শেখ সাহেব, স্বাধীনতার পর ক্রমেই নিজকে মানুষের থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছিলেন; উনি মানুষের ভালো করতে চেয়ে ছিলেন নিজের মতানুযায়ী, এটা বিপদজনক তত্ব ছিল; উনার আরেক মহা ভুল ছিল, বাংলার মানুষের বিপক্ষে যারা অস্ত্র ধরেছিল তাদের বিচার না করা।
শেখ হাসিনা মোটামুটি, এদিক থেকে উনার বাবাকে অনুসরণ করে ছলেছে; খালেদা জিয়ার '৯১ দিনের তান্ডবের' বিচার করছে না; দেশকে অপরাজনীতিমুক্ত করতে হলে দুস্তদের সাজা দিটে হবে; ও নিজকে সঠিক রাজনীতি অনুসরণ করতে হবে।
১৯৭৫ সাল থেকে শুরু হওয়া অপরাজনীতির ডিরেকশন বদলানো অপরিহায্য; কোথায় তা শুরু করতে হবে? এ মহুর্তে সবচেয়ে ভয়ংকর মানবিক বিপর্যয়ের ঘটনা হচ্ছে, '৯১ দিনের তান্ডব' যা ঘটায়েছে খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়ার বিচারের জন্য '১ ঘন্টার তান্ডব'ই যথেস্ট; শুধুমাত্র এসএসসি পরীক্ষা সময় মতো না হতে দেয়ার জন্য উনার ভয়ংকর শাস্তি হবে।
শাস্তি হওয়া আইনের ব্যাপার; তবে, আইনের প্রয়োগ আমাদের রাজনীতির জন্য এখন জরুরী; ১৯৭৫ সালে, জিয়া স্বাধীনদেশের শাসন ব্যবস্হাকে পদদলিত করে, সামরিক ডিক্টেটরশীপ চালু করে, রাজনীতিকে বিপথে নিয়ে যায়; সেই সময়ে, স্বাধীনতা-বিরোধী-যুদ্ধে অংশ নেয়া জন গোস্ঠীকে রাজনীতিতে নিয়ে আসেন; একই সময়ে, যারা স্বাধীনতা চায়নি, তাদের নিয়ে তিনি রাজনৈতিক দল গঠন করেন, যা ছিল অপরাজনীতির শুরু।
আজ বাংলাদেশে অপরাজনীতিই রাজনীতির স্হান দখল করেছে; এখান থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে দাঁড়ানোর দরকার; অপরাজনীতি এখন সমাজে গ্রহনযোগ্যতা পেয়েছে; একে সমুলে বদলাতে হবে, ফিরে যেতে হবে সুস্হ রাজনীতিতে।
এ সংগ্রাম হবে সাংস্কৃতিক আন্দোলন থেকে কঠিন; কারণ, বর্তমান অবস্হাকেই 'রাজনীতি' হিসেবে প্রতিস্ঠিত করেছে জিয়াউর রহমানের সামরিক পার্টি। এই পার্টির বর্তমান নায়কেরা রাজনীতির নামে ৪০ বছর অপরাধ করে আসছে; তাদের সর্বশেষ বড় অপরাধ হলো '৯১ দিনের তান্ডব'; প্রায় সমভাবের রাজনীতি করে এসেছে আওয়ামী লীগ। কিন্ত আওয়ামী লীগ এখন ক্ষমটায় ও মোটামুটি খালেদা জিয়ার পার্টির ধরা চোঁয়ার বাহিরে; এখনই উপযুক্ত সময় আওয়ামী লীগের নিজকে বদলানোর ও খালেদা জিয়াকে সঠিক শাস্তি দিয়ে রাজনীতির ডিরেকশন বদলানোর।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জুন, ২০১৫ রাত ৮:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




