somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চারতাস 5 (ধারাবাহিক ওয়েস্টার্ন গল্প)

০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পা ফাঁক করে গম্ভীরভাবে দরজা দিয়ে বাইরে তাকাল অ্যালেন । ভেতরে ভেতরে এক পরিচিত শীতলতা অনুভব করছে । সাবধানে হাতের তালু মুছল সে । 'বিলটন শহরে আছে?'জানতে চাইল সে ।

'হ্যাঁ, মাজাটজাল স্যালুনে তাস খেল ছে ও ।'

'ও কী মেক্স স্পার পড়ে? বড় দাঁতের স্পার?'

চোয়াল ডলল লোকটা । 'আমার মনে পড়ছেনা । সাবধানে থেক, সবাই খুব হুঁশিয়ার হয় চলছে ।'

কাদাভরা রাস্তা ধরে চলল রিং । অন্ধকার জেনারেল স্টোরের কাছে এসে কাঠের বোর্ডওয়াকে এসে উঠল । বুট থেকে কাদা ঝেড়ে আবার হাত শুকাল সে । তারপর সাবধানে বর্ষাতির বোতাম খুলল ।

দ্বিতীয়বার কেউ এ সুযোগ পাবে না, জানে সে । এখন মাজাটজাল স্যালুনে যাওয়া মানে একটা বিস্ফোরন ঘটানো । তবে সে নিজেই এ বিস্ফোরণের সলতে ধরাবে, নিজস্ব উপায় ।

অন্ধকারে একা দাঁড়িয়ে ব্যাপারটা ভেবে নিল সে । ওরা সবাই থাকবে ওখানে । ব্যাপারটা হবে অনেকটা ডিনামাইটের বান্ডিলে জ্বলন্ত দেশলাইয়ের কাঠি ছুঁড়ে দেয়া । পিস্তলবাজিতে আরেকটু পাকা হাত থাকলে ভাল হত, ভাবল সে । কিন্তু সবসময়ই একা একা কাজ করেছে সে, অন্যভাবে কিছু করতে জানেই না সে ।

বোড়্ড ওয়াকের ওপর লম্বা লম্বা পা ফেলে এগিয়ে চলল রিং । বৃষ্টির ঝমঝমের শব্দ, ডুবিয়ে দিচ্ছে তার বুটের আওয়াজ । কিছুতেই সেই স্পার টাকে মেলাতে পারছেনা সে । বুটটাকেও না । নাহ, কালো খাতাটা তাকে বাগাতেই হবে আবার ।

মাথা নীচু করে বৃষ্টির মধ্যে চারটে ঘোড়া দাঁড়িয়ে আছে । চেয়ে দেখল অ্যালেন, ওগুলো তিনটে আলাদা ব্র্যান্ডের ঘোড়া । বৃষ্টি ভেজা জানালার ভেতর দিয়ে স্যালুনের ভেতরে তাকাল সে ।

লম্বা ঘরটা ধোঁয়ায় ভর্তি আর ভীড়ে ভীড়াক্কার । পেতলের রেইলে পা তুলে মানুষ বার ঘেঁষে দাঁড়িয়ে । প্রায় ডজনখানেক টেবিলে তাস খেলছে মানুষ । মনে হয়, সবাই বৃষ্টি থেকে বাঁচতে আশ্রয় নিয়েছে ওখানে । হ্যাজলিট ভাইদের দেখল অ্যালেন, কামরার পেছনের একটা টেবিলে বসে আছে একসাথে । এরপ রে রস বিলটনকে চোখে পড়ল তার, দরজা সামনে রেখে তাস খেলছে সে । স্ট্যান ব্রুল বারের এক প্রান্তে আর হেগেন দেয়াল ঘেঁষে একটা টেবিলে । তিনজনে মিলে একটা ত্রিভুজ রচনা করেছে যার ভিত্তি হচ্ছে দরজাটা ।

