রাত যত গভীর হয়,আমার বিরহ তত বেড়ে যায়!
ক্ষুদ্র এ জীবন টা তে অনেক বার ই বিরহের স্বাদ নিয়েছি,কথা হলো প্রতিটি বিরহ ই নিস্তব্দ,নীরব!
কখনো বলতে পেরে ও শূন্য হাতে ফিরেছি,
কখনো বিরহ গুলো ঢাকাচাপা দিয়ে রেখেছি।
এর পর ও জীবন চলছে জীবনের নিজ গতিতে।
জীবনে এমন একজন কে চেয়েছিলাম যার মাঝে থাকবে না কোন অহংকার, যার মন থাকবে ফুলের মত পবিত্র, যে হাসলে ঝড়ে পড়বে মুক্তা কনা।
যার চোখ দুটো হরিণির মত।
যার ছলা,কলা আমাকে আনন্দের জোয়ারে ভাসাবে।
যে মানুষটি আমার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনতে ব্যাস্ত।
যে কখনো আমার চোখে জল আসতে দেবে না!
এমন অনেক কিছু ই চেয়েছিলাম।
দূর্ভাগ্য হলে ও সত্য আমি যাহা চাই তার উলটো টা পাই!
আবার যেটা পাই তাহা ও আমার জন্য নহে!
প্রেম ভালবাসা আমাদের মত মানুষকে ধরা দেয় না,আবার যদি কাউকে ভাল লেগে যায় তবে সেখানে ও বিপত্তি, বাঁধা এসে হানা দেয়।
অনেক কিছু বিবেচনার পর যখন দেখি আমার কারনে বোধয় কারো ক্ষতি হচ্ছে,তখন আবার সেই ফিরে আসা,কারো মঙ্গলের জন্য নিজের বিরহটাকে বেঁধে রাখা।
লোক চক্ষুর অন্তরালে বিরহ আমাকে পাগলের মত বিতাড়িত করে!
এ জেনো সামনে পূর্নিমার চাঁদ অতচ তাকে স্পর্শ করা যায় না,শুধু দূর থেকে দেখতে হয়।
জীবনে অনেক অহংকারী দেখেছি, দেখেছি অনেক স্বার্থ লোভী মনের মানুষ,যারা স্বার্থ টাকে ভালবাসে, মানষকে নয়।
ওদের জন্য হয়তো বিরহ জন্মায় না, জন্মায় সাময়িক আবেগ!
এই আবেগ ক্ষনস্থায়ী।
কিন্তু মায়ার খেলায় মাঝে মাঝে সেই আবেগ ও পর্দার আড়ালে লুকিয়ে যায়!
আমার বিরহের সেই রাজকুমারী রা ধন্যাড্য ঘরের না হলে ও মনটা যে সমুদ্রের চাইতে ও বিশাল সেটা চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যায়।
যদি বলেন কেনো আপনার বিরহের অবসান হয় না?
উত্তরে বলবো জাতের, বর্নের ভেদাভেদের জন্য!
যদিও আমি এসব জাত টাত মানি না,আমার কাছে সবাই মানুষ!
কিন্তু এই ভন্ড সমাজ জাতের ভেদাভেদ টেনে, নিজেদের আত্মঅহংকারের জোড়ে আমার বিরহের রাজকন্যাকে করবে ছোট, যা আমি মেনে নিতে পারবো না।
তাইতো রাত যত গভীর হয়,আমার বিরহ তত বেড়ে যায়।
ভালবাসা প্রেম কি মানে কোন জাতের ভেদাভেদ?
তবু ও এই সমাজের কিছু সচেতন রা নিজেদের বংশ পরিচয় কে প্রাধান্য দিয়ে ছোট করে নিম্ন বংশের লোকদের,
এবার আমার প্রশ্ন বংশ ই কি মানুষের বড় পরিচয়?
কে কি জাত তাতে ই কি মানুষ চেনা যায়?
আমার বিরহের শেষ উক্তি ভাল থাকিস জুঁই ফুল!
আলোচিত ব্লগ
আত্মহনন ও পক্ষপাতিত্ব


রবীন্দ্রনাথ কি বাংলাদেশের নাগরিক ??!! শুধুমাত্র জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এবং বাংলাদেশে কিছু সুশীলদের (ভালো নাপিত) তাকে নিয়ে নানা রকমের কলহ-বিবাদ-বিভক্তি তৈরী ব্যতিত; বাংলাদেশে তার আর অবদান কি... ...বাকিটুকু পড়ুন
তারা ভারতের এই সফট টুলস রবীন্দ্রনাথকে রক্ষা করবে।

কয়েকদিন আগে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জাতীর পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হলো, সেখানে তো গ্রেপ্তার দেখলাম না! সেখানে কি পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবণতির শঙ্কা ছিলো না? পাকিস্তানের... ...বাকিটুকু পড়ুন
বিএনপি হল অথর্ব আর ইডিয়েটদের দল। বর্তমানে এদের দেশ পরিচালানার করার কোন যোগ্যতা ই নেই।
রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি দেয়াটা নিন্দনীয় কিন্ত তার বিচার হবে কিসে? রাষ্ট্রদ্রোহিতা মামলায়?? রিমান্ডে নিয়ে?
চৈতালি চক্রবর্তী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, সে আইন বুঝে। প্রায় প্রতিদিন জুলাই, আবু সাইদ, বাংলাদেশ সব কিছু সম্পর্কে... ...বাকিটুকু পড়ুন
এআই মন্তব্যের পর ব্লগারগণের পোষ্ঠ ভালো বুঝে আসে

চাঁদগাজী/সোনাগাজী বলতেন অনেক ব্লগার গরুর রচনা এবং অনেক ব্লগার গার্বেজ লেখেন। তাঁর এমন মন্তব্যের কারণে তাঁর বিরোধী ব্লগার সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে তিনি বার বার ব্যানের শিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন
=মনে রং নেই আর=

মন তো ছিল গোলাপী রঙ আভায় বন্দি, মন ছিল চন্দ্র মল্লিকা,
মন আর সেই মন নেই, মনের চারিপাশে এক সমুদ্দুর কুহেলিকা;
মন যেন পাথর হয়ে আছে, নেই অফুরন্ত ফুরসত
মন গোলাপী রঙ নয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।