somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাশিয়া 1919 (পর্ব 5, শান্তি প্রস্তাব)

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

5.

প্যারিস পিস কনফারেন্সের তরফ থেকে প্রস্তাব দেয়া হয় যে রুশ সরকারের প্রতিনিধিরা বসফোরাস প্রণালীর কোন দ্বীপে গিয়ে আলোচনা করার জন্য । যেহেত সোভিয়েত সরকারকে সরাসরি আমন্ত্রণ জানানোও হয় নি তাই চিচেরিনকে প্যারিসের একটা বামপন্থী পত্রিকা থেকে প্রস্তাবের খুঁটিনাটি বের করতে হলো । শেষ পর্যন্ত ফেব্রুয়ারীর 4 তারিখে মিত্র পক্ষের কাছে একটা লম্বা চিঠি দিলেন । যদিও এরকম প্রস্তাবের পক্ষে অনেকের সায় ছিল না, তবু মেনশেভিকরাও সমর্থন করল এ প্রস্তাব । ফেব্রুয়ারীর 10 তারিখে নির্বাহী কমিটি আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করতে বসল ।

চিচেরিন বললেন সোভিয়েত সরকার যদিও আগের চেয়ে সংহত অবস্থানে আছে তাহলেও তারা যু্দ্ধ বন্ধ করতে আগ্রহী । এমন কী যেজন্য বড় রকম ছাড় দিতে রাজী আছে তারা । ছাড়গুলো হচ্ছে আগের ঋণ শিকার করে নেয়া, যদিও তা এই মুহুর্তে শোধ দেয়া খুবই কঠিন ব্যাপার হবে । খনিজ, বনজ ও অন্যান্য কাঁচামালের যোগান নিশ্চিত করা । এমন কী মুল ভুখন্ডের কিছু অংশ ছেড়ে দিতেও তারা রাজী । এ শেষ ইস্যুটা অত্যন্ত তিক্ত বিতকের্র সৃষ্টি করল । অবশ্য সম্পুর্ণ বোঝাপড়াটা সমারিক অবস্থানের উপরই নিভর্র করবে । সোভিয়েত সরকারের বর্তমান পরিস্থিত সম্বন্ধে চিচেরিন আশাবাদী চিত্র আঁকলেন ।

ফেব্রুয়ারীর 5 তারিখে বিবৃতিটা কাগজে আসার সাথে সাথেই আলোচনার মুখ্য বিষয় হয়ে দাঁড়ালো সেটা । বিপ্লবের জঙ্গী রুপ নিয়ে সাধারন মানুষের মধ্যে কোন সংশয় ছিল না । বেশিরভাগ মানুষই শান্তি চাইছিল । একই সাথে যুদ্ধ আর বিপ্লব চালানো খুব কঠিন ব্যাপার । বিপ্লবের আঠারো মাস পরে রুশ নেতৃত্ব এখন গোটা দুনিয়াতে বিপ্লব সৃষ্টির আগে মস্কোর রুটি সরবারাহ নিশ্চিত করতে চান । কেন্দ্রীয় সোইয়েত কী বলে আমি জানতে আগ্রহী ছিলাম ।

হোটেল মেত্রোপোলের বড় হল ঘরটাতে কমিটির বৈঠক বসল বরাবরের মতই লেট করে । একদম ঘড়ির কাঁটা ধরে এসে দেখি হলটা প্রায় ফাঁকা । পাশের কামরায় কমিউনিস্ট পাটির্র একটা মিটিং চলছে । হল ঘরটা ঠিক আগের মতই আছে, এক মাথায় লাল ব্যানার টানানো, তাতে দুনিয়ার সব প্রোলেতারিয়েতকে এক হতে বলা হচ্ছে । ঘরটা যখন মানুষজনে ভরে উঠল, তখন পুরনো পরিচিতদের অনেকের সাথে দেখা সাক্ষাৎ হল আমার ।

