somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গোমুখাসনে বোতলবন্দী জীন ১

২২ শে জুলাই, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


এক.

কোন বাবা মা যখন তার সন্তানের নাম লায়েক রাখেন তখন তাদের সুপ্ত বাসনার রূপটি অস্পষ্ট থাকে না। তাদের প্রত্যাশা থাকে যে এই ছেলে একদিন সত্যিসত্যিই লায়েক হয়ে উঠবে। বলা বাহুল্য, এই লায়েক শুধু প্রাপ্ত বয়স্ক নয়। আমাদের লায়েক ভাই সে প্রত্যাশা পুরণের আশপাশ দিয়েও যেতে পারেন নি। তেত্রিশ বছরের জীবনে যে শব্দটি তিনি সবচেয়ে বেশিবার শুনেছেন তা হচ্ছে, ’নালায়েক’। যতবারই শুনেছেন ততবারই অবাক হয়ে ভাব ধরতেন, কি আশ্চর্য! তার নামের আগে একটা না লাগানোর দরকার টা কি? দরকার যে কেন পড়ে তা তিনি ভালোই বুঝতেন কিন্তু ভান করতেন যে বোঝেন না। তাছাড়া তার উপায়ও তেমন কিছু ছিলো না। সর্বোপরি তিনি একজন রসিক লোকও বটে।

২০০৩ সালে তার সাথে আমার প্রথম আলাপ-পরিচয় হয়েছিলো। তখন ডিগ্রী পাশ করে তিনি কেবল ঢাকায় এসেছেন, এবং বিস্ময়কর ভাবে থাকা খাওয়ার খরচ উঠে দু চার টাকা হাত খরচ করা যায় এরকম একটি কাজও জুটিয়ে ফেলেছেন। কোন একটা এনজিওর প্রজেক্টে ডাটা কালেকশান এর কাজ। একই এলাকার লোক হওয়ার সুবাদে এবং ডাইলখোর হিসেবে তার সমধিক পরিচিতি থাকার কারনে তাকে আগেই চিনতাম। তবে আলাপ পরিচয় ছিলো না। ঢাকা শহরেই এ পর্বের সূচনা ঘটে। ২০০২ এ বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আন্দোলন কে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সহিংসতায় হল ভ্যাকেন্ট হয়ে গেলে লায়েক ভাই তার শ্যাওড়াপাড়ার বাসায় অন্তর্বতীকালীন আশ্রয় প্রদান করেন। আলাপ-পরিচয় দ্রুত ঘনিষ্ঠতায় রূপ নেয়। তার কাছ থেকে শোনা তার জীবনের বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহ আমাকে যুগপৎ মুগ্ধ এবং আন্দোলিত করে ফেলে। বিশেষ করে ’সাতদিন টাতদিন না চলবে’ শিরোনামের গল্পটি আমার মুখ থেকেই ছড়িয়ে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করে। গল্পটি এরকম,

দুইবার ডিগ্রী পরীায় ফেল করে লায়েক ভাই তখন ডাইল-গাঞ্জাকেই জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছেন। ডাইল-গাঞ্জা তো আর চিরকাল তাতেই থাকে না, আরো আগে বাড়ে। সেই সূত্র অনুযায়ী তিনি হিরোইনও ধরেছেন। প্রথমে বাবার পকেট আর মায়ের তহবিলেই হানা দিয়ে খরচ কুলোলেও পরে তাতে চলে না। এরপর দাদা বাড়ির নারকেল-সুপারী এমনকি ধান চালও বিক্রি চলতে লাগলো। লায়েক ভাইয়ের বাপ হালিম পাটোয়ারীর সহ্যের বাঁধ ভাঙ্গলো। তিনি পূত্রকে তালাবন্দী করে ফেললেন। লায়েক ভাই প্রথমে তর্জন-গর্জন, তারপরে অনুনয় বিনয় শেষে পুরোদস্তুর কান্নাকাটি শুরু করে দিলেন। তাতেও কাজ না হলে কোরআন ছুয়ে শপথ করলেন, জীবনে আর নেশা করবো না। তাকে ছেড়ে দেয়া হলো, কিন্তু হালিম পাটোয়ারী সতর্ক হয়ে গেলেন। লায়েকের হাতে যেন কোন ভাবেই নেশা করার মত পর্যাপ্ত টাকা পয়সা না আসতে পারে সে ব্যাপারে সব ধরণের ব্যবস্থা নিলেন। প্রাক্তন নেশা সহযোগীরা কিছুদিন তাকে সাপোর্ট দেয়ার পরে যখন নিশ্চিত হলো, এ সাপোর্টের কোন রিটার্ন নেই তখন লায়েক ভাইয়ের এ উৎসও বন্ধ হয়ে গেল। এতো আর ঢাকা শহর নয় যে চাইলেই ছিনতাইয়ের অপার ত্রে বিস্তৃত আছে। লায়েক ভাইয়ের মধ্যে পাগলামীর লন দেখা দিল। কিছুদিনের মধ্যেই তিনি বদ্ধ উন্মাদে পরিণত হলেন। বিভিন্ন ধরণের টোটকা চিকিৎসার পরে কোন কাজ না হলে হালিম পাটোয়ারী নিরুপায় হয়ে তাকে খুলনা শহরে এক পাগলের ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলেন।

