somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মাফ করবেন!

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ব্যাপারটা খুবই লজ্জাজনক যে প্রাইভেট ভার্সিটির ভ্যাটবিরোধি আন্দোলনে শিক্ষকদের উপর গুলি চালানো হয়েছে এবং একজন শিক্ষক রক্তাক্ত হয়েছেন!
অর্থমন্ত্রী কি করছেন তা শিক্ষকদের জ্ঞ্যানহীন মস্তিষ্কে যেখানে ঢুকছে না সেখানে আমরা ছাত্ররা কি? উনার মতে শিক্ষক, যারা আমাদের শিখায় তারা যদি জ্ঞ্যানহীন হয় তাহলে আমার প্রশ্ন প্রতিবছর যারা পাশ করে বের হচ্ছে তারা কি?
অর্থমন্ত্রী নিজেও একজন শিক্ষক ছিলেন! উনার মুখে একথা কিভাবে মানায়?
সত্যিকার অর্থে আমাদের দেশে শিক্ষকতা সবচেয়ে নীচের পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। যার কোথাও গতি হচ্ছেনা তাকেই শুধু দেখা যায় শিক্ষকতা করতে। বিশেষ করে স্কুল,কলেজ লেভেলে। ভার্সিটি লেভেলে পাবলিক ভার্সিটির টিচারদের যা একটু সম্মান আছে, প্রাইভেট বা কলেজের টিচারদের তাও নেই । আর থাকলেও ইন্সটিটিউট এর ভিতরে, ইন্সটিটিউট এর বাইরে সে পাবলিক বা প্রাইভেট যেখানের সশিক্ষক হন না কেনো একটা মুদির দোকানীর সমান সম্মান নেই। কেউ রে রে করলেও মানুন বা না মানুন এটাই সত্য। বেতনের কথা নাই বা বললাম! বেতনের কথা বলতে গেলে অর্থমন্ত্রীর কথা সত্য মেনে নিতেই হয়। কেননা কোয়ালিফিকেশন অনুযায়ী তারা যা বেতন পায় সে বেতনে একমাত্র জ্ঞ্যানহীন মানুষেই চাকরী করবে। শিক্ষকদের সম্মান কতটুকু নীচে নেমে গেছে ভাবুন,BCS ক্যাডার শিক্ষক কলেজে জয়েন করার পর তাকে আবার প্রাইভেট পড়াতে হয়।
একজন শিক্ষক একশজন মন্ত্রী গড়ে তুলতে পারে কিন্তু একশজন মন্ত্রী কি একজন আদর্শ শিক্ষক গড়ে তুলতে পারবে? প্রশ্ন থেকেই যায়।
এবার আসি করের কথায়! বাজেট হয় জনগণের জন্য,সরকারের জন্য নয়। এখন সেই বাজেট যদি সাধারণ মানুষের কাছে অগ্রহণযোগ্য হয় তাহলে বাজেটের মূল্য কই থাকলো?
আর সেই বাজেট প্রত্যাহারের জন্য জনগণকে রাস্তায় নামতে হয়,বিশেষ করে মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষকদের, তারপর তাদের জ্ঞ্যানহীন গালি খেতে হয়, পুলিশের গুলি খেতে হয় তাহলে দিনশেষে লজ্জাটা কার হওয়া উচিৎ?
অবশ্য এসব কথা অর্থমন্ত্রীর জ্ঞ্যানী মাথায় নাও ঢুকতে পারে।আফটার অল, পাবলিক ডিমান্ড মেনে চলে তো মন্ত্রীর গদি ঠিক রাখা যায় না!!
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সব হারিয়েও বেঁচে থাকা: একজন রোকসানা রুমার নিঃসঙ্গ গল্প

লিখেছেন ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৬


জীবন আসলে বড় অদ্ভুত এক গোলকধাঁধা। আমরা ভাবি মেধা, ডিগ্রি আর সাফল্য দিয়ে পুরো জীবনটা সাজিয়ে ফেলা যাবে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস মানুষকে কোথায় এনে দাঁড় করায়, তা কেউ জানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিটারে টাকা ভরতে গিয়ে এ কি হলো আমার সাথে। না পড়লে চরম মিস।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১২

বিদুৎ মিটার, দুই প্রকার। এক হচ্ছে প্রিপেইড আরেকটি পোস্ট পেইড। আমার কাছে পোস্ট পেইড ভালো লাগে। কারন এখানে বিলের কপি দিয়ে যায়। ও বিলের কপি নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে জমা দিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

=নীলাম্বরী সেজে আছি=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৩৮



এই এসো না কাছে এসো,
নীল শাড়ীতে নীলাম্বরী
ঠায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষাতে
এসে ভাসাও প্রেমের তরী।

নীল সমুদ্দুর ডেকেছে আজ
তাই দাঁড়িয়ে আছি একা
এসো তুমি হাওয়ায় উড়ে
এসে করো একটু দেখা।

হাঁটতে ইচ্ছে বালিচরে,
তুমি আমার - পাশে হাঁটবে?
মনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মূল্যস্ফীতি বাড়লে বা কমলে আমরা টের পাই না কেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:৫১


গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে বাংলাদেশে এখন কয়টা ঋতু আছে তা কেউ বলতে পারে না। আমার মনে হয় গ্রীষ্ম আর বর্ষার একটা মিশ্র ঋতু আছে, আর আছে শীত। এই গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুহাম্মদ আলি জিন্না

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫



১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×