প্রথম পর্ব...
মাইক্রোসফটএ যারা ফুল টাইম সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে জয়েন করে তাদের ওরিয়েন্টেশন হয় সোমবারে আর যারা ইন্টার্ণ হিসেবে জয়েন করে তাদের ওরিয়েন্টেশন হয় মঙ্গলবারে। গতো বছরের (এবং এই বছরেরও) অর্থনৈতিক মন্দার আগ পর্যন্ত সাধারণত এই ছিলো রেওয়াজ এবং সেই জন্য দেখা যেতো প্রতি সপ্তাহের সোম এবং মঙ্গলবার মাইক্রোসফট এর বিল্ডিং ৪৩ এর একতলার বড় কনফারেন্স রুমটি সবসময় নতুন জয়েন করা ইন্টার্ণ এবং ফুল টাইমারদের দ্বারা গিজগিজ করতো। (প্রসঙ্গক্রমে, গুগলেরও একটি বিল্ডিং ৪৩ আছে, এবং সম্প্রতি বিখ্যাত প্রযুক্তি ব্লগার রবার্ট স্কবল তার নতুন ব্লগ এর নাম রেখেছেন বিল্ডিং ৪৩(http://www.building43.com/about-building43/))। গতো বছর এবং এই বছরের অর্থনৈতিক মন্দার কারণে মাইক্রোসফট এর হায়ারিং অনেক কমে গেছে, তাই হয়তো সেখানে এখন আর অতো বেশি নতুন ইন্টার্ণ আর ফুল টাইমারদের দেখা যাবেনা।
তো ২০০৭ সালের জুন মাসের ১২ তারিখ মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় আমাদের ওরিয়েন্টশনে যোগ দেওয়ার জন্য বিল্ডিং ৪৩ এর নির্ধারিত কনফারেন্স রুমটিতে যেয়ে পৌঁছাই। আলরেডি সেখানে হুলস্থূল অবস্থা। অসংখ্য ইন্টার্ণ এর ভিড়ে গিজগিজ অবস্থা। হরেক রকম লাইন সেখানে। কেউ হয়তো প্রাথমিক ফর্ম পূরণ করছে, কেউ হয়তো ব্যাংক সম্পর্কিত ফর্ম পূরণ করছে, কেউ কেউ আইডি কার্ড বানানোর জন্য ছবি তুলছে। আমিও একটার পর একটা লাইনে দাঁড়িয়ে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করছিলাম। আমরা যারা বিদেশী ছাত্র/ছাত্রী ছিলাম তাদের কিছু অতিরিক্ত ফর্ম পূরণ করতে হয়েছিলো। ফর্ম পূরণের আনুষ্ঠানিকতা শেষে আমাদের মূল অনুষ্ঠান শুরু হলো।
মাইক্রোসফটএ একটা টিমই থাকে ওরিয়েন্টশন করার জন্য। তারা একে একে মাইক্রোসফট এর কম্পানী পলিসি, নিরাপত্তা, বিভিন্ন বেনেফিট (স্বাস্থ্য/বীমা/জিম/স্টক ইত্যাদি), এম্পলয়ীদের দায়িত্ব, আধিকার এবং তার সীমা, কম্পানী কালচার, ম্যানেজার এর সাথে সম্পর্ক, ক্যারিয়ার এডভান্সমেন্ট, ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে বলে যান এবং অংশগ্রহনকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে খাবার-দাবার চলতে থাকে। নতুন আগতরা পরস্পরের সাথে পরিচিত হন। নতুন আসার কারণে সবারই মনে অসংখ্য প্রশ্ন থাকে, এবং আয়োজনকারীরা ধৈর্য ধরে সব প্রশ্নের উত্তর দেন।
ওরিয়েন্টেশন সাধারণত দেড়দিন এর মতো হয়। আমার ওরিয়েন্টেশন শেষে পরদিন দুপুরে আমি আমার নির্ধারিত অফিস বিল্ডিং ৪০ এ গেলাম। নিচে রিসেপশনিস্টকে আমার পরিচয় দিয়ে বললাম আমি আমার ম্যানেজার ক্যারেন এর সাথে দেখা করতে চাই। ঘটনাক্রমে আমার ম্যানেজার ক্যারেন অফিস এ ছিলো না। তখন আমাদের টিম এর আরেকজন আ্যলেক্স (গতো পর্বে যার কথা উল্লেখ করেছিলাম - আমার প্রথম ইন্টারভিউয়ার!) এসে আমাকে উপরে নিয়ে গেলো। এখানকার সব অফিস ইলেক্ট্রনিক আইডি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, দরজার সাথে লাগানো ছোট মডিউলটাতে নিজের আইডি মেলে ধরলে ক্লিক করে দরজা খুলে যায়। যেহেতু তখনো আমার আইডি হয়নি তাই কী একজন এসে আমাকে নিয়ে যেতে হয়েছিলো।