অত্যন্ত পুরনো কোট আর ছোট একটা ফারের কালো হ্যাট পরে চশমার ফাঁক দিয়ে চোখ মিটমিট করতে করতে বুড়ো প্রফেসর প্রোক্রোভস্কি ঢুকলেন শরীরের পিছনের দু'হাত রেখে । ব্রেস্ত আলোচনার সময় শেষ দেখেছিলাম আমি তাঁকে । আমি ভেবেছিলাম তিনি আমাকে চিনতে পারবেন না, কিন্তু সোজা এগিয়ে এসে আমাকে মনে করিয়ে দিলেন যখন মনে হয়েছিল পেত্রোগ্রাদ জার্মানরা দখল করে ফেলবে । তিনি জানালেন যে যুদ্ধের শুরুটা নিয়ে তাঁরা অনেক লেখালেখি করছেন, সেখানে ইংল্যান্ড অনেকটা ভালভাবে দেখানো হয়েছে, কিন্তু ফ্রান্স আর রাশিয়ার উদ্দেশ্য ও কর্মকান্ডের উপর খুব খারাপ ছায়াপাত ঘটেছে ।

দেমিয়ান ব্লেদনি এলেন, আগের চেয়ে মোটা হয়ে গেছেন তিনি (গ্রাম থেকে তাঁর ভক্তরা নাকি খাবার পাঠায় তাঁকে) । গোল মুখ, হাসিখুশি চোখ আর সন্দিগ্ধ একজোড়া ঠোঁট, পুরোদস্তুএ চাষী এবং বিপ্লবের একজন কবি । দায়সারা ভাবে শেভ করেছেন তিনি, হলদে গোঁফজোড়া ছোট করে ছাঁটা, চামড়ার ট্রাউজার পরে আছেন তিনি । একসময় প্রাভদা আর অন্যান্য পত্রিকায় তাঁর প্রহসন-মুলক কবিতা পড়েছি আমি । তিনি জানালেন তাঁর বইটার আড়াই লাখ কপি ঠিক দু'সপ্তাহের মধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে, এবং তাঁর পোট্রর্েট আঁকছে একজন সত্যিকারে শিল্পী ।

মাদাম রাদেক একবছর আগে লিকের স্যান্ডউইচ বানিয়েছিলেন দারুন । এখন কমিটির প্রধান হিসেবে যুদ্ধবন্দীদের বিষয়ে কথা তুললেন তিনি । কথা শেষ করে আমার পাশে বসলেন তিনি । কর্তৃপক্ষ তাঁকে ক্রেমলিনের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে বের করে দিয়ে সেখানে মিউজিয়াম করতে চায় জানালেন তিনি । এটা হচ্ছে তাঁকে ক্রেমলিন থেকে বের করে দেয়ার স্রেফ একটা অজুহাত । মাদাম ত্রতস্কি আসলে মাদাম রাদেক আরেকটু ভাল বাসায় আছেন সেটা সহ্য করতে পারছেন না ।

ঘরটা একটু একটু করে ভরে উঠছিল মানুষজনে । লিতভিনভকে আমি জিগ্যেস করলাম উনি বক্তৃতা দেবেন কিনা । এমন সময় লম্বা চুল ছোটখাট একজন লোক ছুটে এসে আমাকে সোভিয়েত ইউনিয়নে আবিষ্কৃত দেশলাই দেখালো । রাশিয়াতে দেশলাই বানাবার কাঠের বা প্যারাফিনের সাংঘাতিক অভাব, দেশলাই সাধারনত ফিনল্যান্ড থেকে আমদানী করতে হয় । এই বিশেষ দেশলাইটা কাঠের বদলে ফেলে দেয়া কাগজ আর বারুদের জায়গায় প্যারাফিনের বদলে ভেড়ার পশম ধোয়ার সময় যে তেলালো জিনিসটা বের হয় তা দিয়ে তৈরী । লোকটার নাম বের্গ, প্রেসিডিয়ামের অর্থনীতি বিষয়ক প্রধান । আমাকে তিনি এক প্যাকেট দেশলাই উপহার দিলেন । দেশলাইয়ের কাঠিগুলো সব একসাথে লাগানো, জ্বালাতে হলে ভেঙ্গে নিতে হয়, অনেকটা প্যারিসের দেশলাইয়ের মত । আমাকে বের্গকে বললাম আমি এটা প্যাটেন্ট করে নিজেই উৎপাদন করব । আশপাশের লোকেরা হেসে উঠল আমার কথা শুনে ।

