আল্লাহ আদমকে পৃথিবীতে পাঠানোর পর বলেছিলেন, "অতঃপর যদি তোমার নিকট আমার পক্ষ থেকে কোন হেদায়েত পৌছে, তবে যারা আমার সেই হেদায়াত অনুসরন করবে তাদের কোন ভয় নেই, তারা চিন্তিতও হবে না। আর যারা তার অস্বীকার করবে এবং আমার নির্দেশসমূহকে মিথ্যাপ্রতিপন্ন করবে তারা জাহান্নামী, সেখানে তারা চিরদিন অবস্থান করবে। (সূরা বাকারা - ৩৮-৩৯)
আল্লাহ তায়ালা মানব জাতিকে সঠিক পথ দেখানোর জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জাতীতে লক্ষাধিক নবী-রাসূল প্রেরন করেছেন। তাদের মধ্যে আদম আঃ প্রথম এবং হযরত মুহাম্মদ সাঃ শেষ নবী এবং তার দারাই নবুয়াতের ধারায় পরিসমাপ্তি হয়েছে। তার মর্যাদা এমন যে, অতীত কোন নবী-রাসূল তার সমকক্ষ নন এমনকি আল্লাহর সৃষ্টি অন্য কোন বিষয় যেমন ফেরেস্তা/মহাকাশের সব/পৃথিবীতে যা আছে কোন কিছুর মর্যাদাই তার সমকক্ষ নন। এবং ভবিষ্যতেও কেউ হবেন না।
বিদায় হজ্জের দিন আরাফার ময়দানে যে আয়াতটি নাযিল হয়েছিল তাতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, "
আজ তোমদের দীনকে পরিপূর্ন করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার নেয়ামতের পূর্নতা সাধন করলাম, এবং ইসলামকে তোমাদের দীন হিসাবে মনোনীত করলাম। মুলত এই ঘোষনার মাধ্যমেই
উম্মতে মুহাম্মদীর শ্রেষ্টতের ঘোষনা দেয়া হয়েছে।
নবী সাঃ বলেন, আমি তোমাদের মাঝে দু'টি জিনিষ রেখে যাচ্ছি যারা এই দুইটি জিনিষ আকড়ে ধরে থাকবে তারা কখনো পথভষ্ট হবে না আর সে দুইটি জিনিস হল - ১) আল্লাহর বানী (কুরআন) ২) রাসূলর বানী (হাদীস)
একদা কিছু সাহাবী হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রাঃ) জিগ্গাসা করলেন রাসূলের চরিত্র সম্পর্কে কিছু বলেন, উত্তরে তিনি বললেন গোটা কোরআনটাই আমার স্বামীর চরিত্র।
তাছাড়া কোরআন মজীদে আল্লাহ তায়ালা বলেন, "নিশ্চই আপনি উত্তম চরিত্রের অধীকারী"
আল্লাহ তায়ালা তার হাবীব সাঃ কে মানব জাতীর জন্য আদর্শের একটি উত্তম মডেল হিসাবে পেরন করেছেন। একজন মানুষের মধ্যে মহত্ব ও উন্নত ব্যক্তিত্বের যত দিক বা উপাদান থাকা সম্ভব তার সবটুকুই তার (সাঃ) মধ্যে পূর্ণমাত্রায় ছিল।
আসুন আমরা আমাদের ভুলগুলোকে সুধরে নবীর আদর্শে জীবন গড়ি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


