somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রেতম আলু থুক্কু প্রথম আলো কে নিয়ে লেখা,,,,

২১ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ১১:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বলা নেই কওয়া নেই হঠাৎ করে একদিন "প্রথম আলো" জানাইলো, মুসা ইব্রাহিম এভারেস্ট জিতছে! (মানুষ লটারি জিতে, খেলায় জিতে, কিন্তু এভারেস্ট আবার জিতে কিভাবে, আমি আজও বুঝি নাই) এরপর বানানো শুরু হইলো, একের পর এক রুপকথা! এভারেস্ট জিততে গিয়া তার কয়বার সর্দি লাগছে, পইরা গিয়া কয়বার মারা যেতে চাইছিলো, শুধু দেশের কথা চিন্তা কইরা, দেশের পতাকা এভারেস্টের মাথায় গেঁথে দেওয়ার জন্য সে নি:শ্বাস বন্ধ করে নাই!
.
আনিসুল হক, জাফর ইকবালরা বাচ্চা পোলাপানদের বুঝাইতে শুরু করলো, বড় হইয়া তোমাদের সবার "মুসা ইব্রাহিম" হওন দরকার! মুসা ইব্রাহিম না হইতে পারলে জীবন বৃথা!
....বেশি দিন গেলো না। পাহাড় বিজয়ীর কুকীর্তি ফাঁস হওয়া শুরু করলো! বিভিন্ন জায়গায় বক্তৃতা দেওয়ার জন্য তারে নেওয়া হয়! টাকার অংকটা তার ডিমান্ডের চেয়ে একটু কম হলে আর যায় না! আজ এরে ধমক দেয়, কাল ওরে!
.
কয়দিন পর নিশাত, মুহিতরা জানাইলো, মুসা ইব্রাহিম এভারেস্টের চুড়ায় উঠেই নাই! আনিসুল হকরা পড়লো বিপদে! শেষকালে ঘোষণা করলো, "যদি শেখ মুজিবরে জাতির পিতা মানেন, আপনাকে মানতেই হবে, ১ম এভারেস্ট জয়ী মুসা ইব্রাহিম"!
কি দারুণ যুক্তি! আমি কইলাম, আমি একটাও মানি না!
.
প্রথম আলো মাঝে মাঝেই "পুরষ্কার পুরষ্কার " খেলে! নিজেদের লোকদের নিজেরাই পুরষ্কার দেয়! দুই টাকার পুরষ্কার দিয়া পাঁচ টাকার মাইক ভাড়া কইরা প্রচার করে! আজ ফারুকি, কাল তিশা, পরশু নির্মলেন্দুরে পুরষ্কার! এরকমই একবার "জীবনান্দ দাশ" পুরষ্কারে ভূষিত করলো কবি(?) সাইয়েদ জামিলকে!
.
দুদিন পরই ফেসবুকে ছড়াইয়া পড়লো, সাইয়েদ জামিলের সব কু-কবিতা! তার কবিতায় চটির ভাষা, নারী পুরুষের গোপনাংগ ছাড়া আর কিছুই নাই, কিচ্ছু নাই! যেই বিদেশী "জীবনান্দ দাশ" পুরষ্কারের অর্থ দিতো, তিনি আর টাকা দিতে রাজি হলেন না। বাধ্য হয়ে পুরষ্কার প্রত্যাহার করলো প্রথম আলো!
.
একই ভাবে হঠাৎ নায়িকা পরীমণিরে নিয়া এক বিরাট ফচার ছাপাইলো প্রথম আলো! সিনেমারে পাল্টাইয়া দিসে, সিনেমা জগতে বিপ্লব ঘটাইয়া দিসে, রেকর্ড করে ফেলছে, উচ্চবংশের মেয়ে! (হঠাৎ পরীমণির প্রতি এমন ভালোবাসা দেখে আমার সন্দেহ হইছিলো। পরীমণি কাকে খুশি করছে? আনিসুল, মতিউর নাকি শিমু নাসের?)
যাই হোক, দুইদিন পরেই পরীমণির নানান জনের কোলে বসা ছবি ফাঁস হইতে শুরু করলো! প্রথম আলো জোড়াতালি দিয়া বলল, "মানুষের ব্যাক্তিগত জীবন নিয়া ঘাটাঘাটি না করাই ভালো!"
.
একইভাবে হঠাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণরের প্রেমে পড়লো এরা! রাখাল বালক ছিলেন, বাঁশি বাজাইতেন আর গরু চড়াইতেন, সেইখান থেইক্যা গভর্ণর হইছেন। "মানুষ খায়" এইরকম রেশমা টাইপের গল্প! তাদের কিশোর আলোতে পোলাপানরে শিখানো শুরু হইলো, বড় হইয়া আতিউর না হইতে পারলে সব শেষ!
.
এই আতিউর সাহেবের আমলে ব্যাংক লুইট্যাপুইট্যা শেষ কইরা ফেলতেছে আওয়ামিলিগ! আবারও ৯৬০০ কোটি টাকা গায়েব! একদিন শুনবো দেওলিয়া হইয়া গেছে বাংলাদেশ! আতিউর সাহেব নীরব! হয়ত ছোটবেলার সেই গরুগুলির কথা ভাবছেন!.
.
আসুন আমরা আমাদের ছেলে মেয়ে ভাই বোন বউ শালিদের প্রথম আলোর বন্ধুসভায় তুলে দেই! তারা সাইয়েদ জামিলদের কাছে কবিতা শিখুক! যদিও এক মৌলবাদী কবি বলেছেন, "প্রথম আলোর বুদ্ধিজীবী দেখে তোরা দিস নে হাততালি, আড়ালে তার বাটপার হাসে!"