ইযভেস্তিয়া পত্রিকা থেকে স্তেকলভ, মাদাম কোলোনতাই এবং আরোপ অনেক লোক এসেছিল যাদের নাম আমার স্মরণে আসছে না । প্রাভদার সম্পাদক বুখারিনও ছিলেন সেখানে, আপনার সাথে যে কোনো দার্শনিক আলাপ করতে তিনি এক পায়ে খাড়া । সে দার্শনিক হতে পারে বার্কলি, লক, বার্গসোঁ বা উইলিয়াম জেমস । তারপর দরজা দিয়ে এলিয়াভা খোঁড়াতে খোঁড়াতে ঢুকলেন । তিনি আমাকে মনে করিয়ে দিলেন গত গ্রীস্মে যখন তিনি আমাদের সাথে দেখা করেন তখণ তিনি আমাদের প্রত্যেককে গোল্ডেন অ্যাংকর হোটেলে পনেরোটা করে ডিম খেতে দেখেছিলেন । গত গ্রীস্মে আমি আমেরিকান রাষ্ট্রদূত মি. লিন্ডলের অনুবাদক হিসেবে কাজ করছিলাম । রাদেক বলেছিলেন যে এলিয়াভাকে আবার তিনি জীবিত দেখবেন তিনি এরকম আশা রাখেন না ।

প্রেসিডিয়ামে সামান্য কোলাহল দেখা গেল । আভানাসিয়েভ সেক্রেটারির আসন নিলেন, স্ভের্দলভ বললেন 'এবার কমরেড চিচেরিন বলবেন ।'

চিচেরিনের ভাষনটাকে বলা যায় বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বিষয়ে একটা সাধারন রিপোর্ট দিলেন তিনি । শান্তি আনার জন্য সোভিয়েত সরকার কী কী করছে বললেন তিনি সবিস্তারে, প্রেসিডেন্ট উইলসনের কাছে পাঠানো টেলিগ্রামের কথা বললেন তিনি । যে কয়টা দেশ রাশিয়ার বিরুদ্ধে সৈন্য পাঠিয়েছে তাদের প্রত্যেকটা দেশ সম্বন্ধে বিশ্লেষন করলেন তিনি ।

চিচেরিনকে দেখে মনে হচ্ছিলো ভীষণ ক্লান্ত তিনি । অধস্তনদের হাতে কিছু দায়িত্ব ছেড়ে দেয়ার কৌশলটা তিনি এখনো আয়ত্ব করতে পারেননি । তাকে 'গুডমর্নিং' বলতেও সংকুচিত বোধ করবেন আপনি এত ক্লান্ত মন হয় তাঁকে সারাক্ষণ । শোনা যায়, মানুষের অবাঞ্ছিত দেখা সাক্ষাৎ এড়াতে রাতের বেলা কাজ করেন তিনি । তিনি যে রিপোর্টটা পেশ করেছিলেন তা অত্যন্ত কৌতুহলদ্দীপ হলেও যেভাবে তিনি বলছিলেন তাতে কারো উৎসাহ বোধ করার কথা নয় ।

এর পরে বললেন বুখারিন । বাদামী পোশাক পড়া এ লোকটার সাথে আমার বার্লিনে অর্থনৈতিক সন্মেলনে দেখা হয়েছিল । যাহোক চিচেরিনের চেয়ে স্পষ্ট গলায় কথা বললেন তিনি । বর্তমান পরিস্থিতিকে তিনি ব্রেস্ত চুক্তির আগের মুহুতের্র মত বলে মন্তব্য করলেন । তারপর বললেন লীগ অ্য নেশন্স আসলে মস্ত বড় পুঁজির সিন্ডিকেট । ইউরোপের পুঁজির অবস্থা খুব নাজুক, আমেরিকানরা এমন একটা সংস্থা বানাতে চাইছে যেটা পুরো ইউরোপকে নিয়ন্ত্রণ করবে । তিনি বললেন, মিত্রপক্ষ তাদের দাবী দাওয়া পেশ করুক । রাশিয়া যত মুল্যই দিতে হোক শান্তি 'কিনে' নেবে ।

বুখারিনের পর লিতভিনভ বক্তব্য রাখলেন । ধুসর ফারের হ্যাট মাথায় গোলগাল হাসিখুশি মানুষ । উঠে দাড়ানোর সময় চশমাটা পিছলে নীচে পড়ে যাচ্ছিল । শুরুতেই ফ্রান্সকে দোষারোপ করলেন তিনি । ফ্রান্সের একগুঁয়েমির জন্যই যুদ্ধটা এখনো চলছে, আমেরিকান যুদ্ধ থামাতে আগ্রহী ।

