
জাতি নিজস্ব আগাছার চাপে ত্রাহি অবস্হায় আছে; এরপর, কোথা থেকে অন্যদের আবর্জনা জাতীর ঘাঁড়ে এসে পড়ছে: কক্সবাজারের রোহিংগা ক্যাম্পগুলোর অশিক্ষিত বেকার রোহিংগা তরুণ ও কিশোরদের মাঝে এখন নাকি ARSA জ্বর উঠেছে! ARSA হচ্ছে, আরাকান রোহিংগা সলভেশান আর্মি; এরা পাকিস্তানী তালেনবানদের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত করাচীর অস্ত্রধারী কিছু রোহিংগা জংগী, এরা আরাকান বিজয় করে, নতুন দেশ করবে রোহিংগাদের জন্য! ২০১৭ সালে, এরা আরাকানের পুলিশদের উপর আক্রমণ চালিয়ে ১২ জনকে হত্যা করেছে, নিজেরা মরেছে ৭০ জনের বেশী। আক্রমনের ফলে, ৪/৫ হাজারের মতো রোহিংগা নিহত হয়েছে বার্মার মিলিটারী ও স্হানীর বৌদ্ধ ভিক্ষুদের হাতে, সব রোহিংগা গ্রাম নিশ্চিহ্ন, ৮ লাখ শরণার্থী হয়ে বাংলাদেশে ঢুকেছে; ভেতরে যেই ৩/৪ লাখ রোহিংগা আছে, সেগুলোও নিহত হবে ওখানে, অথবা বাংলাদেশে এসে ঢুকবে!
এখন, মনে হচ্ছে, বাংলাদেশের জংগী, তালেবান প্রকৃতির লোকদের সহায়তা নিয়ে করাচীর ARSA'এর লোকজন কক্সবাজারে ঢুকে গেছে! ক্যাম্পে অলস বসে থাকা তরুণ ও কিশোরদের মাঝে স্বাধীনতার নামে জংগীবাদ ছড়াচ্ছে! তালেবান ইত্যাদি বর্তমান আফগানিস্তান ও পাকিস্তানকে দোজখে পরিণত করেছে; এদের কোন জীবন নেই, বাকী মানুষদের জীবনকে দোজখে পরিণত করে আসছে এরা।
অনেক তরুণ, কিশোর স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করার রংগীন স্বপ্ন দেখে; কিন্তু এগুলো সম্পর্কে শিক্ষিত তরুণদের ধারণাও ছাগলের বাচ্ছার মতো। যুদ্ধ সম্পর্কে জ্ঞান থাকে সামরিক লোকদের, এই ব্যাপারে সাধারণ মানুষের কোন ধারণা থাকার কথা নয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাড়ে ৭ কোটীর মাঝে মাত্র ১ লাখের কাছাকাছি মানুষ স্বাধীনতা যু্দ্ধে অংশ নিয়েছিলেন; তাও সম্ভব হয়েছে ১৫/১৬ হাজার ইপিআর যোদ্ধা, সামান্য বেংগল রেজিমেন্ট ও শ'খানেক বেংগল রেজিমেন্টের অফিসার থাকার ফলে। বাংগালীদের সাফল্যের মুলে ছিলো ৫৬ হাজার বর্গ মাইলের ৬ কোটী মানুষের জীবনমরণ সাপোর্ট ও যুদ্ধের মনোভাব।
আরাকানে রোহিংগাদের কোন ভুমি নেই, কোন এলাকা নেই; যারা ভেতরে আছে, তারা মিলিটারীর রাইফেলের আগায় আছে; ওরা বেঁচে আছে, কারণ ওদের হাতে দা, ছুরিও নেই। যেই মাত্র কেহ অস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করবে, স্হানীয় রাখাইনরাই ওদের হত্যা করবে। বার্মার মিলিটারী বিশাল, ওদের হেলিকপ্টার থেকে ওরা যাকে ইচ্ছা তাকে হত্যা করার মতো শক্তিশালী।
গেরিলা যুদ্ধের জন্য দরকার তীক্ষ বুদ্ধি, অসীম সাহস, ধৈয্য ও দক্ষতা; রোহিংগারা পেছনে-পড়া জন গোষ্ঠী, এদের কোন গুণ নেই, এরা ভেঁড়ার পাল, এদের সাধারণ বুদ্ধির ঘাটতি আছে।
ARSA মারসা বাংলাদেশের ভেতরে আরো তালেবানী জীবাণু ছড়াবে, শেষে একদিন বাংলাদেশের মানুষ ধৈয্য হারাবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৩:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




