কিছু অতি উৎসাহী বাংগালী শেখ সাহেবের নামে মুক্তিযোদ্ধা একে খন্দকারের বিরুদ্ধে মামলা করে, উনাকে অকারণে হেস্তনেস্ত করে, শেখ হাসিনার সুদৃস্টিতে পড়ার চেস্টা করছে; কোন সঠিক বুদ্ধিমান মানুষ শেখ হাসিনার সুদৃস্টিতে পড়ার চেস্টা করে বলে আমার মনে হয় না।
কোন এক ব্যুরোক্রেট ইসহাক সাহেব ব্রাম্মণবাড়ীয়ার আদালতে একে খন্দকারের বিপক্ষে মামলা করেছেন; ব্যুরোক্রেটদের সম্পর্কে আমাদের খারাপ মনোভাব আছে, উনারা দেশের সম্পদ চুরি ডাকাতী করে যাচ্ছেন নিয়মিতভাবে; সবচেয়ে বড় কথা, ১৯৭৫ সালে শেখ সাহেবের মৃত্যুর পেছনে ব্যুরোক্রেটদের হাতও ছিল। এখনও ব্যুরোক্রেটরা মুক্তিযুদ্ধের জাল সার্টিফিকেট বানায়।
১৯৭১ সালে, সাড়ে ৭ কোটী বাংগালীর মাঝে ৬ কোটী ছিলেন শেখ সাহেবের পক্ষে; এবং তাদের থেকে মাত্র ১ লাখ ২০ লাখ হাতে অস্ত্র নিয়েছিলেন; এঁদের ভেতরে, ২য় ব্যক্তিই একে খন্দকার। মুক্তিযোদ্ধা একে খন্দকার থেকে শেখ সাহেবকে আজকে কেহ বেশী ভালোবাসে, এসব বাজে কথা।
মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার ব্যুরোক্রেট ফুরোক্রেট নন, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, ফুবলীগের কেহ নন; উনি মুক্তিযোদ্ধা; উনি কোন ভুল করে থাকলে, দেশের মুক্তিযোদ্ধারা দেখবেন; মুক্তিযোদ্ধারা উনাকে বলতে পারবেন উনার বই শোধরাতে বা ফেলে দিতে।
মুক্তিযোদ্ধাগণ ব্যতিত, অন্য কেহ একে খন্দকারকে কেহ কিছু বলার সাহস রাখা ঠিক হচ্ছে না। শেখ হাসিনা থেকে খুঁদকুটা পাবার আশায়, এক মুক্তিযোদ্ধাকে হেস্তনেস্ত করার চেস্টা রুখে দেয়া হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মার্চ, ২০১৫ রাত ১০:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