তাহলে এটা কোন কাকতালীয় ব্যাপার নয়, বিলটন গোলমাল আশংকা করছে । তবে ঠিক হ্যাজলিটদের কাছ থেকে নয় । যদিও ভেবে দেখল অ্যালেন, ত্রিভুজটা হ্যাজলিটদেরকেও ক্রসফায়ারে ফেলতে পারে । দরজার দিকে পেছন ফিরে একটা লোক বসে বিলটনের সাথে তাস খেলছিল । আর হেগেনের খুব কাছেই বারে, রলি ট্রুম্যান ।

ড্রিংকটা নিয়ে খেলা করছে ট্রুম্যান । স্রেফ সময় পার করছে, মনে হচ্ছে একটা কিছু ঘটার অপেক্ষা করছে সবাই ।

ওরা কী ওর জন্যই অপেক্ষা করছে ? নাহ, ব্যাপারটা বিশ্বাসযোগ্য নয় । ওরা জানেনা যে সে খাতাটা পেয়েছে । তবে, কামরার একটা লোক নিশ্চিত জানে বলেই তার বিশ্বাস । বোধহয় এটা স্রেফ টেনশন, সে রেডরকের দখল বুঝে নেবার কারনে সৃষ্টি হয়েছে । বর্ষাতির কলারটা তুলে দিয়ে হাতদুটো আনার মুছে নিল সে ।

এরকম পরিস্থিতে সবসময়ই যা হয়, নার্ভাস লাগছে আর গলা শুকিয়ে যাচ্ছে । পিস্তলের বাঁট স্পর্শ করল রিং , তারপর দরজা ঠেলে ঢুকে পড়ল স্যালুনে ।

সবাই একসাথে তাকাল ওর দিকে । একটা তাস বাঁটছিল বিলটন, শুন্যে জমে গেল তার হাত । দশ সেকেন্ড তাস হাতে সে জমে রইল যতক্ষণ না রিং দরজাটা বন্ধ করল । ঘরে ঢুকে আরেকবার চারপাশটা জরিপ করল সে, রস বিলটন তাসটা অন্য লোকটাকে দিয়ে নীচু গলায় কী যেন বলল । ঘুরে তাকাল লোকটা, বেন টেইলর !

শীতল কৌতুহলী চোখে জুয়াড়ি লোকটা অ্যালেনের দিকে চাইল, এবং এক মুহুর্তের জন্য ওদের চোখাচোখি হল । সটান ওর দিকে হাঁটা দিল অ্যালেন রিং ।

ঘরে আর কোন শব্দ নেই, বাইরে বৃষ্টির গর্জন ছাড়া । টেইলরের চোখে একটা কিছুর আভাস দেখতে পেল রিং ।

'দারুন একটা তাস চেলেছিলে তুমি টেক্সাসের পথে,' বলল রিং । 'দারুন তাস!'

'আরও তাস টানতে পার তুমি,' বলল টেইলর । 'চমৎকার একটা জোড়া ধরে আছো তুমি !'

লোকটা নড়ে ওঠার সাথে সাথে স্পারের ঝুনঝুন শব্দে রিংএর চোখ গেল সেদিকে । বেন টেইলর বড় দাঁতের ক্যালিফোর্নিয়া স্পার পড়ে আছে, এদিকটায় মেটেই দেখা যায় না ওরকম স্পার । টেইলরের পাশে দাঁড়াল সে, যাতে ওর দিকে তাকাতে মুখ তুলতে হয় ওকে । স্পষ্ট টের পাচ্ছে রিং, এখন ও ব্রুল আর হেগেনের ফায়ারিং লাইনের ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে । কৌতুহলী হয়ে মুখ তুলে তাকাল হ্যাজলিটরা, ব্যাপারটা কোন দিকে মোড় নিচ্ছে বুঝতে পারছে না ওরা ।

'আমাকে জিনিসটা দিয়ে দাও টেইলর,' শান্ত গলায় বলল রিং । 'এখনই ফেরত দাও জিনিসটা আমাকে ।

'কী বলছ আমি কিছু বুঝতে পারছি না,' জ্বলে উঠল বেন ।

'না?'

