ডিং ঘোড়ায় চড়ে আসছে লোকটা । বয়স হয়েছে তার, ভারী দেহ । ঝুলে পড়া গোঁফ আর সদয় নীল চোখ । থামল লোকটা কাছে এসে ।

'হাউডি!'বন্ধুত্বপুর্ণভাবে বলে চারপাশে একবার দ্রুত চোখ বুলিয়ে নিল লোকটা । 'আমি রলি ট্রুম্যান, গেইলের বাবা ।'

'পরিচিত হয়ে খুশি হলাম,' লাল একটা ব্যান্ডানায় ভেজা হাত মুছল রিং । ঝর্ণার দিকে মাথা নাড়ল সে । 'গর্তটা যা ভেবেছিলাম তারচেয়ে অনেক গভীর ।'

'পানি বইছে তোড়ে,' একমত হল ট্রুম্যান । গোঁফ কামড়াল চিন্তিতভাবে । 'আমি আত্ববিশ্বাসী, করিৎকর্মা তরুনদের দেখতে পছন্দ করি । যারা নিজেদের জমির উন্নতি করতে পরিশ্রমে পিছপা নয় ।'

অপেক্ষা করতে লাগল অ্যালেন রিং । লোকটা একটা কিছু বলতে চাইছে, তাকে তার মতো করে বলতে দেয়া উচিৎ । ধীরে সুস্থে প্যাঁচালো গল্পটা বেরিয়ে এল ।

'বেশি জায়গা অবশ্য নেই এখানে,' যোগ করল ট্রুম্যান । 'তোমার আরো গরু চরানোর জায়গা লাগবে । সিডার বেসিনে গিয়েছৌ কখন? কিংবা ইস্ট ভার্ডের নীচে ? চমৎকার জায়গা, কিন্তু বেশির ভাগই বুনো । কিন্তু শাদামুখো কিছু গরুর পাল চরালে বেশ কিছু পয়সা আসবে তোমার পকেটে ।'

' না, আমি দেখিনি ওসব জায়গা,' জবাব দিল রিং । 'আমি আমার জায়গা নিয়ে সন্তুষ্ট । বেশি জমির ইচ্ছা নেই আমার । আমি চাই ছোট জায়গা । আর এ জায়গা আমার জন্য যথেষ্ট ।'

অস্বস্তির সাথে জিনের ওপর ওজন বদল করে তাকাল ট্রুম্যান । 'ব্যাপারটা হচ্ছে, তুমি এখানে থেকে তুমি অনেক লোক কে অসুবিধায় ফেলছ । তুমি চলে গেলেই ভাল হয় সবার ।'

'আমি দুঃখিত,' সাফ জবাব দিল রিং । 'আমি কারোর সাথে শত্রুতা চাইনা, কিন্তু আমি চারতাস টেনে এ জায়গাটা পেয়েছি । হয়তো আমি অদৃষ্টবাদী, কিন্তু আমি জানি আমি এখানেই থাকব । কোন মানুষের অধিকার নেই যে চারটে তাস টেনে সে ভাবতে পারে সে সবকিছু জিতে নেবে । কিন্তু আমি জিতেছি । আমার যথা সর্বস্ব বাজি ধরেছিলাম আমি ওটার পেছনে ।'

অস্বস্তিতে মাথা নাড়ল র্যাঞ্চার । 'শোন ছেলে, তোমাকে চলে যেতেই হবে ! এখন এখানে কোন সমস্যা নেই । কিন্তু তুমি যদি থাকবে বলে মনস্থির কর তো পুরনো ক্ষত সব খুলে যাবে । এত ঝামেলা দেখা দেবে যে আমরা কেউই আর সেটা সামলাতে পারবনা । তাছাড়া বেন টেইলর কী ভাবে জায়গাটার মালিক হল ? সবাই জানে বেইলির সাথে ওর কোন সদ্ভাব ছিলনা । আমার মনে হয়না কোর্টে তোমার দাবি ধোপে টিঁকবে ।'

'সেসব আমি জানিনা ।' একরোখা সুরে বলল অ্যালেন । 'আমার একটা দলিল আছে এবং সেটাই যথেষ্ট আইনের চোখে । আমার ব্র্যান্ড সহ দলিল রেজিস্ট্রি করেছি আমি । আমি দেখেছি বেইলির কোন উত্তরাধিকারী ছিল না । সুতরাং নতুন কেউ এসে জায়গাটা মামলা না করলে আমি শক্ত হয়ে, আমার জায়গায় বসে থাকব ।'

