
আফগানরা কি বুঝতেছে যে, "সব তালেবান" আফগান নয়; এদের অর্ধেকের কাছাকাছি হতে পারে পাকিস্তানী, কাশ্মীরী, চেসনিয়ান, উজবেক, ইরানী ও ইয়েমেনী জংগী; ২/১ হাজার বাংগালীও পাওয়া যেতে পারে; আলকায়েদা থেকে শুরু করে লস্কর, মস্কর মিলাে ২২টি জংগী সংস্হা তালেবানদের দলে আছে।
আফগানরা অস্ত্র হাতে নিলে, তালেবনারা এভাবে দেশ দখল করতে পারতো না; ওরা কিছু অন্চল দখল করার পর থেমে যেতো; ওরা অশিক্ষিত ও কমবুদ্ধিমান জংগী; অবশেষে তালেবনারা পরাজিত হতো।
তালেবানদের সংখ্যা ৭০/৭২ হাজার; দেশের তাদের সমর্থক দেড়কোটীর মতো; তালেবান-বিরোধী মানুষেৃ সংখ্যা ১ কোটীর থেকে বেশী; অনেকেই আমেরিকা-বিরোধী হওয়াতে, মনে হচ্ছে যে, পুরো আফগানিস্তানই তালেবান। তালেবান-বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ নয়, তারা যুদ্ধ করার ট্রেনিং পায়নি; তবে, প্রায় সব আফগানই অস্ত্রের ব্যবহার জানে।
আফগানদের পেছনে পাকিস্তান ও ইরান আছে; নতুন করে ওদের পেছনে দাঁড়ায়েছে চীন ও রাশিয়া; স্হানীয় তালেবানরা বিবিধ গোত্রের মানুষ, ওদের মাঝে ঐক্যের জন্য কোন তত্ব নেই; ওদের একটা তত্ব, এরা গুহাবাসী জংগী। চাীন ও রাশিয়া নিয়ে এদের ভেতর ঐক্য থাকবে না; তালেবানদের বড় অংশ উইগুরদের জন্য যু্দ্ধ করতে প্রস্তুত। আবার রাশিয়া যেই আশা নিয়ে তালেবানদের সাহায্য করছে, তা'হলো চেসনিয়া ও আমেরিকান বিরোধীতা; চেসনিয়া নিয়ে রাশিয়ানরা তালেবানদের সমর্থন পাবে না; তালেবানদের দলে, অনেক চেসনিয়ান আছে।
আগানদের ভুল, অশিক্ষা ও নির্বুদ্ধিতার কারণে এই সমস্যার শুরু হয়েছে ১৯৭৩ সালে; ইহা ক্রমেই খারাপ হয়ে ১৯৯৭ সালে পাকী ষড়যন্ত্রের ফলে তালেবানদের হাতে চলে যায়; লাখ লাখ মানুষের প্রাণ গেছে, জীবন হয়ে গেছে গুহা মানবের কাছাকাছি; সমানের দিন গুলোতে কি হবে, বুঝা যাবে ২/১ মাস পর।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে আগস্ট, ২০২১ সকাল ১১:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


