somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অবশেষে চীনই রোহিংগা সমস্যা সমাধানের পথ বের করছে

২১ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



মনে হচ্ছে, রোহিংগা সমস্যার সঠিক সমাধানের কথা চীনই বলছে; আসেম সন্মেলনে, চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিংগা সমস্যা স্হায়ীভাবে সমাধানের পক্ষে কথা বলেছেন। তিনি প্রস্তাব করেছেন যে, রাখাইনে প্রথম দরকার অস্ত্র বিরতী, যাতে কোন প্রকার হিংসাত্মক আক্রমণ পুনরায় না হয়; এরপর, বাংলাদেশ থেকে রোহিংগাদের ফিরায়ে নেয়া; এবং দারিদ্রতা দুরী-করণের মাধ্যমে সমস্যার স্হায়ী সমাধান করা। উনার কথায় ২টি বিষয় অপরিস্কার রয়ে গেছে!

একটি অপরিস্কার বিষয় হলো, রোহিংগাদের নাগরিকত্বের কি হবে? তারা যখন পুনরায় ফিরে যাবে, তখন থেকে কি তারা সেই দেশের নাগরিক হিসেবে গণ্য হবে? অন্য বিষয়টি হলো, অস্ত্র-বিরতি; এখানে পরিস্কার নয়, অস্ত্র কার হাতে আছে? এতে কি স্হানীয় রাখাইন ভিক্ষুদের ও আরসাকে বুঝানো হয়েছে, নাকি সব রোহিংগাদের যোগ করা হয়েছে? রোহিংগাদের কাছে কোন অস্ত্র নেই; যা সামান্য অস্ত্র থাকলে থাকতে পারে আরসার সদস্যদের হাতে। চীন চাইলে, আরসাকে ১ দিনের মাঝে রাখাইন ত্যাগ করতে হবে। কিছুটা সমস্যা হবে রাখাইন ভিক্ষুদের নিয়ে; তারা মানসিকভাবে কখনো রোহিংগাদের মেনে নেবে না; এসব ভিক্ষুদের কোন এক এলাকায় সরিয়ে নিতে হবে; কিংবা রোহিংগাদের সরিয়ে নিতে হবে।

আসলে চীন রোহিংগাদের মুল সমস্যার কথা বলেছে, রোহিংগারা দরিদ্র; এই এলাকায় দারিদ্রতা দুরীকরণে চীনাদের থেকে বেশী দক্ষ কেহই নয়; চীনারা আসলে বার্মাকে মোটামুটি নিজেদের দেশের মত ব্যবহার করছে: তারা গ্যাস ও তেল তুলছে, রাস্তাঘাট বানাচ্ছে, কলকারখানা গড়ছে, জমি চাষ করছে; তারা চাইলে রোহিংগাদের ২/১ বছরের মাঝে ট্রেনিং দিয়ে দক্ষ শ্রমিককে পরিণত করতে পারবে; শিশু ও কিশোরদের পড়ালেখার ব্যবস্হা করতে পারবে। মনে হয়, রোহিংগাদের কপাল ফিরছে; চীনাদের জন্য ১৫ লাখ রোহিংগা কিছুই না; তারা ১ বছরেই সবাইকে কাজে লাগাতে পারবে।

সর্বশেষ এডিট : ২১ শে নভেম্বর, ২০১৭ সকাল ৯:৫২
৩৫টি মন্তব্য ৩৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সামু একটি ছোট নৌকা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৫



একটা ছোট নৌকা, পাল তুলে, পাড়ি দিচ্ছে -
অন্তহীন তারার রাস্তা পেরিয়ে।
পেরোচ্ছে গ্রহ, ধূমকেতু, ছুটন্ত আগুনের টুকরো,
দূরে কোথাও ধাক্কা লাগে, তারপর শব্দটা মিলিয়ে যায়।
ধীরে, খুব ধীরে এগোয় নৌকা;
তবু এগোয়।

নৌকায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগে ১০ টি বছর পার করলাম

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:০২



ব্লগে ১০ বছর পার করে দিলাম। কত সময় কেটে গেছে এখানে, কত পরিচিত মুখ রয়ে গেছে এখানে। তবুও ভালোবাসার বন্ধন যেন শেষ না হয়।

যে কবিতাটা দিয়ে ব্লগিং শুরু করেছিলাম... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিন্নাহকে জানতে হলে পাকিস্তান আন্দোলনের ইতিহাস জানতে হবে। পর্ব-১

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৩



পাকিস্তান সৃষ্টির বছরখানেক আগে ১৯৪৬ সালে বোম্বে শহরের দুই নামকরা পার্সি ডাক্তার বুঝতে পেরেছিলেন যে ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ এবং আইনজীবী মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর আয়ু আর বেশিদিন নেই। ডা.... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবির কথা আমার মুভি উতল অপেক্ষা

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৫



আজ একটা নতুন খবর ভাগ করে নেই সবার সাথে। অনেক দিন থেকেই ভাবছিলাম, নিজের গল্প দিয়ে যদি নাটক বা সিনেমা করা যেত। পরিচিত যারা কাজ করেন তেমন দু একজনের সাথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ ডিসেম্বর ১০-১৬: বিশ্ব বাংলাদেশকে নিয়ে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ছিল

লিখেছেন কলাবাগান১, ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:১১


লিখা টির ইতিহাস ভিত্তিক ইনফো এআই থেকে সংগৃহীত

আমরা সবাই জানি যে ১৯৭১ সনের ১৬ই ডিসেম্বর বিকেলে পাকিস্হান হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পন করে মিত্রবাহিনীর কাছে। কিন্তু আমরা অনেকেই হয়তো জানি না,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×