পা সামান্য ফাঁক করে দাঁড়াল রিং, ওর হাতদুটো বুকের কাছে , একটা বর্ষাতির প্রান্ত আঁকড়ে আছে । বাঁ হাতে ঘুষি হাঁকাল রিং । বেনের জন্য হুকটা ছিল খুব দ্রুত, আকস্মিক ও অল্প দুরত্বের ।

চোয়ালের ওপর ঘুষিটা পড়ার শব্দ শুনতে পেল সবাই । রিংএর ডানহাত এবার নেমে এল এবার জুয়াড়ি টেইলরের সোলার প্লেক্সাসের ওপর, হাঁটু ভাজ হয়ে গেল তার । একটানে ওর কোটের সামনের অংশটা খুলে ফেলল রিং, বোতামগুলো ছিটকে পড়ল মেঝেতে । হ্যাঁচকা টানে ভেতরের পকেট থেকে বের করে আনল খাতাটা ।

দেখল রিং, হ্যাজলিটরা সব সচকিত হয় উঠেছে, আর বিলটন এতো জোরে ছিটকে পেছনে চলে গেল যে চেয়ারটা উলটে পড়ল ।

'ওকে আটকাও!' গর্জন করল বিলটন । 'আটকাও ওকে!'

ধাক্কা দিয়ে টেইলরকে টেবিলের ওপর এনে ফেলল রিং । টেবিলটা উল্টে পড়ায় ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য লাফ দিয়ে পেছনে সরে যেতে বাধ্য হল বিলটন । হাঁটু মুড়ে বসে পড়ল রিং মেঝেতে, একই সাথে পেছন ফিরে দেখল পিস্তল উঠে আসছে ব্রুলের হাতে । এবার গুলি করল সে !

পিস্তলটা তুলে এনেছিল স্ট্যান ব্রুল, এমন সময় চোয়ালে গুলিটা লাগল ওর । ঝাঁকি খেন লম্বা লোকটা, ঘৃণা আর বিস্ময়ে বিকৃত তার মুখ । আবার গুলি করে করে, হাঁটু ভাজ করেই লাফ দিয়ে আগে বাড়ল রিং, মাটিতে পা পড়ার সাথে সাথে আবার গুলি করল । হেগেনের বুলেটটা আঘাত হানায় টলে উঠল অ্যালেন । ঠান্ডা মাথায় আবার ফায়ার করে আধপাক ঘুরে বিলটনের বেল্ট বাকলের ঠিক ওপরের আরেকটা গুলি ঢুকিয়ে দিল রিং ।

খুব দ্রুত, ক্ষিপ্র কিন্তু কার্যকর অ্যাকশন । চারটে গুলি করতে ওর তিন সেকেন্ডও লাগেনি ।

এক পা পেছনে হটে, মেঝেতে পড়ে যাওয়া টালি খাতাটা পকেটে পুরল ও । বিলটন মাটিতে পড়ে আছে, মুখ দিয়ে রক্ত বের করছে কাশির সাথে । ভাঙ্গা ডানহাত নিয়ে, জড়ান অবাক গলায় গালগাল করছে হেগেন । আর মাটিতে পড়ার আগেই মারা গেছে স্ট্যান ব্রুল । উঠে দাঁড়িয়ে আগে বাড়তে যাচ্ছিল হ্যাজলিটরা, এক কদম পিছে হটে পিস্তলটা হাত থেকে ফেলে দিল রিং, বর্ষাতির নীচ থেকে শটগানটা ফায়ারিং পজিশনে নিয়ে এসেছে সে ।

'পিছে হট!' জড়ান গলায় বলল সে । 'সবাই পিছনে যাও, নইলে তিনজনকেই খুন করব আমি !'

ক্ষুধার্ত নেকড়ের মত হিংস্র চেহারা ওদের তিনজনের, কিন্তু শটগানের সাথে কোন তর্ক চলে না । ধীরে ধীরে অনিচ্ছার সাথে, এক পা এক পা করে পিছিয়ে গেল ওরা ।

শটগান নাড়ল রিং । 'তোমরা সবাই, দেয়ালের কাছে গিয়ে দাঁড়াও !'

