somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নেটওয়ার্ক সক্ষমতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এগিয়েছে

২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিশ্বের দেশগুলোর নেটওয়ার্ক সক্ষমতার সূচকে (নেটওয়ার্ক রেডিনেস ইনডেক্স—এনআরআই) বাংলাদেশের অবস্থান ১২ ধাপ এগিয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ব অর্থনেতিক ফোরামের প্রকাশিত গ্লোবাল ইনফরমেশন টেকনোলজি ২০০৯-১০ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৩টি দেশের মধ্যে ১১৮তম (Click This Link)। ২০০৮-০৯ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৪টি দেশের মধ্যে ১৩০তম এবং ২০০৭-০৮ সালে ছিল ১২৭টি দেশের মধ্যে ১২৪তম। সিঙ্গাপুর, ডেনমার্ক ও সুইজারল্যান্ড তালিকার শীর্ষে রয়েছে।
এনআরআইয়ের চলতি প্রতিবেদনে দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান পাঁচ নম্বরে। এনআরআইতে ভারত ৪২তম, শ্রীলঙ্কা ৭২তম, পাকিস্তান ৮৭তম ও নেপাল আছে ১২৪তম স্থানে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) ব্যবহার করে বিশ্বের দেশগুলো তাদের সামগ্রিক প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়াতে কতটা সক্ষম হচ্ছে, এই প্রতিবেদন তারই একটি পরিমাপক। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম ২০০৪ সাল থেকে এই সূচক প্রকাশ করছে। মূলত তিনটি প্রধান ধারণার ওপর ভিত্তি করে এই সূচক পরিমাপ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে আইসিটিকে উন্নয়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ, সেই সুযোগ ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তি, ব্যবসায়ী ও সরকারের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অংশীদারদের মধ্যে আইসিটির ব্যবহার।
এ ব্যাপারে বিজ্ঞান ও আইসিটি মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, বিগত এক বছরে সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির কারণে বেশ কিছু উদ্যোগ ও সাফল্য রয়েছে। তা ছাড়া, দেশে আইসিটি আইনের প্রচলন, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইন্টারনেটে লেনদেনের অনুমোদন, জাতীয় আইসিটি নীতিমালা অনুসারে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ই-সেবা কার্যক্রম গ্রহণের ফলে দেশে আইসিটি ব্যবহার এবং তার মাধ্যমে উন্নয়নে গতি সঞ্চার হয়েছে। এ কারণে সক্ষমতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এগিয়েছে বলে তিনি জানান। পাশাপাশি বেসরকারি খাতেরও বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য কাজের ফলে সামগ্রিকভাবে দেশে আইসিটির ব্যবহার বেড়েছে।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×