আ্যলেক্স হচ্ছে আমার জীবনে দেখা সবচেয়ে মজার মানুষদের একজন। সবসময় হাসিখুশি, প্রায় সময়ই চিৎকার চেঁচামেচি করে কথা বলে। আমাকে নিয়ে ও আমার রুম দেখিয়ে দিলো। সৌভাগ্যক্রমে সেই রুমটি তখন খালি ছিলো এবং রুমটি ছিলো জানালার ধারে। এখানে নতুনদের সিঙ্গেল অফিস রুম পাওয়া একটা বিশাল ভাগ্যের ব্যাপার, আর পেলেও সেটি যে জানালার পাশে হবেনা সেটি প্রায় নিশ্চিত! মাইক্রোসফট অফিস এর ব্যাপারে কিউবিকল এর চেয়ে ব্যক্তিগত অফিস রুম এর পক্ষে। আমিও প্রোগ্রামারদের জন্য কিউবিকল এর চেয়ে ব্যক্তিগত রুম বেশি পছন্দ করি। কিউবিকলএ শব্দ বেশি হয় এবং সূক্ষ কাজে মনোনিবেশ করা কঠিন হয়ে পড়ে বলে আমার ধারণা। তাই জীবনের প্রথম ব্যক্তিগত রুম পেয়ে আমি যারপরনাই খুশি হয়ে উঠি!
আ্যলেক্স আমাকে টিম এর অন্য সদস্যদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলো। এরপর আমাদের নেটওয়ার্কিং টিম এর এডমিনিস্ট্রেটিভ এসিসট্যান্ট এসে আমার কম্পিউটার দিয়ে গেলো। আ্যলেক্স এর সাহায্য নিয়ে আমি আমার কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক ইতাদি সেটাপ করলাম। একটু পরেই আমার ম্যানেজার ক্যারেন আসলো আমার রুমএ। মাইক্রোসফটএ যেকোনো এম্পলয়ী (ইন্টার্ণ বা ফুল টাইমার) এর একজন ম্যানেজার থাকে। সোজা বাংলায় বস! তবে এখানে বস শব্দটির চল নেই। সবাই সবার নাম ধরে ডাকে। শুধু অপিরিচিত কেউ হলে Mr অমুক বলে ডাকে। আ্যলেক্স এর মতো আমার ম্যানেজার ক্যারেনকেও আমার বেশ পছন্দ হয়ে গেলো। আমাদের গ্রুপটি http নিয়ে কাজ করার কারণে ক্যারেন আমার জন্য http প্রোটকল এর উপর একটা বই নিয়ে এসেছিলো আমার জন্য।
এর পরের কয়েকদিন ক্যারেন আর আমার মেন্টর (mentor) আরি এসে আমার কাজ ঠিক করে দিলো। মাইক্রোসফটএ প্রত্যেক ইন্টার্ণ এর একজন ম্যানেজার এবং একজন মেন্টর থাকে। ম্যানেজার দেখেন ক্যারিয়ার এর দিকটা, আর মেন্টর দেখেন টেকনিকাল দিকটা। আমার মেন্টর আরি হচ্ছে আমার দেখা সবচেয়ে প্রতিভাবান সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারদের একজন। উইন্ডোজ এর এমন কোন দিক নেই যেটা সম্পর্কে ওর ভালো ধারণা নেই। আমার ভাগ্য ভালো আমি ওর মতো একজনকে আমার মেন্টর হিসেবে পেয়েছি। ও আমার সাথে প্রতিদিন সকাল নয়টায় আধঘন্টার একটা মিটিং করতো, যেটা প্রায়ই আধঘন্টার জায়গায় দুই/তিন ঘন্টা ধরে চলতো। আমার কাজের অংশ হিসেবে আমি ডাউনলোড ম্যানেজারের মতো একটি আ্যপলিকেশন লিখছিলাম, যেটির কী করতে হবে সেটা বলে দিতো আরি, আর কিভাবে করতে