
জার্মানী:
আয়তন: ৩৫৭,০০০ বর্গ কিলোমিটার, লোক সংখ্যা: ৮ কোটী ৬ লাখ, মাথাপিছু আয়: ৫০ হাজার ডলার, জিডিপি: ৪.২ ট্রিলিয়ন ডলার
বাংলাদেশ:
আয়তন: ১,৪৮৪৬০ বর্গ কিলোমিটার, লোক সংখ্যা: ১৭ কোটী , মাথাপিছু আয়: ১১ শত ডলার, জিডিপি: ৫০০ বিলিয়ন ডলার (?)
জার্মানদের স্মরণকালের বড় নেতা হচ্ছেন, হিটলার; উনি ২য় বিশ্বযুদ্ধের জন্য প্রসিদ্ধ; ২য় বিশ্বযুদ্ধে ৭০ লাখ জার্মান প্রাণ হরায়েছে, ৯০ লাখের কাছাকাছি যুদ্ধবন্দী ছিল; যারা যুদ্ধবন্দী নিয়েছিল, তারা যুদ্ধের পর, বন্দীদের খাবার যোগাতে পারেনি ঠিক মতো। জার্মানীকে ২ ভাগ করা হয়েছিল; ৪৫ বছর পর, ১৯৯০ সালে ওরা আবার এক জাতিতে পরিণত হয়েছে।
সিরিয়া যুদ্ধের ১ মিলিয়ন রিফিউজি এখন জার্মানীতে আছে; দেশের বৃহৎ অংশের অমত ও পুরো ইউরোপের মতের বিপক্ষে গিয়ে জার্মান চেন্চেলর মারকেল রিফিউজীদের নিয়েছে; এখন ক্রমেই সেটা সমস্যায় পরিণত হচ্ছে!
জার্মানদের মাথা বড়, জার্মানরা কোয়ালিটিতে বিশ্ব বিখ্যাত, তারা ইউরোপকে বাঁচিয়েছে ২০০৮ সালের রিসেশন থেকে। তাদের এক রাজনৈতিক গবেষনা ইনষ্টিটিউট বলেছে যে, বাংলাদেশে ডিক্টেটরশীপ চলছে, কথা ঠিক। শেখ হাসিনা জেনারেল জিয়ার অনুসারী।
সামু ব্লগে গত ৩ বছর থেকে বলা হচ্ছে যে, শেখ হাসিনা ডিক্টেটরশীপ চালাচ্ছেন। আসলে, ২০০৯ সাল থেকেই শুনে আসছি যে, ডিক্টেটরশীপ চলছে।
জেনারেল জিয়ার পুরো সময় ছিল ডিক্টেটরশীপ; জেনারেল এরশাদের সময় ছিল ডিক্টেটরশীপ; বেগম জিয়ার সময়, সরকার চালনা করা হয়েছে ঢাকা ক্যানটনমেন্ট থেকে, উহা ডিক্টেটরশীপ। শেখ হাসিনা এরশাদকে কানে ধরে উঠায় বসায়, সেইদিক থেকে উনাকে "ফিল্ড মার্শাল" বলা চলে; জিয়া জীবিত থাকলে, শেখ হাসিনা ১৯৭৫ সালের হত্যাকান্ডের জন্য উনাকে ফাঁসীতে ঝুলাতেন।
যাক, ইউরোপের সবচেয়ে বড় শক্তি বলেছে যে, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের অধপতন হয়েছে, উহা ডিক্টেটরশীপের দিকে যাচ্ছে; তা অবশ্যই। ১৯৭৫ সালে জিয়ার ক্ষমতা দখলের সাথে যা চালু হয়েছে, তা এখনো ভিন্ন ফরমে চলছে; ডিক্টেটরশীপ থেকে বের হওয়া কঠিন।
শেখ হাসিনা যদি ডিক্টেটরশীপ চালায়, জার্মানরা বুঝার আগে বাংগালীরা বুঝার দরকার ছিলো? অবশ্যই ছিলো; এবং বাংগালীরা বুঝেছে; তবে, কিছু করতে পারছে না। জার্মানরা এই তথ্য দেয়ার পর, আগামী ভোটে কি "গণতান্ত্রিক বিএনপি" এই তথ্যকে কাজে লাগিয়ে ভোটে জয়ী হবে? অবশ্যই না। সাধারণ মানুষের কিছু বদলাবে? সম্ভবত: কিছু বদলাবে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
