এইতো কিছুদিন আগে বিমান আবিষ্কার হবার আগে আকাশে উড়ার বিষয়টা শুধু কল্পনা করত। ধরুন বিমান আবিষ্কারের আগে আপনি আপনার আম্মাকে বললেন (সৌদি টু ঢাকা) মা তুমি গরম ভাত আর ইলিশ মাছ রান্না কর আমি এসে খাব। আপনার আম্মা হয়তো ভাবতো ছেলের হয়তো মাথা খারাপ হয়ে গেছে। কিন্তু এখন যদি বলেন আপনার আম্মা আনন্দের সাথে তা রান্না করে রাখবে। কারন সে জানে বিমানে আসতে আপনার ৬ ঘন্টার মত লাগতে পারে।
তেমনি অন্য গ্রহে মানুষ বাস করার বিষয়টি এখন পৃথিবীবাসীর কাছে এমন অলীক কল্পনা মনে হলেও সেদিন বেশি দুরে নয় যেদিন মহাকাশের বিভিন্ন গ্রহ জয় করে বসতি স্থাপন করবে।
আসুন তেমনি একটি সম্ভাবনাময় একটি গ্রহ নিয়ে আলোচনা করি।
ক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া সান্তা ক্রুজ ও কার্নিজি ইনস্টিটিউশন অব ওয়াশিংটনের একদল গ্রহসন্ধানী জ্যোতির্বিদ গত বুধবার রাতে এ ঘোষণা দেন। তাঁরা জানিয়েছেন, সৌরজগতের বাইরে 'গি্লজ ৫৮১' নামের তারা ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে গ্রহটি। নতুন আবিষ্কৃত এ গ্রহ খুব গরম নয়, খুব ঠাণ্ডাও নয়। গ্রহটির অন্যান্য ভৌত-বৈশিষ্ট্যও প্রাণের অস্তিত্বের জন্য খুবই অনুকূল।থিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ২০ আলোকবর্ষ (এক আলোকবর্ষ সমান প্রায় ৯ লাখ ৪৬ হাজার কোটি কিলোমিটার)
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পৃথিবীর তুলনায় গ্রহটির 'ব্যাসার্ধ' ১ দশমিক ২ থেকে ১ দশমিক ৪ গুণ বেশি। 'ভর' বেশি ৩ দশমিক ১ থেকে ৪ দশমিক ৩ গুণ। তবে মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর প্রায় সমান অথবা সামান্য বেশি। ফলে পৃথিবীর মানুষ এতে অনায়াসেই হাঁটাহাঁটি করতে পারে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্যের তুলনাও পৃথিবীর যথেষ্ট কাছাকাছি। গ্রহটির উপরিভাগের গড় তাপমাত্রা অবশ্য পৃথিবীর তুলনায় একটু বেশি শীতল_সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হিমাঙ্কের চেয়ে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচে এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হিমাঙ্কের চেয়ে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস নিচে। তবে এ তাপমাত্রায়ও প্রাণের অস্তিত্ব ভালোমতোই টিকে থাকা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।এর সূর্যের চারপাশে একবার ঘুরে আসতে গ্রহটির সময় লাগে মাত্র ৩৭ দিন, যেখানে পৃথিবীর লাগে ৩৬৫ দিন।
নতুন গ্রহে কে কে যাইতে রাজি হাত তোলেন...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