হবে সেটা আমি ঠিক করতাম। কিন্তু আমার অনভিজ্ঞতার কারণে প্রায় সময়ই আরি আমার ডিজাইনটি করে দিতো। ওর (এবং আমার) রুম এর সাদা বোর্ডটিতে কতো যে আঁকিজুঁকি করেছি আ্যপলিকেশন এর ডিজাইন এর বিভিন্ন দিক নিয়ে! ঘন্টার পর ঘন্টা চলতো আমাদের ব্রেইন স্টর্মিং। আ্যপলিকেশনটির ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট এর বিভিন্ন পর্যায়ে আরি টিম মিটিংএ আমাকে দিয়ে তখন পর্যন্ত যা যা করেছি সেটা উপস্থাপন করাতো।
যেহেতু সময়টা ছিলো গ্রীষ্মকাল তাই সবসময় এটা সেটা প্রোগ্রাম লেগে থাকতো ওখানে। সবচেয়ে সেরা প্রোগ্রামটি ছিলো বিল গেটস এর বাসায় একটা ডিনারের দাওয়াত। সেই অভিজ্ঞতার কথা লিখেছি এখানে । এছাড়া প্রডাক্ট ফেয়ার হয়েছিলো যেখানে মাইক্রোসফট এর সব প্রডাক্ট গ্রুপ তাদের প্রডাক্ট উপস্থাপন করেছিলো। প্রত্যেকটি গ্রুপ তাদের প্রডাক্ট এর টেকনিকাল এবং বাণিজ্যিক দিক সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলো। প্রডাক্ট ফেয়ার এর একটা প্রোগ্রাম ছিলো সিইও স্টিভ বালমার এর বক্তৃতা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব। মনে পড়ে এই প্রশ্নোত্তর পর্বে একজন ইন্টার্ণ স্টিভ বালমারকে প্রশ্ন করেছিলো মাইক্রোসফট এর এম্পলয়ীদের ফ্রি লাঞ্চ দেওয়া যায় কিনা। প্রশ্ন শুনে সবাই হেসে উঠেছিলো কারণ প্রশ্নটি করা হয়েছে গুগলের কথা মাথায় রেখে - গুগল তাদের এম্পলয়ীদের ফ্রি লাঞ্চ এবং ডিনার দেয়! স্টিভ বালমার বেশ স্মার্টলি উত্তর দিয়ে বলেছিলো মাইক্রোসফট এম্পলয়ীদের যথেষ্ট বেতন দেয় এবং তারা ঠিক করবে তারা কোথায় লাঞ্চ করবে এবং কী লাঞ্চ করবে। এরপর তিনি ইন্টার্ণদের প্রশ্ন করেন কারা চায় তাদের বেতন কিছুটা বাড়িয়ে দেওয়া হোক আর কারা চায় বেতন ঠিক রেখে ফ্রি লাঞ্চ দেওয়া হোক! দেখা গেলো সবাই হাত তুলেছে বেতন বাড়ানোর পক্ষে! তিনি প্রমাণ করে ছাড়লেন এম্পলয়ীরা ফ্রি লাঞ্চ এর চেয়ে বেশি বেতন পছন্দ করে। মাইক্রোসফট এর বার্ষিক টেকনোলজি টাউনহল কনফারেন্সগুলি গ্রীষ্মকালে হয়। এই কনফারেন্সগুলির মূল বিষয় হচ্ছে পৃথিবীর প্রযুক্তি কোন দিকে যাচ্ছে এবং তার সাথে তাল মিলিয়ে মাইক্রোসফট কী কী পণ্য কিংবা সেবা আনছে, অথবা মাইক্রোসফট এর সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা। এইসব কনফারেন্সএ প্রায়শই মাইক্রোসফট এর উপরের দিকের ভাইস প্রেসিডেন্ট বা প্রেসিডেন্টরা উপস্থিত থাকেন এবং মাইক্রোসফট এর ব্যবসায়িক এবং টেকনিকাল বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। আরেকদিন মাইক্রোসফট সারফেইস টিম একটি সারফেইস কম্পিউটার নিয়ে এসে ডেমোনেস্ট্রেশন করে গেলো ইন্টার্ণদের জন্য। সারফেইস কম্পিউটার তখনো সাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি (এখন অল্প কিছু কম্পানী এটি ব্যবহার করে), তাই বাইরের মানুষের আগে এটি দেখতে পেরে বেশ রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম! যারা সারফেইস সম্পর্কে জানতে চান তারা এখানে ক্লিক করুণ।