ডাক্তার লায়েক ভাইকে যথারীতি বিভিন্ন প্রশ্ন শুরু করলে লায়েক ভাই একেবারে সুস্থ্য লোকের মতো বললেন, ডাক্তার সাহেব,আমি অসুস্থ্য এটা আমি জানি এবং এও জানি যে আমি কিসে ভালো হবো। লেখেন আমার কথা মতো একটা প্রেসক্রিপশন লেখেন। ডাক্তার এ কথা শুনে উৎসাহিত হলেন এবং মজাও পেলেন। যেহেতু এ ধরণের রোগীকে গুরুত্ব দিতে হয়, তিনি বললেন, খুব ভালো। বলেন, আপনার কথা মতোই আমি প্রেসক্রিপশন লিখবো। তিনি প্রেসক্রিপশন লেখার প্যাড কাছে টেনে নিলেন। লায়েক ভাই বললেন, লেখেন, একদম উপরে লেখেন, হালিম পাটোয়ারী একটা পাকা বদমায়েশ! সে কাড়ি কাড়ি টাকা জমায় কিন্তু একমাত্র সন্তান লায়েকরে কোন টাকা দেয় না। ওষুধ হিসেবে লেখেন, সকালে ১০০ টাকা, বিকেলে ১০০ টাকা, রাত ৯ টায় ৮০ টাকা। আর কোন সাতদিন টাতদিন লেইখেন না। লেখেন, চলবে। সাতদিন টাতদিন না চলবে।

ডাক্তার কি লিখেছিলেন সেটা লায়েক ভাইকে জিজ্ঞেস করে কোন উত্তর পাই নি তবে তিনি তার নেশাগ্রস্থতা কাটিয়ে উঠেছেন তা পরিস্কার। হালিম পাটোয়ারীর সাথে তার তেমন কোন যোগাযোগ আছে বলে মনে হয় না।

দুই.

