১। ইজতিমার আয়োজকরা বা অংশগ্রহণকারীরা এটাকে হজ্ব বা হজ্বের আশেপাশের কিছু মনে করেন না বা অনভিজ্ঞ কেউ সেরকম মনে করলে তাকে মানা করেন দেন। আর মানুষ আজকাল এই ইজতিমা বা আখেরী মুনাজাতকে ুমহাচ্ বিষয় মনে করা শুরু করায় তারা চিন্তিত। যারা খোঁজ রাখেন তারা হয়ত দেখবেন যে আগে সোমবারে আখেরী মুনাজাত হত যেটা এখন রবিবারে করা হয়েছে প্লাস আখেরী মুনাজাতের সম্পুর্ণ বিষয়টা বাদ দেয়া যায় কিনা সেটা তার আচিন্তা করছেন। কারণ অলরেডি বিদাত আর অজ্ঞতায় ন্যুজ আমাদের মুসলিম সমাজে নতুন ফিতনার আর দরকার নাই।
২। আপনারা যারা ইজতিমার মাঠ দেখেছেন বা উপরের ছবি দেখছেন তারা জানেন যে নামাজের অংশটুকু সরলরেখায় কিবলার দিকে মুখ করে। আর মিম্বর থেকে স্পষ্ট করে বলা হয় যে, মুসল্লীগণ যেন ইমামের পেছনে নামাজের জন্য দাঁড়ান। এখন অনেক সময় নতুন যারা আসেন বা যারা অযু করে নামাজে আসতে দেরী করেন তারা কখনো কখনো মূল প্যান্ডেলের বাইরেই দাঁড়িয়ে যান। তাতে সমস্যাগুলো হল, ক) ইমামের সামনে দাঁড়ালে নামাজ হয় না খ) কিবলার ডিরেকশন ভূল হতে পারে গ) নামাজের কাতার সোজা করার ব্যাপারে অত্যান্ত তাগিদ এসেছে যেটা দেখাই যাচ্ছে।
৩। আমার মনে হয় ইজতিমার মুসল্লীগণ ফটোসেশনে খুব একটা আগ্রহী নন তাই সাংবাদিকদের একটু দূর থেকেই বাইরের অংশের ছবি তুলতে হয়।
৪। ইজতিমায় কেউ গিয়ে থাকলে এক-দুই লাইন দ্বীনি কথা লিখতে পারেন, আর দুয়ায় এই গুনাগারকেও ভূলেন না।
Click This Link
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৫:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