সবাই উঠে ওর দিকে চোখ রেখে পিছিয়ে গেল । অনিশ্চিত, হুঁশিয়ার, কেউ কেউ ভীত ।

ওদের যেতে দেখল অ্যালেন রিং, মাথা ঘুরছে তার । খুলির মধ্যে দপ দপ করতে থাকা ব্যাথাটা দুর করার চেষ্টা করলে রিং । দুর্বলটা অন্য কোন জায়গা থেকে আসছে ।

'মাই গড !' বলে উঠল রলি ট্রুম্যান । 'গুলি খেয়েছে লোকটা !'


'পিছে হট!' জড়ান গলায় বলল রিং ।

পেটমোটা স্টোভটার দিকে নজর গেল ওর । শটগানটা কোমরের কাছে ধরে এগিয়ে গেল সে স্টোভটার দিকে । সবকটা লোকের চোখ ওর দিকে ।

স্লিং থাকায় শটগানটা ধরে রাখতে সুবিধা হচ্ছে ওর । ডানহাত আলতো করে ধরে রেখেছে, আঙ্গুল ট্রিগারে । বাঁ হাতে স্টোভের পাল্লাটা খুলে, পকেট হাতড়াল ও ।

'না!' গর্জে উঠল বাক হ্যাজলিট । রাগে চোখ জোড়া ঠেলে বেরিয়ে আসছে ওর । 'না ! এটা করতে পার না তুমি !'

ছুটে আসতে যাচ্ছিল সে সামনে । শটগানের নলটা মাটিতে নামিয়ে গুলি করল রিং । বাকের পায়ের কয়েক ইঞ্চি সামনে বিঁধল গুলি । এত দ্রুত থামল সে প্রায় উল্টে পড়ে যেতে যাচ্ছিল সে । শটগান ওপরে উঠে কাভার করল তাকে ।

'পেছনে !' হুকুম দিল রিং, পায়ের ওপর টলছে সে । 'পেছনে!' বলেই টালি খাতাটা ছুঁড়ে ফেল ল সে স্টোভের মধ্যে ।

চেপে রাখা শ্বাস ছাড়ল জনতা । তাকিয়ে থাকল ওরা, দেখল আগুনের লকলকে শিখা ঘিরে ফেলল খাতাটাকে । প্রথমে বাদামী, তারপর কালো, সবশেষে ছাই হয়ে গেল ওটা । মন্ত্রমুগ্ধের মত সেদিকে চেয়ে রইল সবাই ।

রিংএর চোখ গেল বাক হ্যাজলিটের দিকে । 'বেন টেইলর খুন করেছিল ওকে,' বলল সে । 'টেইলর সাথে ছিল বিলটন, ও দেখে ফেলেছিল এটা ।'

'শুধু তোমার কথাকেই মেনে নিতে হবে আমাদের ?' ক্রুদ্ধভাবে দাবি করল বাক হ্যাজলিট ।

চোখ বড় তাকাল অ্যালেন রিং । 'তুমি প্রশ্ন করতে চাও এটা নিয়ে ? নাকি আমাকে মিথ্যাবাদী বলতে চাও তুমি ।'


ওর দিকে চাইল হ্যাজলিট । তারপর জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজাল,'না, ঠিক আছে । ওরাই করেছে এ কাজ।'

'আমি তোমাদের সত্যি কথাই বলেছি,' বলেই হাঁটু ভাঁজ হয়ে গেল রিংএর । ধপাস করে মেঝেতে গড়িয়ে পড়ল ও ।

সবাই ছুটে এল সামনে । রলি ট্রুম্যান, স্টোভের সামনে বাক হ্যাজলিটের দিকে চাইল । বিশালদেহী লোকটা আগুনের দিকে মিনিটখানেক তাকিয়ে থেকে স্টোভের পাল্লাটা বন্ধ করে দিল ।

'ভাল!' বলল সে । 'এই ভাল হয়েছে! জিনিসটা আমাদের ওপর একটা কাল মেঘের মত দাঁড়িয়ে ছিল ।'

