somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যে গ্রাম থেকে বের হওয়ার একটি রাস্তাও নেই!

০২ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হাজার বছররে যেন একটি স্বপ্ন! যে স্বপ্নে একটি গ্রাম! গ্রামরে মানুষ । একটি বিদ্যালয়। র্দীঘ ১০ কি:মি: পথ পায়ে হাটার পদচন্হি! প্রতদ সইে ধুলোচহিৃ যনে আকাশ-েবাতাসে ছাড়য়িে যায় স্বপ্নরে দশে।ে আর স্বপ্ন বুননরে গল্প রচনায় ব্যাস্ত সইে গ্রামরে কশিোর-কশিোরীরা। ধুলো জমানো গায়ে পড়ালখোর রং মাখয়িে ঘরে ফরেে শশিুরা। সইে সব শশিুদরে নয়িে বাবা-মাদরে অনকে স্বপ্ন! অনকে বড় হবে তারা। কন্তিু পাঠশালা পাঠ শষে হওয়ায় সাথইে র্কমরে পাঠশালার হসিবে কষতে সইে সব শশিুদরে। বলছি একটি স্কুল ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বহিীন স্বপ্ন পূরনহীন একটি গ্রামরে কথা। যে গ্রামরে নাম ‘অন্তহর’ি।
মৌলভীবাজার জলো শহর ঘষেে রাজনগর উপজলো। গ্রামটরি অবস্থান উপজলো শহর ফতপেুর ইউনয়িনরে কাওয়াদঘিি হাওররে পশ্চমি পাড়।ে গ্রামরে র্অধকে মৌলভীবাজার সদর উপজলোয় পড়ায় গ্রামটি দু’টি থানায় বভিক্ত হয়ে পড়।ে এই গ্রামটি খন্ড খন্ড আরও কয়কেটি গ্রামে বভিক্ত সগেুলো হল মোজরপুর, র্পূবপাড়া, উত্তরপাড়া, মাঝপাড়া ও কাদপিুর ।
সহজ ভাষায় গ্রামরে অবস্থান সহজ ভাবে দলিওে গ্রামটতিে কউে একবার গলেে সে আর দ্বতিীয়বার যাবে না। কারণ উপজলো শহর থকেে গ্রামটতিে যাওয়ার একটওি রাস্তা নইে! গাড়ী চড়ে তো দূররে কথা হটেে যাওয়ার উপযোগী একটি (আইল) পায়ে হাটার ছোট রাস্তাও নইে। ভাবতে অবাক লাগে বাংলাদশেে এমনই গ্রাম আছ,ে যে গ্রামে ঢোকার একটি রাস্তাও নইে। পাশ্বর্বতী আরকেটি উপজলো শহররে উপর দয়িে প্রায় দড়ে ঘন্টা সময় ব্যায় করে যতেে হয় রাজনগর শহর।ে তাও প্রায় ৪ ক:িম:ি একটি ক্যানলেরে (পানি উন্নয়ন র্বোডরে বাঁধ) আইলে আইলে হটেে তারপরও রক্সিা, মশিুক ও গাড়ী চড়ে আসতে হয় নজি শহর।ে আর এই দুরুত্বরে হসিবে নকিষে কষতে পারলইে এ গ্রামরে মূখ দখো যায়! তাই যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে অবহলেতি ও সুবধিাবঞ্চতি গ্রামে এ যাবৎকালে পৌছায়নি বদ্যিুৎ, গ্যাস, হাইস্কুল, হাসপাতালসহ অনকেকছিুই। আর র্দীঘদনি পরে হলওে একটি স্কুলকে ঘরিে রাজনগর উপজলোর অন্তহরি গ্রামরে অবহলেতি মানুষগুলোর মুখে হাসি ফুটে উঠছে।ে
