"সমরুন নেছার বয়স ৮৫ বছর। নিঃসন্তান এ বৃদ্ধা গঙ্গাপুর গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। বয়স হয়েছে, তাই এখন কাজ করতে পারেন না। আশ্রয় নিয়েছেন পাশের ভাইপোর বাড়িতে। অসহায় এ বৃদ্ধা এখনো বিধবা ভাতা পাননি। বারবার স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্যের কাছে ধরনা দিয়েও বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন না তিনি।
সমরুন নেছা না পেলেও বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার একই গ্রামের মস্তকিন আলী। তাঁর দুই ছেলে ব্রিটেন প্রবাসী। ছয়-সাত মাস আগে কোটি টাকা খরচ করে গ্রামে একটি অত্যাধুনিক বাড়ি নির্মাণ করেছেন; প্রচুর ভূসম্পত্তির মালিক তিনি। বাড়ির সামনে রয়েছে একটি মুদির দোকান। তার পরও তিনি বয়স্ক ভাতা পান। কারণ তিনি ইউপি সদস্য মো. তোতা মিয়ার আত্মীয় (বোনের জামাই)। ওই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে নিজের পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়স্বজনকে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তিনি বয়স্ক ভাতার প্রাথমিক বাছাই কমিটির সভাপতি।
বৃদ্ধা সমরুন নেছা সজল চোখে বলেন, ‘মরার সময় অই গেছে। কিন্তু ভাতা পাওয়ার সময় অইছে না। কত দিন মেম্বাররে কইলাম ভাতার কথা। দিমু দিমু কইয়া দেয় না। মরার আগে কিতা আমি ভাতা পাইতাম নায়নি?’ "
এই সব অনিয়ম আর কতদিন চলবে? এদেশে এরকম হাজারো সমরুন নেছা আছে।এদের কে দেখার কি কেউ নেই?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