লিখেছেন: কাউসার আলম
পুনশ্চ:
লেখাটা যেখান থেকেই সংগ্রহ করিনা না কেন,, লেখাটার মান ভালো,,তাই পোস্ট করেছি
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গল্পঃ যখন মানুষটা চলে যায়

লিখেছেন সামিয়া, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৩




স্ত্রী বাসা থেকে চলে যাওয়ার পর মানুষের মাথায় কী কী চিন্তা আসে আমি জানি না। কেউ হয়তো প্রথমে রাগ করে। কেউ ভেঙে পড়ে। কেউ সঙ্গে সঙ্গে আত্মীয়স্বজনকে ফোন করে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

দশ বছরের ব্লগিং—মিষ্টি মুখ হোক সবার

লিখেছেন কাওসার_সিদ্দিকী, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৯

আজ আমার ব্লগিং যাত্রার দশ বছর দুই মাস পূর্ণ হলো। এই দীর্ঘ সময়ে পাঠকদের ভালোবাসা, মন্তব্য আর সমর্থন আমাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।

এই আনন্দ ভাগাভাগি করতে চাই আপনাদের সবার সাথে—তাই আজকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেতন বৃদ্ধি পাওয়ায় এত উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০২


নতুন পে স্কেল নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। বেতন কত বাড়বে এবং নতুন কাঠামো বাস্তবে কেমন হবে, এসব প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে। নতুন বেতন কাঠামোয় ১ থেকে ১১... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপেল নিয়ে যত গল্প পর্ব - ০১

লিখেছেন অধীতি, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:১১

আপেল, আমাদের পরিচিত ফল সমুহের ভেতরে অন্যতম। দেখতে সুন্দর, খেতে মিষ্টি এই ফলটির আমাদের জীবনের সঙ্গে মিশে গেছে। আপেল এক অদ্ভুত ফল। বাসায় মেহমানকে আপ্যায়ন থেকে শুরু করে রোগী দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ অদৃশ্য পাতায় লেখা ছিল যে

লিখেছেন সামিয়া, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২১



আমি একটা বায়িং হাউসে চাকরি করতাম। তখন জীবনটা খুব সাধারণ ছিল। সকালবেলা অফিস, সারাদিন কাজের চাপ, সন্ধ্যায় বাসায় ফেরা। ভবিষ্যৎ নিয়ে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা ছিল না। বিয়ে নিয়ে তো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×