শাি, চকিৎিসা, বাসস্থান, খাদ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সহ মানুষরে মৌলকি চাহদিা বঞ্চতি এ গ্রামরে মানুষ মাত্র একটি স্কুলরে উদ্ভোধনরে মধ্যে দয়িে খুজে পয়েছেনে একরাশ শান্ত।ি তবে এ স্বুলটি সরকাররে স্থানীয় প্রশাসন কংিবা শািমন্ত্রণালয়রে দয়ো নয়। গ্রামরে মানুষ নজিদেরে স্ব উদ্যোগে এটি প্রতষ্ঠিা করছেনে। গত রববিার স্থানীয় ইউপি সদস্য গ্রামরে মানুষ ও চ্যানলে এস এর বাংলাদশে প্রডাকশন হাউস ইশতিা টলেি মডিয়িার চয়োরম্যান নকুল দাস এর আনুষ্ঠানকি উদ্ভোধন করনে। স্কুলরে নাম দয়ো হয় ‘অন্তহেরি র্আদশ উচ্চ বদ্যিালয়’। এর শািদানরে দায়ত্বি ননে গ্রামরে শতিি যুবক ও অবসর প্রাপ্ত শকিরা। বাঁশ ও টনি দয়িে মাত্র দুটি ক করে স্কুল র্কাযক্রম শুরু করার প্রথম দনিে শতাধকি ছাত্র-ছাত্রী স্কুলে র্ভতি হয়। উল্লখ্যে, গ্রামে প্রাইমারি স্কুল শষে করার পর রাস্তা বহিীন ৫/৬ ক:িম:ি দূরত্বরে স্কুলে কছিু কছিু ছাত্র র্ভতি হলওে তাও একবছর বা দড়েবছররে মাথায় বন্ধ হয়ে যায়।
কম্পউিটাররে আধুনকি যুগে যে গ্রামরে মানুষ অন্ধকারে বাস করনে। প্রায় ১০ ক:িম:ি পায়ে হটেঁে প্রতদিনি যে গ্রামরে কোমল মনা ছাত্র ছাত্রীরা স্কুলে যায়। কউে অসুস্থ হলে আজও প্রথমে মাছ ধরার পলো কংিবা ভার দয়িে প্রায় ৫ ক:িম:ি কাচাঁ সড়ক অতক্রিম করার পর রস্কিা কংিবা মশিুকে উঠে আর ১০ ক:িম:ি দূরে গয়িে ডাক্তার দখোতে হয়। মুর্মুষ রোগীর েেত্র মৃত্যু অনবর্িায। তাছাড়াও সন্তান প্রসবরে সময় এ গ্রামরে মহলিাদরে চরম র্দুভোগ পোহাতে হয়। এ গ্রামরে মধ্যে কোন রাস্তা না থাকায় তারা উপজলো স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে এর সুযোগ সুবধিা থকেে বঞ্চতি হন। যার কারনে র্গভবতী মহলিা সন্তান প্রসবরে সময় গ্রামরে দাই-মহলিা দ্বারা সন্তান প্রসব করে থাকনে। অনকে সময় এ গ্রামরে মহলিার সু-চকিৎিসার অভাবে সন্তান প্রসব করতে গয়িে মারা যান। আশ্চয্য বষিয় হচ্ছে উপজলো সদর হাসপাতাল থকেে চকিৎিসা নওেয়ার সৌভাগ্য এই গ্রামরে মানুষরে জোটনে।ি
র্বতমান খাদ্য ঘাটতরি বশ্বিে এই গ্রামরে শতভাগ মানুষই কৃষি নর্ভিরশীল। এই গ্রামটরি নাম সরকার মহলে অনকেই না জানলওে ভোট খকেু রাজনতৈকি নতোরা ঠকিই জাননে। কন্তিু এতো জানা সত্ত্বওে উন্নয়ন প্রতশ্রি“তরি দোহাই দলিে আর নর্বিাচনরে পর কাউকে পাওয়া যায়না। জলোর দুটি উপজলোর সীমানা নয়িে প্রায় ৫ থকেে ৬ ক:িম:ি বৃস্ততি এই গ্রামট।ি এর লোক সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৫ সহাস্রাধকি। দশেরে অন্যান্য এলাকার ন্যায় স্থানীয় সরকাররে গোটা কয়কে উন্নয়ন র্কমকান্ড ছাড়া জলো পরষিদ, এল জি ই ডি কংিবা পানি উন্নয়ন র্বোড কখনই এ গ্রামরে প্রতি দৃষ্টি দয়েন।