ভুঁরুর ওপর হাত বোলাল ট্রুম্যান । 'আমি তোমাকে দোষ দেই না । আমার হয়তো এখানে আসা উচিৎ হয়নি । কিন্তু আমি রস বিলটন আর ওর সাঙ্গপাঙ্গদের চিনি । এবং আমি তোমার এবং আমার নিজের জন্যও কিছু ঝামেলা বাঁচাতে চেয়েছিলাম । গেইলের ধারনা তুমি খুব চমৎকার মানুষ । হুইট চলে যাবার পর তুমি হচ্ছো প্রথম তরুন, যার প্রতি গেইল কোন আগ্রহ দেখাচ্ছে । দেখ, হুইট যখন এখানে ছিল তখন গেইলের বয়স খুব কম ছিল । সুতরাং একধরনের বীর পূজা ওর মধ্যে ছিল বলা যায় ।'

কোদালে হেলান দিয়ে, বয়স্ক লোকটার দিকে তাকাল অ্যালেন রিং । 'ট্রুম্যান, আপনার কী ধারনা ঝামেলা এড়িয়ে গিয়ে ঝামেলা থেকে বাঁচতে পারবেন? এই ব্যাপারে আপনার আর স্বার্থ কী ?'

স্থির হয়ে গেল র্যাঞ্চার, ফ্যাকাসে আর শুকনো দেখাচ্ছে তার মুখ । তারপর ঘোড়া থেকে নেমে একটা পাথরের ওপরের বসল সে । হ্যাট খুলে ভুঁরু জোড়া মুছল সে ।

'ব্যাপারটা হচ্ছে, তোমাকে বিশ্বাস করতে হবে আমাকে ।' ধীরে ধীরে শুরু করল সে । 'তুমি হ্যাজলিটদের কথা শুনেছ । ওরা একটা শক্ত দল, পারস্পরিক মিল মোহাব্বত খুব বেশি । বন্দুকের ওপর ভরসা করে জীবনের একটা বড় অংশ কাটিয়েছে । স্যাম কে খুব করা হয়েছে । আমরা সবাই জানি যখন খুনীর আসল পরিচয় বের হবে, প্রচুর ঝামেলা হবে এ তল্লাটে, প্রচুর ।'

'আপনি খুন করেছেন ওকে ?'

ঝাঁকি দিয়ে মাথাটা সোজা করল ট্রুম্যান । 'না! ওরকম কিছু ভেবো না । কিন্তু তুমি তো জানোই ছোট র্যাঞ্চাররা কেমন হয় । তখন গরুচুরির হিড়িক পড়ে গিয়েছিল । আর হ্যাজলিটদের আউটফিটটা ছিল বড়, ওদের অনেক গরু খোয়া গিয়েছিল ।'

'আর সেসব কিছু গরু, আপনার ব্র্যান্ড নিয়ে ঘুরে বেড়াত?' ধুর্তভাবে জিগ্যেস করল রিং ।

মাথা নাড়ল ট্রুম্যান । 'সেরকমই ব্যাপারটা, খুব বেশি না যদিও, আর শুধু আমি এ কাজ করেছি তাও নয় । আমাকে ভুল বুঝোনা । আমি দোষ থেকে নিস্কৃতি চাইছি না । এর কিছুটা দায়ভার আমারও । কিন্তু আমি খুব বেশি নেই নি । আমার মত আরও আট-দশ জন তাদে ব্র্যান্ড হ্যাজলিটদের গরুতে বসিয়েছে । এদের মধ্যে পাঁচজন এখানকার সবচেয়ে বড় ব্র্যান্ড এখন । ওদের অনেক এখন প্রায়, হ্যাজলিটদের মতই বড় আউটফিট ।'

আকাশ পরখ করল অ্যালেন রিং । এটা অনেক পুরনো গল্প এবং অনেকবার পুণঃরাবৃত্তি হয়েছে পশ্চিমে । গৃহযুদ্ধ শেষে, টেক্সাস আর দক্ষিন পশ্চিমের লোক বাড়ি ফিরে দেখে, তাদের গরুর হাজার হাজার হয়ে গেছে । ব্র্যান্ড নেই, মালিকানাও নেই । গরুর গায়ে ব্র্যান্ড মারতে পারলেই মালিক হয়ে যাবে পয়লা লোকটা ।

অনেক লোক গরম লোহা দিয়ে ছাপ্পর মেরে বিরাট ধনী হয়ে গেছে । তারপর ব্র্যান্ড ছাড়া গরু সব বিদায় নিয়েছে, র‌্যাঞ্চগুলো তাদের প্রতিপত্তি আবার প্রতিষ্ঠিত করেছে । ওরকম দু'নম্বরী ব্র্যান্ডিং এর দিন শেষ । তবু এখনও কিছু রেঞ্জ আছে, যেখানে একজন মানুষ গরম লোহা খুব দ্রুত নিজের একটা গরুর পালের মালিক হতে পারে ।