আগস্ট এর ৩১ তারিখ ছিলো আমার ইন্টার্ণশিপ এর শেষ দিন। তার প্রায় এক সপ্তাহ আগে আমাকে আমার কাজের পূর্ণ ডেমন্সট্রেশন করতে হয় আমাদের টিম এর সামনে এবং উইন্ডোজ ডিভিশন এর কয়েকজন ভাইস প্রেসিডেন্টদের সামনে। টিম এর সাথে আগে থেকে পরিচয় থাকায় সহজেই ডেমন্সট্রেশন করতে পারি। কিন্তু ভাইস প্রেসিডেন্টদের সামনে যেয়ে রীতিমতো ঘাম ছুটে যাবার অবস্থা! ভাগ্যিস আরি আমার পক্ষে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিয়ে আমাকে অনাবশ্যক লজ্জার হাত থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছিলো!
মাইক্রোসফটএ সাধারণত গ্রুপএ খালি পজিশন থাকলে এবং ইন্টার্ণশীপ এর সময় ইন্টার্ণদের কাজ পছন্দ হলে তাদেরকে ফুল টাইম সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকুরীর অফার দেওয়া হয়। এবং এটা করা হয় কোনো ধরণের নতুন ইন্টারভিউ নেওয়া ছড়াই। সেজন্যই মাইক্রোসফট এর ইন্টার্ণশীপ ইন্টারভিউ প্রায় ফুল টাইম ইঞ্জিনিয়ারদের ইন্টারভিউ এর মতো হয়ে থাকে। চাকুরীর অফার দেওয়ার ঘটনাটি ঘটে ইন্টার্নশীপ এর শেষ সপ্তাহে।কম্পিউটার বিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে আমার সারা জীবনের স্বপ্ন মাইক্রোসফট বা এ জাতীয় কোনো কম্পানীতে চাকুরী করা। তাই ইন্টার্ণশীপ এর শেষ সপ্তাহে এসে আমার হার্ট বিট নিয়ম করে অনিয়মিত হয়ে গেলো! কাজেই আমার সাথে যোগ দেওয়া ইন্ডিয়ান ছাত্রটিকে ফুল টাইম জব অফার দেওয়ার পর আমি আর স্থির থাকতে পারলাম না। আমার ম্যানেজারকে ইমেইল করলাম এই বলে - "আমি আমার ইন্টার্ণশীপ এর শেষ সপ্তাহে এসে পড়েছি। আমি জানিনা তোমরা আমাকে ফুল টাইম জব অফার দিবে কিনা। না দিলে কোনো সমস্যা নাই, আমি জানি মাইক্রোসফট এর মতো কম্পানীতে টেকনিকাল স্কিলস ছাড়াও অনেক কিছু দেখে ফুল টাইম জব অফার দেওয়া হয়। কিন্তু অন্তত আমাকে জানিয়ে দাও অফার না দিলেও। তাহলে আমি এই সপ্তাহে অন্যান্য গ্রুপ যারা হায়ার করছে তাদের সাথে ইন্টারভিউ দিবো"। ইমেইল দেওয়ার বেশ কিছুক্ষণ পরও কোনো উত্তর না পেয়ে ভাবলাম ছোট মুখে বড় কথা বলে ফেললাম নাতো! কিন্তু আরো কিছুক্ষণ পর আমাকে অবাক করে দিয়ে ক্যারেন ইমেইল করলো - "আমরা তোমাকে আমাদের গ্রুপ এ ফুল টাইম সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে জয়েন করার জন্য অফার দিচ্ছি! শীঘ্রই তোমার রিক্রুটার এ ব্যাপারে তোমার সাথে যোগাযোগ করবে।"
