"I declined. I said I did not want any more to do with wildcat
speculation .... I said I didn't want it at any price. He (Bell)
became eager; and insisted I take five hundred dollars' worth. He
said he would sell me as much as I wanted for five hundred dollars;
offered to let me gather it up in my hands and measure it in a plug-
hat; said I could have a whole hatful for five hundred dollars. But
I was a burnt child, and resisted all these temptations--resisted
them easily; went off with my money, and next day lent five thousand
of it to a friend who was going to go bankrupt three days later
টেলিফোনের প্যাটেন্ট কিনলে নিঃসন্দেহে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ধনীদের একজন হতে পারতেন তিনি ।
সাধারনত কোনো ব্যার্থতায় খুব একটা ঘাবড়ে যেতেন না টোয়েন । অকালে পরোলোকগত, দরিদ্র পিতার সন্তান, এগারো বছর বয়স থেকে কাজ করে অভ্যস্ত । দারিদ্রকে কুব কাছের থেকে দেখেছেন ও জয় করেছেন । পশ্চিমে সোনার খনির হদিস পান নি কিন্তু স্রেফ প্রতিভা আর সৃজনশীলতার জোরে বিশাল দুনিয়াজোড়া খ্যাতি অর্জন করেছেন, প্রতিকুল প্রেমে জিতে নিয়েছেন ধনীর দুহিতা প্রেয়সীকে । একটা প্রজেক্ট ব্যার্থ হলে আরেকটা বই লিখে পুষিয়ে নেবেন । পরোয়া কিসের টাকা খরচের? তিনি তো নিজেই বলেছেন যে তিনি পঁচাত্তর বছর বাঁচবেন । তাহলে তো আরো প্রায় ত্রিশ বছর আয়ু আছে তাঁর!
নো চিন্তা ডু ফুর্তি ।
সে যা হোক, একদিন পত্রিকায় 'রিভার চ্যাপ্টার্স,' উল্টে পাল্টে মনে হলো মিসিসিপি নদীতে আরেকবার যেতে পারলে বেশ হতো । যেমন চিন্তা তেমনই কর্ম, একুশ বছরে মিসিসিপি নদীর কী কী পরিবর্তন হয়েছে দেখার জন্য সেইন্ট লুই থেকে নিউ অর্লিয়ন্স পর্যন্ত একটা স্টিমার যাত্রার কথা ভাবতে লাগলেন তিনি । প্রকাশক অসগুডও সঙ্গে যাবেন ঠিক হলো । অসগুড একজন স্টেনোগ্রাফারের ব্যাস্থা করলেন যে সব টুকে রাখবে ।
সেইন্ট লুইতে গিয়ে ছদ্মনামে স্টিমার 'গোল্ড ডাস্টে' চাপলেন টোয়েন । কিন্তু কোনো ফায়দা হলো না । স্টিমারের লোকজন ঠিক চিনে ফেলল তাঁকে । পাইলট যাবার হাউজে আমন্ত্রণ এল । যাত্রার বেশির ভাগ সময় পাইলটের সাথে কথা বলে কাটালেন তিনি ।
কায়রো শহরে এসে নদীটা অনেক চওড়া হয়ে গেছে, তখন মিসিসিপি পুরো ভরা । মাঝ নদীতে যেখানে কোনো কিছুতে ধাক্কা লাগার ভয় নেই সেখানে মার্ক টোয়েনকে হাল ধরতে দিয়ে নিজে বিশ্রাম নিতে পাইলট । হুইল ধরে টোয়েনের মনে হলো না যে আসলে এতো গুলো বছর কেটে গেছে । বিশেষ করে সকাল বেলার ওয়াচে দাঁড়াতেন টোয়েন ।
নদীটা অনেক জায়গায় পাল্টে গেছে । খরস্রোতা চিরযৌবনা মিসিসিপি নদীর পার ভেঙ্গে, নতুন চর গড়ে উঠে যে সে সবসময়েই ভাঙ্গা-গড়ায় ব্যাস্ত থাকবে তাতে আর আশ্চর্যের কী আছে? আর মানুষও তো এই একুশ বছরে বসে থাকেনি । কিন্তু নদী যখন পুরো ভরাট তখন এ সবে কিছু আসে যায় না । পুরনো ওস্তাদ হোরেস বিক্সবিকে লিখলেন টোয়েন-'আর কিছু হবার চেয়ে আমি সারা জীবন মিসিসিপি নদীর পাইলট হতেই পছন্দ করব বেশি ।'
নিউ অর্লিয়ান্সে গিয়ে বিক্সবির সাথে দেখা হলো । বিক্সবি এখন 'সিটি অভ ব্যাটন রুজ' জাহাজের ক্যাপ্টেন । এই 'ব্যাটন রুজে' চড়েই ক্লিমেন্স সেইন্ট লুইতে ফিরে এলেন । তাঁদের দুজনের মানে গুরু-শিষ্যের প্রথম দেখা হয়েছিল প্রায় পঁচিশ বছর আগে । যাত্রার সময় টোয়েন, একজন পাইলটের মতই জাহাজের লগবুকে নোট নিতেন ।
সেইন্ট লুই ছাড়িয়ে ক্লিমেন্স ছোটবেলার পুরনো শহর হ্যানিবালে কয়েকদিন কাটালেন । দারুন মজা পেলেন পুরনো বন্ধুদের ( যারা তখনো হ্যানিবালে ছিল) সাথে দেখা করে । তারপরে আবার স্টিমারে করে আরো উজানে সেইন্ট পল শহরে গেলেন ।
চারপাশের দৃশ্য মুগ্ধ করলেও টোয়েন বুঝলেন স্টিমারের সোনালী দিন শেষ । মানুষ আর স্রেফ জাহাজের উপর নির্ভর করে বাঁচতে রাজী নয় । আর প্রায় সব জায়গাতেই ট্রেন এসে গেছে ।
1882 সালের গ্রীস্মকালটা পুরোটাই কোয়্যারি ফার্মে কাটালেন মিসিসিপির উপর লেখা বইটার উপর কাজ করে । বইটা বাজারে এল পরের বছর । ছাপালেন অসগুড আর বিক্রির দায়িত্বে ছিলেন চার্লস ওয়েবস্টার । ওয়েস্টার আবার মার্ক টোয়েনের ভাগ্নী-জামাই । তিনি পামেলার মেয়ে অ্যানি মোফেটকে বিয়ে করেছিলেন । মার্ক টোয়েন তখন নিজেই নিজের প্রকাশক হবার পায়ঁতারা করছিলেন ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ৯:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