অনেক বড় বড় র‌্যাঞ্চ এই ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । এবং ওদের অনেক এখনও চরে বেড়ানো গরু পেলেই নিজের ব্র্যান্ড লাগিয়ে দেয় । কোন সন্দেহ নেই এখানেও ব্যাপারটা তাই ঘটেছে । রলি ট্রুম্যানের মত অনেক ভাল মানুষ, যারা প্রথমে ইন্ডিয়ানদের সাথে লড়ে নিজেদের ঘরবাড়ি বানিয়েছিল, এভাবেই তাদের জীবিকা শুরু করেছিল ।

স্যাম হ্যাজলিট গরুচোরদের পেছনে লেগেছিল । ওরা কারা এবং চুরি যাওয়া গরু ওরা কোথায় রাখে তাও রাখে তার হদিস বের করে ফেলেছিল সে । এমন সময় পেছন থেকে গুলি করে মারা হয় তাকে এবং টালি খাতাটা খোয়া যায় তার পকেট থেকে । এখনও পাওয়া যায় নি ওটা । হয়তো খাতাটার মধ্যে এমন আলামত আছে যে, আজ যারা সমাজের মাথা, তারাই গতকাল গরুচোর ছিল । তাহলে হ্যাজলিট আউটফিটের প্রতিহিংসার ধকল তাদের নিতে হবে ।

অনেক সময় পশ্চিমের লোক এসব ব্যাপার ঢালাও চোখে দেখে । যদি কোন গরুচোর স্যাম হ্যাজলিটকে মেরে থাকে, তবে তার সাথের সমস্ত গরুচোরই দায়ী । এ র্যাঞ্চে বাস করে এমন যে কোন লোক হঠাৎ একদিন টালি খাতাটা খুঁজে পেতে পারে । তাহলে সমস্ত রেঞ্জে দাউ দাউ করে বন্দুক যুদ্ধের আগুন জ্বলে উঠবে । তাহলে অনেক লোক যারা অতীতের ভুল পথ থেকে বেরিয়ে এসে পরিবার পরিজন নিয়ে বাস করছে, তারাও এই সংঘরষে জড়িয়ে পড়বে ।

সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৬
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আররিজস বা ত্রুটি বিশিষ্ট মুসলিম দল পথভ্রষ্ট

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:০৫



সূরাঃ ১০ ইউনুস, ১০০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০০। আল্লাহর অনুমতি ব্যতীত ঈমান আনা কারো সাধ্য নহে এবং যারা বুঝে না আল্লাহ তাদেরকে আররিজস (ত্রুটি/কলংক) যুক্ত করেন।

* তিহাত্তর দলে বিভক্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার একশততম পোস্ট!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:১৮



আমার একশততম পোস্ট!

আজ আমার লেখকজীবনের এক ছোট্ট কিন্তু হৃদয়ের গভীরে দাগ কাটা দিন- সামহোয়্যারইন ব্লগ এ আমার একশততম পোস্ট। সংখ্যার হিসেবে হয়তো ১০০ খুব বড় কিছু নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংসদের বায়না : ৩০ সেট গয়না

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:১৪

একসময় এই প্রবাদটি খুব প্রচলিত ছিল, এমনকি পণ্ডিত মহলেও এটি নিয়ে ঠাট্টা-মশকরা করা হতো।
সময় বদলে গেছে; যমুনা নদী দিয়ে বহু জল বয়ে গিয়ে সাগরে মিশেছে।



বাস্তবতার নিরিখে আমাদের সমাজে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফুল ট্যাঙ্ক স্বপ্ন

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২২ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৬



শহরের সকালগুলো এখন আর আগের মতো নয়। সূর্য ওঠার আগেই পেট্রোল পাম্পের সামনে লম্বা লাইন পড়ে যায়। সেই লাইনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকে রিদম—একটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, আর জীবনের বাস্তবতায় আটকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশি দৃষ্টিতে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ও ভারতের হিন্দুরাষ্ট্র হয়ে ওঠার প্রচেষ্টা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২৩ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:০৬


কাল থেকে দুই ধাপে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন শুরু হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি ভারতের কেন্দ্রীয় শাসনক্ষমতা ও মতাদর্শ দ্বারা যেমন প্রভাবিত, তেমনি এর প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশেও প্রতিফলিত হয়। ভারতে যখন হিন্দুত্ববাদী জাতীয়তাবাদী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×