এর পরদিন আমার নতুন রিক্রুটার ড্যানিয়েল আমাকে বিল্ডিং ১৯ এ ডেকে নিয়ে মাক্রোসফটএ ফুল টাইম এম্পলয়মেন্ট এর জব অফার দেয়। যদিও এখানকার আবহাওয়া আমার একেবারে অপছন্দ (গ্রীষ্মকাল ছাড়া প্রায় সারাবছর গুঁড়িগঁড়ি বৃষ্টি কিংবা মেঘলা আকাশ থাকে), কিন্তু মাইক্রোসফট এর অফার বলে কথা! অফার এর সময় কম্পানীর নানারকম প্রশংসা ছাড়াও অন্যান্য কম্পানী থেকে যে কতো বেশি সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে ইত্যাদি নানা রকম কথাবর্তা বললো রিক্রুটার। আমার শেষ দিনটিতে ক্যারেন আমার জন্য ছোটখাটো একটা কেক-আইসক্রিম এর পার্টি দিয়েছিলো আমাদর অফিস এর বারান্দায়। গ্রুপ এর সবাই এসে আমাকে বিদায় জানালো আর কবে জয়েন করছি এইসব খোঁজখবর নিলো। আগস্ট মাসের ৩১ তারিখে প্রায় পৌনে তিনমাস ইন্টার্ণশীপ শেষে আমি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসি।
মাইক্রোসফটএ ফুল টাইম এম্পলয়ী হিসেবে জয়েন করি ২০০৮ সালের জানুয়ারীতে এক প্রচন্ড তুষারপাত এর সকালে। পরের পর্বগুলোতে থাকবে মাইক্রোসফট এর ব্যবসা, প্রযুক্তি, এবং কম্পানী কালচার নিয়ে টুকিটাকি - ব্যক্তিগত কথাকে এখানেই বিদায়!
মাইক্রোসফট এর সাতকাহন - পর্ব ২ (ইন্টার্ণশীপ অভিজ্ঞতা)
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
৩৭টি মন্তব্য ২৪টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
কেউ পুড়বে আর কেউ পোড়াবে!
অনেকদিন নিশ্চুপ আছি কিছুদিনের অপেক্ষায়;
কেউ কেউ বলে কিছুদিন নাকি হারিয়ে গেছে,
অনেকদিনের গর্ভে তাই মেলাতে সরল গণিত।
কিছুদিনের অপেক্ষায় অপেক্ষায়-
ছেটে দিয়েছি কথামালার ডালপালা।
বসে বসে মেলাই কাণ্ডহীন বৃক্ষের... ...বাকিটুকু পড়ুন
Good governance starts with respecting public money....

Good governance starts with respecting public money....
গত দুই দশক রাষ্ট্রীয় সফর মানেই ছিল বিশাল বহর, শত শত সঙ্গী, অপ্রয়োজনীয় জাঁকজমক আর জনগণের টাকায় এক শ্রেণির মানুষের বিদেশ ভ্রমণের... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইসলাম প্রতিষ্ঠায় যুদ্ধের প্রয়োজন নেই, ভালোবাসাই যথেষ্ট

চীনের লিংশান পর্বতে শুয়ে আছেন ইসলামের শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সাঃ)-এর দুই সাহাবী সা-কে-জু (Sa-Ke-Zu) এবং
উউ-কো-শুন (Wu-Ko-Shun)। এই নামেই তাঁদের চিনতো স্থানীয় চীনবাসীরা। অবাক হতে হয়, আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন
প্রিয় সামু ব্লগারদের কাছে খোলা চিঠি.....
প্রিয় সামু ব্লগারদের কাছে খোলা চিঠি.....
প্রিয় সহব্লগার,
একসময় সামু ছিল আমাদের ছোট্ট এক মহাবিশ্ব।
দৈনিক গড়ে তিন-চারশ' ব্লগার অনলাইনে থাকতেন। প্রতি মিনিটেই নতুন নতুন পোস্ট আসত। কেউ গল্প লিখছেন, কেউ কবিতা, কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল

বাংলাদেশে শেষ কবে সিনেমা হলে গিয়ে মুভি দেখেছিলাম মনে নাই। গতকাল সন্ধ্যায় আমন্ত্রিত হয়ে গিয়েছিলাম, স্টার সিনেপ্লেক্স মুভি থিয়েটারে। এখন আর আগের মতন সিনেমা হল নেই। অনেক কিছু বদলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।