জানালা দিয়ে উজ্বল রোদ গলে পড়ছে, এমন সময় গেইল ট্রুম্যান ওকে দেখতে এল । বিছানা সোজা হয়ে বসতে পারে ও এখন, আগের চেয়ে সুস্থ লাগছে । বাড়ি ফিরতে পারলে ভাল হয়, অনেক কাজ জমে আছে । ভেতরে এসে মেয়েটা তার বুটে, রাইডিং হুইপ দিয়ে আলতো বাড়ি দিয়ে হাসল ।

'ভাল লাগছে?' জিগ্যেস করল সে । 'তোমাকে দেখতে অবশ্যই ভাল লাগছে । দাড়ি কামিয়েছো তুমি ।'

দাঁত বের করে হেসে, চিবুকে হাত বোলাল অ্যালেন । 'দরকার ছিল ব্যাপারটার । দু'সপ্তাহ বিছানায় পড়ে ছিলাম । আঘাতটা নিশ্চয়ই খারাপ ছিল খুব ।'

'অনেক রক্ত হারিয়েছিলে তুমি । তোমার হার্ট খুব শক্ত ।'

'এখন আর এত শক্ত নয়,' বলল রিং । 'খুবই দুর্বল হয়ে পড়ছি আমি ও জায়গাটায় ।'

লাল হয়ে উঠল গেইল । 'ওহ? তোমার নার্স , ধরে নিতে পারি আমি ?'

'মেয়েটা সুন্দরী তাই না?'

চমকে তাকাল গেইল । 'তার মানে তুমি--'

'না, হানি,' বলল রিং, 'তুমি ।'

'ওহ,' ওর দিকে তাকাল গেইল । তাপর পর চোখ নামিয়ে নিল । 'আমার মনে হয় --'

'ঠিক আছে ?'

হঠাৎ হেসে উঠল গেইল । 'ঠিক আছে ।'

'তোমাকে বলার দরকার ছিল, ' বলল রিং । 'আমাদের বিয়ে করতে হবে ।'

'করতে হবে? কেন ?'

'লোকে কথা ছড়াবে । তোমার মত সুন্দরী অল্প বয়েসী কোন মেয়ে যদি সবসময় আমার ওখানে আসে লোকে ভাবতে পারে তুমি শুধু দৃশ্য দেখার জন্যই আসো !'

'ওরা যদি তাই ভাবে,' চটজলদি জবাব দিল গেইল । 'ওরা ভুল ভাববে !'

'তুমি বলছ আমাকে ?' জিগ্যেস করল রিং ।

শেষঃ-
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সাংবাদিক নারীরা কি টিপিক্যাল, চিন্তার গভীরতা কি ওদের কম??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০



সাংবাদিক নারী বা সাংবাদিকতার সাথে সম্পর্কিত পেশায় জড়িত মেয়েরা কি একটু টিপিক্যাল টাইপের হয়??
আমার তো তা-ই মনে হয়! এছাড়া, চিন্তার গভীরতা ওদের একটু কমও মনে হয়েছে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

চোখ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:১৬

এতদিন উপমা হিসাবে জেনেছি কারোর চোখ থাকে পটল চেরা, কারোর থাকে বাবুই পাখির বাসার মতন।
এই প্রথম দেখলাম গ্রে'স এলিয়ানের চোখ - এত মায়ায় ভরা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব দুনিয়ার আহার যোগাই, আমরা না পাই খাইতে

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩৪



সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাওন হাওরের বর্গাচাষি আলী আকবর। কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ কৃষিকাজ করি খালি বাঁইচ্যা থাকার লাগি। কোনো লাভ নাই।’ হিসাব কষে বলেন, এখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

লজেঞ্জুষ খাওয়াবে

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৫


বাতাসের নিঃশ্বাস, পিঠ ঠেকে যাচেছ
শহরের ধূলি বালির নর্দমার কাছে;
কখন চিৎকার করে বলে ওঠবে-
দূষিত নিঃশ্বাস তোমরা সরে যাও
তোমরাই স্বার্থপুরের রাক্ষস রাক্ষসী;
সাবধান বাতাসের কোটি নিঃশ্বাসগুলো
লজেঞ্জুষ হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে-
খুব আদর করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×