পিতৃপ্রদত্ত আব্দুর রশিদ নামটা নিয়ে কখনোই সন্তুষ্ট ছিলাম না আমি। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর অপার স্বাধীনতা পাওয়া গেল। এ স্বাধীনতার প্রথম স্বাদ নিলাম নামটাকে বদলে। আব্দুর টাকে ফেলে দিয়ে একটা হাসান যুক্ত করে নামটা দাড়ালো হাসান রশিদ। এটা অল্প কিছুদিন চলার পরে মনে হলো আরেকটু কি হলে যেন ভালো হয়। রশিদকে বদলে করলাম রাশীদ। এখন পুরোটা হলো হাসান রাশীদ। তবে নাম পরিবর্তনের তেমন কোন গুণগত ফলাফল পাওয়া যায়নি। পুরো বিশ্ববিদ্যালয় জীবনই আমার একবারে ম্যাড়মেড়ে কেটেছে। চেহারায় কোন চটক নেই, অন্য কোন বিশেষ গুণ নেই, ছাত্র হিসেবে টেনেটুনে সেকেন্ড কাস এরকম সাদামাটাদের কপালে যা থাকে আর কি। আমার কাজ ছিলো উজ্জ্বল মেধাবী সংস্কৃতিবান সহপাঠী যারা সুন্দরী বান্ধবী নিয়ে ক্যাম্পাস আলো করে ঘুরে বেড়াত তাদের দেখে ইর্ষায় জ্বলে পুড়ে মরা , হলের টিভি রুম কে কেন্দ্র করেই সন্ধ্যা রাত কাটিয়ে দেয়া এবং একদিন আমার জীবনে সিনেমার মতো কিছু একটা ঘটবে, বাড়ী-গাড়িওয়ালা বাপের একমাত্র মেয়ে আমার প্রতি ভালোবাসায় পাগল হয়ে ছুটে আসবে এবং আমার হাত ধরে বলবে, তোমাকে ছাড়া আমি বাঁচবো না; মাসের পর মাস এরকম অলীক স্বপ্নের প্রহর গুনে সময় কাটিয়ে দেয়া। তাতে অন্য কোন কাজ না হলেও সময়টা পার করা গেছে এবং বড়লোকের জীনস পরা স্বাস্থ্যবতী সুন্দরী একটি মেয়ে আমাকে পেতেই হবে এ জেদটা একেবারে ভেতরে গেঁথে গেছে। দিন সবসময় সমান যায় না, এ প্রবাদ বাক্য আমার জীবনেও ফলেছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরোনোর কিছুদিনের মধ্যেই আমার শনৈঃ শনৈঃ উন্নতি হয়েছে। এক বছরের মধ্যে আমি মোটামুটি চালু একটি ব্যবসা, কিছু টাকা পয়সা এবং তার চেয়ে বড় কথা, আমার প্রত্যাশা মাফিক একজন গার্লফ্রেন্ডের অধিকারী হয়েছি। যদিও মেয়েটা বেশ কয়েক বছর ধরে চেষ্টা করেও এইচ এস সির গন্ডী পেরোতে পারে নি, মফস্বল থেকে ঢাকায় আসার বয়স বেশিদিন না হওয়ায় কথাবার্তা, বিশেষ করে ইংরেজি যেটুকু বলে তার প্রায় পুরোটাই ভুল কিন্তু এগুলান কোন ব্যাপার না। সে জীনস পরে ম্মার্টলি হাটাচলা করে,তার বাপের বাড়িই আছে দুইটা, গাড়িতো কোন ব্যাপার না। আমাকে খুব পছন্দ করে, আমার কার্যকলাপ-ভাবভঙ্গিতে মুগ্ধ থাকে এবং আমার টাকা পয়সা, সামর্থ্য যা আছে তাতেই সে সন্তুষ্ট। মনের সুখে প্রায়ই আমি গুনগুন করে গান জুড়ে দিই, আমার আনন্দের আর সীমানা নাই রে..। এমনকি জেসিকার সাথে সম্পর্ক তৈরি হওয়ার পরে বন্ধুমহলে আমার ভাবসাব আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। প্রিন্টিং এর কিছু কাজের আশায় কিছুদিন আগে গিয়েছিলাম একটা মোবাইল কোম্পানীতে চাকরিরত আমার এক বন্ধুর কাছে। ক্যাম্পাস জীবনে, এই দুবছর আগেও আমরা খুব ঘনিষ্ট ছিলাম। শালার পুত এমন ভাব ধরলো যে আমারে চিনেই না। গত সপ্তাহে সেই পাবলিক নিজে থেকেই আমারে ফোন দিয়ে বলে, কিরে দোস্ত, একবার আসলি আর কোন খোজ নাই, আমি তো কিছু কাজকাম দিতে পারি নাকি? আয় একদিন একসাথে লাঞ্চ করি। পরশু গেলাম তার অফিসে। সমাদরের কোন অভাব নাই। বেশ চেষ্টাও করলো যেন ওদের কোম্পানীর ব্র“শিয়ারের কাজটা আমি পাই। পেয়ে যেতে পারি মনে হচ্ছে। এই সমাদরের কারণ স্পষ্ট। ফেরার সময় ফিসফিস করে জানতে চাইলো, হেভী জোটাইছস নাকি একটা? নিয়ে আয় একদিন। আলাপ সালাপ করি। আমি এমন ভাব করলাম যে তাতো বটেই। কিন্তু মনে মনে সাবধান হয়ে গেলাম। এইসব মাল থেকে খুব সতর্ক থাকতে হবে। এদের নজর শুধ বন্ধুবান্ধবের সুন্দরী গার্লফ্রেন্ডের উপর। জেসিকা, ওরে আমার জেসুরে.. তোমারে আমি যরে ধনের মতো আগলিয়ে রাখবো। তুমি আমার সাত রাজার ধন।

