somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

স্টুডেন্ট বডি, স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন, স্টুডেন্ট ইউনিয়ন

২৭ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমেরিকার প্রতিটি ইউনিভার্সিটি ও কলেজে 'স্টুডেন্ট বডি', 'স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন', 'স্টুডেন্ট ইউনিয়ন' বা এই ধরণের নাম নিয়ে ছাত্রদের অর্গেনাইজেশন আছে; এদের মুল দায়িত্ব হলো, ছাত্রদের সমস্যা সমাধানে ইউনিভার্সিটির অথারিটির সাথে কাজ করা, ছাত্রদের অধিকার রক্ষা, ছাত্রদের ওয়ার্ক-পার্মিট, ছাত্রদের হেলথ ইনস্যুরেন্স ইত্যাদি নিয়ে কাজ করা, বিবিধ অনুষ্ঠান করা।

নিউইয়র্কে, আমি দেখেছি, ওদের সবচেয় দরকারী কাজ হলো "ফ্রি টিউটরিং দেয়া"; ভেবে দেখেন, ঘন্টায় ৪০ ডলার দিতে হয় একজন প্রাইভেট ক্যালকুলাস টিউটরকে, সেখানে "ফ্রি ক্যালকুলাস টিউটরিং" পাচ্ছে ছাত্ররা। ১ম জেনারেশনের বাংগালী পরিবার ঘন্টায় বাচ্চাকে ৪০ ডলার দিয়ে পড়াতে পারতো?

আমাদের 'ডাকসু'র ফলে আমান উল্লাহ আমানদের সৃষ্টি হয়েছে; বিএনপি'র আমলে, প্রমোশানের জন্য আমান উল্লাহ আমানের বাসায় মিষ্টি নিয়ে যেতেন আমাদের ঢাকা ও অন্য ইউনিভার্সিটির 'প্রফেসরেরা' । ডাকসু রবের মতো ব্যর্থ রাজনীতিবিদ বানায়েছে, আমান উল্লাহ আমানের মতো ডাকাত তৈরি করেছে।

নিউইয়র্কের অনেক কলেজ ও ইউনিভার্সিটিতে, ষ্টুডেন্ট বডির বেশীভাগ গুরুত্ব পদে আছে বাংগালী ছাত্ররা; কারণ কি? প্রধান কারণ হলো, এরা এটাকে "এক্সট্রা একটিভিটি" হিসেবে দেখায়ে অনেক সুবিধা পায় ও চাকুরী পেতে এগুলো বিশালভাবে সাহায্য করে; সেজন্য বাংগালীরা এগুলোতে থাকার চেষ্টা করে। সাদা আমেরিকান বাচ্চারা এগুলোর জন্য তেমন সময় দিতে পারে না।

ডাকসু'র পদে যারা ছিলো, এরা সবাই মাফিয়ার মতো আচরণ করেছে; এরা ডাকসু'কে রাজনৈতিক প্লাটফরমে পরিণত করেছিল; ডাকসুর লোকেরা মধুর কেন্টেনে বিনা পয়সায় খেতো সব সময়; রবের কাছে মধুর কেন্টিন প্রায় ৪০ হাজার টাকা পাবে আজো; আমার উল্লাহ আমান প্রায় ১ লাখ টাকার পরিমাণ ফ্রি খাবার খেয়েছে ততকালীন সময়ে।

ডাকসু'কে ষ্টুডেট বডিতে পরিণত করার দরকার, অথবা উহা বন্ধ করার দরকার; গত ২৯ বছর উহা ছিলো না, সেটা ছিলো ভালো সময়; বাংগালী ছাত্ররা এখন পড়ালেখা করে না; ডাকসু'র লোকেরা ইহাকে রাজনৈতিক প্লাটফরম হিসেবে ব্যবহার করছে, এতে ছাত্রদের জন্য খারাপ উদাহরণের সৃষ্টি হচ্ছে, ও পড়ালেখার ক্ষতি হচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে মে, ২০১৯ রাত ১০:১৬
২০টি মন্তব্য ২০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

টুকরো টুকরো সাদা মিথ্যা- ৯৮

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৬ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:১৬




অনেক বছর আগের কথা।
কত বছর আগের কথা(?) তা আর আজ মনে নেই। তবে কোনো মানুষ'ই অতীতের কথা পুরোপুরি ভুলে যেতে পারে না। হুটহাট করে কিছুটা মনে পড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

@এপিটাফ

লিখেছেন , ১৭ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৮:১২

@এপিটাফ


সব মায়ার বাঁধন ছিন্ন করে কষ্টের ডিঙি বেয়ে সমুদ্দুর,
তোমার থেকে দূরে গিয়ে পরখ করবো মমত্ব কতদূর !

আজ নির্ঘুম রাত্রিতে পাহারা দেয় দীর্ঘশ্বাসের নোনাজল,
এই বুকের ভিটায় আদিম নৃত্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহনীয় রমণীয় প্যারিস (পর্ব ২)

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ১৭ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৮



১ম পর্বের লিঙ্কview this link


আমি আজ পর্যন্ত যতগুলো নগরী দেখেছি, তার মধ্যে প্যারিসকে মনে হয়েছে সবচেয়ে রুপবতী। সত্যিকারের প্রেমে পরার মতোই একটা নগরী। ভেবে দেখলাম, এতোটা সাদামাটা আর ম্যাড়মেড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাময়িক পোষ্ট

লিখেছেন জুন, ১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:১৭

সামুতে এখন ৩৯ জন ব্লগার। কতদিন, কতদিন পর এত লোকজন দেখে কি যে ভালোলাগছে বলার নয় :)

...বাকিটুকু পড়ুন

কিছুই পড়েনা মনে আর , শালা !

লিখেছেন আহমেদ জী এস, ১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৬



কিছুই পড়েনা মনে আর , শালা !
একদিন যে, এই পথে হেটেছি অনেক,
দেখেছি কিছু ঘর-বাড়ী, বাগান-সড়ক,
ঝুলে থাকা বারান্দার গরাদে তিথীর ব্রা
কিছু কায়া , কিছু ছায়া সবই ছাড়া ছাড়া,
বেওয়ারিশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×