হজরত ঈসা(আাঃ) ছিলেন একজন মর্যাদাশালী নবী ।
শেষ্ট চার কিতাবের মধ্যে পবিত্র ''ইনজিল'' তাঁর উপড় নাজিল হয়ে ছিল । তাঁর জীবদ্দশায় পবিত্র ইনজিলের বাণী খুব নিষ্ঠার সাথে তিনি তাঁর জাতির কাছে প্রচার করেছিলেন । কিন্ত ভর্ত্তমান বিশ্বের বাস্তবতায় খৃষ্টানরা এই ইনজিলকে বিকৃতি করে নাম দিয়েছে ''বাইবেল'' । হজরত ঈসা
(আঃ) এর উপড় অর্পিত ঐশীবাণী গূলোকে মনের মত পরিবর্তন করে বাইবেলে সংযোজন করেছে ।
তাদের মতে ''গড ''তো একজন আছেনই, সেই সাথে গডের স্ত্রী হিসাবে মেরীও (মরিয়ম) গডের সমতুল্য । এবং যীশূ (ঈসা) গডের একমাত্র সন্তান হিসাবে
তিনিও একজন গড বা উপাস্য । আর এই তিনজনে মিলেই পৃথিবী পরিচালনা করেন ।
তাদের এই মিশনকে বাস্তবায়ন করার জন্য ইসলামকে প্রতিপক্ষ বানিয়েছে । তাই তাঁরা ইসলামের বিরোদ্্বে নানামুখি ষড়যন্ত্রে নেমেছে ।
এমনকি তাহারা অনেক ছলচাতুরীর আশ্রয় নিয়ে মুসলমানদের ধোকা দিয়ে আমাদেরকে বোকা বানিয়ে আমাদের ঈমান নষ্ট করছে ।
এই ষড়যন্ত্রের একটি হল যে , তাঁরা কিছু কিছু শব্দ আমাদের মাঝেও চালু করেছে । যার মর্ম না বুঝেই আমরা তাদের শিখিয়ে দেওয়া বুলি গূলো আওড়িয়ে নিজেদেরকে বোকা প্রমানিত করছি ।
তাদের শেখানো মতে 7-কে সৌভাগ্যের সংখ্যা ও 13-কে অপয়া সংখ্যা হিসাবে আমরা বিশ্বাস করি ।
অনেকেই হয়তো জানেনা যে , এর কারণ বা ব্যাখ্যা কি !!!
খৃষ্টানদের ধারনা মতে যীশূখৃষ্ট যেহেতো 'গড' এর সমতুল্য । তাই ইংরেজি গড লিখতে হলে ''জি'' অক্ষরটি প্রথমেই আসে । আর ইংরেজ বর্ণমালায় ''জি'' অক্ষরটি সপ্তম সহানে অবসহান করছে । তাদের গডের প্রথম অক্ষর যেহেতো 7 নম্বরে অবসহিত , তাই 7 নম্বরকে সৌভাগ্যের সংখ্যা
বলা হয় । অপর দিকে মুহাম্মেদ (সাঃ)এর নামের প্রথম অক্ষর হল ''এম'' । যার অবসহান 13 নম্বর সহানে । এই জন্য তাহারা হিংসায় 13 সংখ্যাটিকে অপয়া মনে করে ।
কিন্ত অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হল , মুসলমানরাও বেকুবের মত প্রকৃত ব্যাখ্যা না বুঝে তাদের দেখা দেখি বলে থাকে যে, ''লাকি সেবেন ও আনলাকি থারটিন !!!!!!!
হায়রে বেকুবের দল !!
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