মাথাটা আমার পুরো গেছে। এগুলো ভাল লণ না। সব সময় একই চিন্তা করলে ব্যবসা বানিজ্য সবই ডুববে। গত পনের দিন ধরে ভাবছি লায়েক ভাইকে দেখতে যাবো কিন্তু হয়ে উঠছে না। খবর পেয়েছি বেচারা একমাস টাইফয়েডে ভুগেছে। কি করে টিকে আছে কে জানে? পুরো এক বছরের মধ্যে তার সাথে কোন যোগাযোগ করতে পারি নাই। কাজটা কোনমতেই ভালো হয় নি।

লায়েক ভাইকে দেখে আমার মনটা খারাপ হয়ে গেল। একজন হাসিখুশি লোক টাইফয়েডের কষনে এরকম জরাজীর্ণ রূপ নেবে, ভাবাই যায় না। শ্যাওড়াপাড়া একেতো নিচু এলাকা, তার দেড়রুমের বাসাটা আবার নীচতলায়। সপ্তাহ দুই আগের প্রবল বর্ষায় তার বাসাতে পানি ঢুকে গিয়েছিল। শরীর দূর্বল থাকার কারণে পানি নামার পর বাসা পরিস্কারও করতে পারেন নি। ড্যাম পড়া বোটকা গন্ধে টিকে থাকাই দায়। একজন অসুস্থ্য মানুষ বাস করছে ততোধিক অসুস্থ্য একটি পরিবেশে। আমাকে দেখে লায়েক ভাই খুশি হলেন। হাতের বড়ো প্যাকেটটার দিকে তাকিয়ে বললেন, কি? ফল ফ্রুট আনছো নাকি? দাও, প্যাকেটটা দাও,ফলফ্রুট খাওয়ার দরকার আছে। মনটা কয়দিন যাবত শুধু ভিটামিন ভিটামিন করে। তখনো লায়েক ভাইয়ের আগ্রহের আসল পয়েন্টটি আমি ধরতে পারি নাই। যখন সেটি বুঝলাম, না হেসে পারলাম না। আসলেই সে একজন খাটি রসিক। আমি একজন লোক ঠিক করলাম, বড় এক শিশি স্যাভলন কিনলাম। প্রায় ঘন্টাখানিক ধরে ঘর সাফসুতরো করা হল। মোটামুটি বাসযোগ্য হয়েছে। পরদিন শুক্রবার থাকায় সিদ্ধান্ত নিলাম, রাতটা লায়েক ভাইয়ের বাসাতেই থাকবো। রান্নাঘরে খোজ নিয়ে দেখা গেল কিছুই নাই। শ্যাওড়াপাড়া বাসস্ট্যান্ড বাজার থেকে একটি ইলিশ মাছ, কিছু সবজি এবং বেশ কয়েক দিনের চাল, ডাল, পেয়াজ, রসুন কিনে ফিরলাম আমি। ইলিশ মাছ দেখে লায়েক ভাইয়ের চোখ ঝকমক করে উঠলো। বললেন, দ্যাখো অবস্থা! এই ভরা বর্ষাকালে ইলিশ মাছের সিজনেও এখনো ইলিশ খাওয়া হয় নাই। ইলিশ খাইছি ছোট বেলায়। ১০ টাকা, ১৫ টাকা কেজি। আর এখন? নাহ, খামাখাই বাইচা থাকা। এই জীবনের কোন দাম নাই।’ বলে তিনি একটা ম্যাচের কাঠি নিয়ে এমন ভঙ্গিতে কান চুলকাতে লাগলেন যেন কান চুলকানোর মধ্যেই জগত জীবনের সকল স্বার্থকতা নিহিত। রে যে ইলিশ মাছটা কেটে এনেছিলাম, না হলে রান্নার পাশাপাশি কাটার কাজটা আমাকে নিজের হাতেই করেতে হতো। ইলিশ ভাজার সুবাস ছড়িয়ে পড়লো চারিদিক। লায়েক ভাই লম্বা নাক টেনে ইলিশ ভাজার সুবাস নিলেন কয়েকবার। তারপর গম্ভীর হয়ে গেলেন একেবারে। ভেবেছিলাম বোটকা গন্ধের বিছানা বালিশে ঘুমই হবে না, কিন্তু ঘুম ভালোই হলো। সকালে আমি জাগার আগেই লায়েক ভাই উঠে গেলেন। তখনই আমার কাছে ভিটামিন, ফলফ্রুটের রহস্য পরিস্কার হলো। আমি জেগেই দেখলাম তিনি তার যৎসামান্য চুলওয়ালা মাথায় খুব যতœ নিয়ে কি যেন মাখাচ্ছেন। আমি ঘুমজড়ানো চোখে প্রশ্ন নিয়ে তাকাতেই তিনি বললেন, চুলগুলোকে বাঁচানোই যাচ্ছে না। এমনিই পড়ে যাচ্ছিল তার উপর টাইফয়েডের ধকল, মাথা ফাকা হতে আর বেশি দেরি নাই। আজ হোক কাল হোক বিয়েশাদী তো করতে হবে নাকি? এখানেই শেষ নয়, মাথা ধুয়ে তিনি একটা মাদুর পেতে বসলেন এক শিশি সালশা ও ছোট একটা বোতলে রাখা মধু নিয়ে। একটা ন্যাকড়া থেকে বের করলেন কিসব পাতাপুতা। আমি বিস্ময় নিয়ে দেখেই যাচ্ছিলাম। এবারেও আমাকে কিছু জিজ্ঞেস করতে হলো না। তিনি ব্যাখ্যা দেয়ার ভঙ্গিতে গলাটা অনেক নিচু করে বললেন, যৌনশক্তি এক জিনিস শরীরে কিছু টেরই পাই না। এত বয়স হলো অথচ দ্যাখো আমার কপাল! এই জিনিসের স্বাদ কি রকম তা জানতেই পারলাম না। প্রজেক্টের চাকরিটা পারমানেন্ট হবে হবে করে হচ্ছে না। পারমানেন্ট হলেই একটা বিয়ে করে ফেলবো আশা আছে।’ এ পর্যন্ত বলে একটু থামলেন, এরপর গলার স্বর আরো নিচু করে ফিসফিস করে বললেন, কিছু মনে নিয়ো না, তোমারে একটা প্রশ্ন করি; তোমার কখনো কারো সাথে কিছু হইছে?
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নিউইয়র্কের ডায়েরী ২: এভাবেই জীবন কেটে যাচ্ছে জীবনের নিয়মে

