( গত কালের ছড়াটি সংশোধন ও সংযোজন করিয়া পুনরায় প্রকাশ করিলাম )
........................................................................................
বাশ বাগানের মাথার উপড় চাঁদ উঠেছে ঐ
ভাইরে আমার ব্লগের হাড়ি হীরক দাদা কই ?
হাসের বাচ্ছা খেলা করে ঐ যে বাঁধের কাছে
তাই দেখিয়া তেলাপোকা মনের সুখে নাছে ।
ঝড়োহাওয়ার লাগছে হাওয়া সে যে এবার সেরা
ওয়ালী ভাইয়া মনের দুঃখে দেখেন রাতের তারা ।
হাসান ভাইটা আড্ডা প্রিয় মজলিস খানা ভরা
অরূপ সাহেব ছন্দে ছন্দে গায় যে কত ছড়া !
ধানসিড়ি ভাই কাস্তে হাতে গেছে কোন সে বনে
মুখফোড় তাহার খুজে-হয়কি দেখা তাহার সনে ।
জাকিরূল ভাই নিরূদ্দেশ তালুকদারী চলে গেছে
দীক্ষক ভায়ের বাহাদুরী রাসেল আছে তার পিছে ।
সুমন ভাই জ্ঞানের হাড়ি , অপবাক তাহার সাথে
মাসুদা লাজে মরেন,গৌরব কিছু বাড়ল তাতে ?
মলি আপু কাজের ফাকে স্নেহ করেন শাওনটাকে
তীরান্দাজ ভাই তীর নিয়া বসে আছেন নদীর বাকে ।
হাবিব মহাজন নৌকা নিয়া ঘুরেন দেশে দেশে
নয়া নয়া খবর পাইলে ছক্কা মারেন হেসে ।
আড্ডাবাজের আড্ডায় আমি যাইনা কভু ভুলে
শ্রেয়সীকে দিদি কইলে খামছা মারেন চুলে ।
তীর্থক ভাই তীর্থে ছিলেন মনে কত দুঃখ
ফারিয়ালটা ঘুরেন অতি এতেই তাহার সুখ ।
মোতাহির ভাই বলেন বেশি কাটাকাটির যুক্তিগিরি
আমি রহমান পিয়াল বংঙ ছাড়ি ইংরেজিতে মারি ।
রাবার বোনটা নতুন আইছে আজি পরিচয়
লুনা রুশদী, শর্মী আছে নাইগো তোমার ভয় ।
সাহানা আপুর বিলাইটা মিউ মিউ ডাকে ঐ
বাশ বাগারে মাথার উপড় চাঁদটা গেল কই ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