ি দয়েনি শাি, স্বাস্থ্য, যুব উন্নয়ন, সমাজ সবোসহ সরকাররে বভিন্নি উন্নয়ন বভিাগ। রাতে যমপুরী অন্ধকার, দনিে মাঠে ফসল বোনা আর উন্নয়নরে স্বপ্নরে প্রতািয় প্রহর গুননে এ গ্রামরে মানুষরা । নইে কোন বনিোদনরে ব্যবস্থা। কোন সরকারই এ গ্রামরে মানুষরে প্রতি দৃষ্টি না দলিওে এ গ্রামরে মানুষ প্রতটিি ্জাতীয় নর্বিাচনইে ভোট দয়িে আসছনে। শাি, চকিৎিসা, বাসস্থান, খাদ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সহ মানুষরে মৌলকি চাহদিা পুরনে প্রতজ্ঞিাবদ্ধ থাকলওে রহস্যজনক কারনে যুগরে পর যুগ এ চাহদিাগুলো থকেে সরকার তাদরে বঞ্চতি রখেছেে বলে গ্রামবাসী অভযিোগ করনে। উন্নয়নরে স্বপ্ন দখেতে দখেতে অনকেই এখন র্দীঘশ্বাস ছাড়নে। তবে র্বতমান আওয়ামীলীগ সরকার মতায় আসায় অনকেরে বুকইে আবার সইে উন্নয়নরে স্বপ্ন দানা বাঁধতে শুরু করছে।ে কারণ এ গ্রামগুলোর ৯৯ ভাগ মানুষই অতীতরে সকল জাতীয় নর্বিাচনে আওয়ামীলীগরে নৌকা র্মাকায় ভোট দয়িে আসছনে। একাধকি গ্রামবাসী অভযিোগ করে বলনে, ‘বছররে পর বছর এ গ্রামরে মানুষ নৌকা র্মাকায় ভোট দয়োর কারনে এখান থকেে নর্বিাচতি এমপি এম সাইফুর রহমান ও তার পুত্র নাসরে রহমান কউেই এ গ্রামরে উন্নয়নে কাজ করনেন’ি। এবারে এ আসন থকেে আওয়ামীলীগরে এমপি পাশ করায় তারা নতুন করে স্বপ্ন দখেছনে। গ্রামরে আবাল বৃদ্ধ বণতিার কন্ঠে একই শব্দ, ‘দয়া করে আমাদরে শহর,ে স্কুল-কলজেে ও ডাক্তাররে কাছে যাওয়ার জন্য একটি রাস্তা দনি’। কাঁচা রাস্তায় ক্যানলেরে আইলে আইলে মটর সাইকলে নয়িে গ্রামরে মানুষরে দ্বারা তরৈি অন্তহেরি র্আদশ নন্মি মাধ্যমকি বদ্যিালয় এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গলেে তারা এ প্রতবিদেককে শত অবহলোর কথা বলনে। তারা বলনে , ‘বাবা আমরাত মানুষ, আমরার শরীর কতিা পাত্তোরর ন,ি রক্ত মাংস দয়িা বানাইল’। ’তাইলে সরকার আমরারে অত অবহলো কর-রা কনে?ে আমরা ক-িতা-ই দশের মানুষ না-য়ন।ি আমরার পোয়া পুড়নি ক-িতা পড়তা না-ন।ি রাজনগরর অফসিার হকলে আমরার রাস্তঘাট, কারন্টে ও স্কুলোর কথা শখে হাসনিারে কইতানায় ’? তাদরে এ দাবীগুলো পত্রকিার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শখে হাসনিাকে জানানোর জন্য কাকুতি মনিতি করনে। অবকাঠামোগত উন্নয়নরে জন্য স্বাধীনতার এত বছর পার হলওে কোন উপজলো নর্বিাহী র্কমর্কতা যাননি এই অন্তহেরি গ্রাম।ে প্রতি বছর জলো পরষিদরে অনকে উন্নয়ন মূলক কাজ স্বজন প্রীতরি মাধ্যমে উন্নত জায়গায় হলওে এ অবহলেতি গ্রামবাসীর ভাগ্যে কছিুই জোটনে।ি অথচ কৃষ,ি মৎস ও বনজ বৃরে জন্য একটি সম্ভবনাময় গ্রাম হলওে এ গ্রামটরি বলোয় র্কতৃপ দৃষ্টহিীন।



সর্বশেষ এডিট : ০২ রা মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৫৬
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×