সবশেষে মস্কো সোভিয়েতের প্রধান কামেনভ উঠে দাঁড়ালেন । ব্রেস্ত চুক্তির সাথে বর্তমান পরিস্থিতির তুলনার বিরোধিতা করে বললেন তিনি রুশ ঐক্য কেবল সোভিয়েত সরকারের অধীনেই সম্ভব । উক্রাইন গত পনেরো মাসে প্রায় সমস্ত শক্তিরই পদানত ছিল । জার্মান, প্রাক্তন বুর্জোয়া এবং আবার সোভিয়েত শাসন । সমসয় আসছে যখন পাশ্চাত্যের শক্তিগুলোকে সোভিয়েত সরকারকে স্বীকৃতি না দিয়ে উপায় থাকবে না ।

সভা শেষে বিনা প্রতিবাদে শান্তি প্রস্তাব পাশ হল । সাথে 'সমস্ত লাল ফৌজের সৈনিকদের' ধন্যবাদ প্রস্তাব দিয়ে সভা ভেঙ্গে গেল । গতবছর জার্মানদের সাথে করা 'ব্রেস্ত চুক্তির' থেকেও বড় ছাড় দিতে হবে এবার রাশিয়াকে যাতে আমারিকা, ফ্রান্স, ব্রিটেন আর জাপান তাদের হস্তক্ষেপকারী বাহিনী সরিয়ে নিয়ে যায় ।

পড়ন্ত তুষারের মধ্যে দিয়ে হোটেলের উদ্দেশ্যে হেঁটে চললাম আমি । আমার সামনে দুই শ্রমিক তর্ক করছে । 'আসলে দুর্ভিক্ষই বাধ্য করেছে সরকারকে এমন প্রস্তাব দিতে,' একজন বল আরেকজনকে । 'খাবারের অভাব কী কখনো মিটবে এই দেশে?' অন্যজন জানতে চাইল ।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৩৭
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আওয়ামীলীগ ও তার রাজনীতির চারটি ভিত্তি, অচিরে পঞ্চম ভিত্তি তৈরি হবে।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ০১ লা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৩


বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতি মূলত চারটি বিষয়ের উপর মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়।
প্রথমত, মানুষ মনে করে এ দলটি ক্ষমতায় থাকলে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষা পায়। এটা খুবই সত্য যে ১৯৭১ সালে আমাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ১৯০

লিখেছেন রাজীব নুর, ০১ লা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৯



আমাদের ছোট্র বাংলাদেশে অনেক কিছু ঘটে।
সেই বিষয় গুলো পত্রিকায় আসে না। ফেসবুকেও আসে না। অতি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মানুষ মাতামাতি করে না। কিন্তু তুচ্ছ বিষয় গুলো আমার ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

সনদ জালিয়াতি

লিখেছেন ঢাকার লোক, ০১ লা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫২


গতকাল দুটো সংবাদ চোখে পড়লো যার মূল কথা সনদ জালিয়াতি ! একটা খবরে জানা যায় ৪ জন ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে বরখাস্ত করা হয়েছে জাল জন্ম মৃত্যু সনদ দেয়ার জন্য, আরেকটি খবরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেষ বিকেলের বৃষ্টি

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০১ লা মে, ২০২৬ রাত ১০:৩৭


বিকেলের শেষে হঠাৎ বৃষ্টি নামলে
জানালার ধারে দাঁড়িয়ে ছিলে চুপ,
তোমার ওমন ঘন মেঘের মতো চুলে
জমে ছিল আকাশের গন্ধ,
কদমফুলের মতো বিষণ্ন তার রূপ।

আমি তখন পথহারা এক নগর বাউল,
বুকের ভেতর কেবল ধোঁয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরহুম ওসমান হাদীর কারণে কবি নজরুলের জনপ্রিয়তা বেড়েছে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫৯


ইনকিলাব মঞ্চের জাবের সাহেব মাইকের সামনে দাড়িয়ে যখন বললেন , শহীদ ওসমান হাদীর শাহাদাতের উসিলায় নাকি এদেশের মানুষ আজ কবি নজরুলের মাজার চিনতে পারছে, তখন মনে হলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×