somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

বাইয়ারা, বড্ড দেরি হয়ে গেছে যে...

২৪ শে নভেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



১. ৫ই আগস্টের মত মুহূর্ত কোন দেশে ১৫/২০ বছর পর পর একবার আসে। বাংলাদেশে এর আগে ১৯৯০-এ এরশাদের পদত্যাগের পর, ২০০৭ সালে ১/১১-এর সময় এরকম সুযোগ এসেছিল। সুযোগটা হল, দেশটাকে নতুন করে গড়ে তোলা। কিন্তু ১৯৯০ আর ২০০৭ সালের সুযোগপ্রাপ্তরা ছিলেন আগের জমানার চেতনা ব্যবসায়ী ও স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনীতির অগ্রজ বলে দাবিদারেরা। তেনাদের বয়সও তেমন বেশী ছিল না ও খাওয়র লোভও কমেনি তখনও। তাই তেনারা সুযোগ পেয়েই আবার আগের দুর্নীতি, লুটপাট করে দেশ চালিয়েছেন...
২. তবে ২০২৪ সালের ৩৬শে জুলাইয়ের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। এবার সুযোগ হাতের কাছে এসেছে একদম তরতাজা তরুণদের হাতে যারা কিনা ’সুযোগ পাওয়ার আগ পর্যন্ত সৎ’ নাগরিক হিসেবে গণ্য। যারা কিনা ’ঘুষ খাওয়ার জন্য বিসিএস, পুলিশ’(সবাই না) না হওয়া যুবক গোষ্ঠীর অন্তর্ভূক্ত। যারা কিনা বৈষম্যহীন সমাজ গড়তে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিল...
৩. তাদের শুরুটাও চমৎকার ছিল। তারা চাইলে ৫ই আগস্টে বিপ্লবী সরকার গঠন করতে পারত (অনেকের মতে সেটাই করা উচিত ছিল)। ড. ইউনুসকে সিলেক্ট করাটাও তাদের সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল বলে মনে করি। তাদের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল অন্তবর্তী সরকারের মধ্যে উপদেষ্টা যাদের নেয়া হয়েছে সব আগের জমানার লোকদের। ঐ সময় উপদেষ্টাদের মধ্যে ছাত্রদের প্রতিনিধি মাত্র ২ জন ছিল। অথচ যদি ৮/১০ জন ছাত্র সেদিন উপদেষ্টা হত, তাহলে আজকে জুলাই শহীদদের ক্ষতিপুরণ আদায় হত, সংস্কার শেষ হত, নির্বাচনে আবার নতুন করে পুরোনো দুর্নীতিবাজরা আসার সুযোগ পেত না....
৪. কিন্তু না, তেনারা রাজনীতি করবেন। নাহিদ বের হয়ে গেল উপদেষ্টা মন্ডলী থেকে। নতুন দল করল ছাত্ররা। সাথে সাথেই তারা আর আগের আবেগের জায়গায় থাকল না। দল করার আগেই সমন্বয়কদের কেউ কেউ হয়ে গেল চাঁদাবাজ, কোটি টাকার মালিক। দল করার পর তাদের এত ফান্ডিং কিভাবে হচ্ছে তার কোন যুক্তিযুক্ত ব্যাখ্যা নেই। তাদের লাইফস্টাইল বদলে যাওয়ার কোন ব্যাখ্যা নেই। জুলাই শহীদদের ক্ষতিপূরণ আদায়ও হয়নি। জুলাই আহতদের জন্য স্থায়ী কোন ব্যবস্থা করা হয়নি। যেসব প্রস্তাব আসছে, সেগুলো নতুন সরকার চালিয়ে নিবে কিনা যথেষ্ট সন্দেহ আছে...
৫. তাদের উচিত ছিল প্রেসার গ্রুপ হিসেবে উপদেষ্টা মন্ডলীতে থাকা। সঠিক সংস্কারগুলো সংবিধানে যুক্ত করা। আজাইরা আলী রিয়াজের শত শত সংস্কার নয়। বিশেষ করে এত গুলো মানুষ যে প্রাণ দিল, তাদের পরিবারগুলোকে এককালীন ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা। যেন এটা নিয়ে ভবিষ্যৎে নতুন ব্যবসা না দাঁড়ায়। এসব না করে এখন আগের সিস্টেমে ভোটে দাঁড়িয়ে যাকে তাকে নমিনেশন দিয়ে স্ট্যান্ডবাজি করে গোল্ডফিস মেমোরির জনগণের কাছে কোন পাত্তা পাওয়া যাবে না...
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে নভেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:০৮
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্পর্শে_ _ _ _ _

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০০

-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরীচকাি ও নক্ষত্র

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:১০


মেয়েটি অত্যন্ত শান্ত ভঙ্গিতে টিস্যু পেপার দিয়ে ঠোঁটের কোণ মুছে নিল। তারপর সরাসরি আমার চোখের দিকে তাকিয়ে অবলীলায় বলল, "নীল, আমি প্রেগন্যান্ট!"
আমি তখন চায়ের কাপে সবেমাত্র একটা অসতর্ক চুমুক দিয়েছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীল গ্রহের শেষ প্রেম // কেয়া এবং আমি।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৪ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



আমি ভেসে আছি মহাশূন্যে।
আমার শরীরে রূপালী স্পেসস্যুট।
চারপাশে অসীম অন্ধকার।
আর আমার সামনে দূরে জ্বলছে এক নীলাভ-সবুজ গ্রহ—
Earth-666।
এই গ্রহেই আমার জন্ম।
এই গ্রহেই আমি প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম।
আর এই গ্রহই আমার কাছ থেকে সবকিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×