লিখেছেন কাছের-মানুষ, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৩৯


লং আইল্যান্ডের একটি রাসবেরি ফার্মে গত সপ্তাহে

এক লোক একটা মাছি মারার জন্য পেপার গোল করে তাড়া করছে। মাছিটি উড়ে গিয়ে দেয়ালে বসল। লোকটা যেই মারতে যাবে, মাছিটি হাতজোড় করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হোমিওপ্যাথি হচ্ছে একটি ধাপ্পাবাজ কিবিরাজি চিকিৎসা পদ্ধতি এর বৈজ্ঞানিক কোন ভিত্তি নেই

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১:০৪



হোমিওপ্যাথি যে একটি ভাঁতাবাজি চিকিৎসা পদ্ধতি তা আমি আগেও জানতাম কিন্তু আমি কখনো এর বিরুদ্ধে কথা বলিনি বা কোথাও কিছু লিখিনি- তবে আজ কি মনে করে চ্যাটজিপিটির কাছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ ভ্রম

লিখেছেন সামিয়া, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৩



চোখ বন্ধ করলেই আমি ধোঁয়া দেখি। ঘন, ধূসর ধোঁয়া। যেন কেউ ভেজা কাঠ জ্বালিয়েছে। তার সঙ্গে মিশে থাকে পোড়া কাপড়ের গন্ধ। কখনও মনে হয় প্লাস্টিক, কখনও মনে হয় পুরোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড় আমি ভালোবাসি

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩

পাহাড় আমি ভালোবাসি
...........................................



চললাম তবে তোমার সাথে,
হাতটি রেখে হাত বাড়াতে।
পিছুটানের বাঁধন ছিঁড়ে,
হারাবো ওই মেঘের ভিড়ে।

পাহাড় চূড়ায় রোদের হাসি,
শুনছো ! তোমায় ভালোবাসি।
চলবে নদী আপন বেগে,
নতুন কোনো আশার মেঘে।

ইচ্ছেগুলো পাক না ডানা,
আজকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ সম্পদ কি?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২১



এই মুহুর্তে আমি গাজীপুর যাচ্ছি।
সময় সকাল দশটা। রবিবার। রাস্তায় জ্যাম যেতে অনেক সময় লাগবে। লাগুক। সমস্যা নেই, হাতে অনেক সময় আছে। আজ আমার কোনো কাজ নেই। বউ বাচ্চা বাসায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×