somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কোন রকম বেচে থাকা-1

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৪:৫৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ছেলেরা চাপাচাপি করছে, আমাকে কাপ্তাই হাইড্রোইলেক্ট্রিক প্ল্যান্টে নিয়েই যাবে।

সহপাঠীরা এই বন্ধে সব ভারত, নেপাল, কুয়াকাটা.... আমি হলে একা পড়ে থিসিস, ব্লগ...

কিন্তু আমি যাবোনা। থাকনা। কি দরকার? বেচে আছি এই আমার জন্য অনেক।

নিজেকে বঞ্চিত বা কষ্ট দিয়ে আমি কেন শান্তি পাই তার ব্যাখ্যা আজও দাড় করতে পারিনি।

মানুষ জনের ব্যাপক সমাবেশ, চলাচল, উপস্থিতি আমাকে স্বাভাবিক থাকতে দেয়না।

আমার মনে পড়েনা শেষ কবে বিয়ে জন্মদিন বা কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে গিয়েছি। 10-12 বছর হবে হয়তো। তবে এতটুকু নিশ্চিত করে বলতে পারি, কখনও কোন আত্মীয় এর বিয়ের দাওয়াত পাইনি বা খাইনি।

তারা জানে আমি যাবনা। তাই কী দরকার ছেলেটাকে ডেকে?

গান, কবিতা, মুভি , টিভি এসবের প্রতি আমার কোন আগ্রহ নাই। ভালোও লাগেনা।

ঈদের ছুটিতে বাধ্য হয়ে বাড়িতে যাই। না যেতে হলে আরো ভালো লাগতো। ঢাকা হতে দু'ঘন্টা জার্নিই সহ্য হয়না।

কোন রকম সুখকর বিশেষ অনুভূতি কাজ করেনা , ঈদ বা বিশেষ কোন দিনে।

সমুদ্র তীরে কখনও যাইনি, দেখা হয়নি পার্ক, চিড়িয়া খানা, যাওয়া হয়নি কোন সিনেমা হলে।


আমি জীবনে সারা রাত জাগিনি। তবে কেউ ছুটির দিনে কাজ দিলে আনন্দ নিয়েই করব।
কাজ ভালোবাসি, সৃষ্টি করার নেশা আছে, তার চেয়েও প্রবল জানার আগ্রহ। স্কুলের শিক্ষকরা হতভম্ব হয়ে যেতেন আমার এসব দেখে।


নির্জন , নীরব পরিবেশ খুব শান্তি দেয় আমাকে। সঙ্গীতের সুর সেখানে প্রচন্ড বিরক্তিকর লাগে। ব্রক্ষপুত্র নদের ধারে বহু দিন চুপ চাপ একা বসে থেকেছি শান্তির অন্বেষায়।

হুমায়ুন আহমেদের একটা বইয়ের নাম (যদিও বইটা পড়া হয়নি কাজের ব্যস্ততায়) আমাকে প্রচন্ড নাড়া দেয় এক অভিমানী অনুভূতি দিয়ে....
আমি খাতায় লিখলাম,

"আজ আমি কোথাও যাবনা। "

102 কেজি ওজনের এক বন্ধু লাইনটার ঠিক উপরে লিখে দিলো,

"তুমি আমায় ডেকেছিলে ছুটির নিমন্ত্রণে"

আমি খাতাটার দিকে চুপচাপ কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলাম।

কষ্ট আর অভিমানের কাব্যিক ভাষাটা এতটা সুন্দর হতে পারে!!!!!!

(চলবে)
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ দহনবেলার কহন কথা

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:১৫




বুকের অভিমান, ক্ষত লুকিয়েছি মনে


নিঝুম রাতের সঙ্গী তারা গভীর গোপনে।


অচেনা নক্ষত্র জ্বলে নেভে দুরে একাকী 


বিচ্ছিন্নতার উপমা হিসেবে নিজেকেই রাখি। 


আসমুদ্রহিমাচল জ্বালা বুকে তবু দায়িত্ববান 


হাজার দহনে পুড়ে খাঁটি শিখা অনির্বাণ।


© রফিকুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০০১ সালেও বিএনপিকে ডোবানোর দায়িত্ব নিয়েছিল টুকু!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৫১


ভয়াবহ লোডশেডিং। মধ্যরাতে ঢাকবাসীর হাঁসফাঁস। হঠাৎ করে এতো লোডশেডিং হওয়ার কোন কারণ নেই অথচ মধ্যরাতে ভয়াবহ লোডশেডিং। গ্রামে বিদ্যুৎ থাকেনা বললেই চলে। গ্রামে বিদ্যুৎ যাওয়ার সময় আছে কিন্তু আসার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশে বাষ্ট্রপতি নির্বাচন নাকি রাষ্ট্রীয় খরচে তামাশা!!!

লিখেছেন শাহিন-৯৯, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


বাংলাদেশে সম্মানিত রাষ্ট্রপতি (হবু)


নির্বাচন, এই শব্দটি শুনা মাত্র যে বিষয়টি আমাদের মাথায় আসে তা হচ্ছে ভোট প্রদানের যোগ্য ভোটারদের স্বাধীন ভোটের মাধ্যমে একজন যোগ্য ব্যাক্তিকে দায়িত্ব অর্পণের জন্য নির্বাচিত করা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ ভাড়াটে কান্নাকারী

লিখেছেন রাজসোহান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



লোকে ভাবে আমরা কান্না বিক্রি করি। আমরা কান্না বিক্রি করি না। আমরা শব্দ বিক্রি করি।

শোকসভায় সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো নীরবতা। বক্তা বক্তৃতা শেষ করে বসে পড়লেন, পরের বক্তা এখনো মাইকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের টিভি তে কি দেখতে চাই না

লিখেছেন অপলক , ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭




ওপার বাংলা আর এপার বাংলা মানে কোন দেশের কোন অঞ্চল বোঝায়, সেটা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু দু'বাংলার সংস্কৃতি বেশির ভাগটাই আলাদা। শব্দ উচ্চারন থেকে শুরু করে মন মানসিকতা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×