
কয়েক লাখ আফগান এয়ারপোর্টের দিকে আসতে চাচ্ছে, তালেবান, আলকায়েদা ও আইএস'এর বাধার কারণে ও ভয়ে আসতে পারছে না; যারা আমেরিকানদের সাথে চাকুরী করেছে, তাদের বড় অংশ কাবুল শহর ছেড়ে দুর গ্রাম ইত্যাদিতে পালিয়ে যাচ্ছে। আজ অবধি আমেরিকা ৬০ হাজারের মতো মানুষকে বিমানযোগে আফগানিস্তানের বাহিরে এনেছে; ৩১ তারিখ অবধি আরো ১ লাখের বেশী মানুষকে আনার মতো ব্যবস্হা আছে; কিন্তু এত বেশী মানুষকে আনলে এদের দায়িত্ব কারা নেবে?
কমপক্ষে ১ কোটীর বেশী আফগান পালিয়ে আমেরিকা আসতে আগ্রহী; যারা এয়ারপোর্টে আসতে পেরেছিলো, তাদের একাংশ পালিয়ে যাবার সুযোগ পেয়েছে, বাকীরা সেই সুযোগ পাবে না; কিন্তু এদেরকে সাময়িককভাবে হলেও রক্ষা করার কোন সুযোগ ছিলো কিনা?
মানুষ প্রাণ ভয়ে পালাতে চায়, এয়ার পোর্টের চারিদিকে অপেক্ষামান নরনারীরা তাদের ছেলেমেয়েদের প্রাণ রক্ষার জন্য আবেদন জানাচ্ছে আমেরিকান সৈনিকদের কাছে; কিন্তু সৈনিকদের তেমন কোন ক্ষমতা দেয়া হয়নি; তাদেরকে না আনাও অমানুষিক, আবার আমেরিকা এত মানুষকে কেন আনবে, সেটাও একটা প্রশ্ন। তাদের জীবনের নিরপত্তার জন্য আমেরিকা কি করতে পারতো?
আমেরিকা কাবুল প্রদেশ ও নাংগারার প্রদেশ দখলে রেখে, ষেখানে এসব আফগানদের জন্য ছোট একটা দেশ করতে পারতো; তালেবান-বিরোধী আফগানদের এখানে নিয়ে এসে একটি আলাদা দেশের পত্তন করা যেতো; দেশে চিহ্নিত তালেবনা-বিরোধী মানুষের সংখ্যা ২০ লাখের কম; তালেবানরা এদের সবাইকে প্রাণে মারবে না, কিন্তু এদের থেকে সবকিছু কেড়ে নেবে, এদের পরিবারের পুরুষেরা পালিয়ে পাকিস্তান, তুরস্ক, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান চলে যাবে; সামান্য কিছু অস্ত্র ধরবে, আমেরিকান সাহায্যের জন্য বসে থাকবে; কিন্তু বাইডেন সরকার এদের সাহায্য করার চেষ্টা করবে না। তদুপরি, করোনার কারণে এরা ইউরোপ থেকেও কোন সাহায্য পাবে না; এরা নর্দাণ এলায়েন্সের মতো পঁচে মরবে, এদের পরিবারগুলো দোযখে বাস করবে।
একটা সাময়িক সমাধান হতো, কাবুল প্রদেশ ও নাংগারের প্রদেশ নিয়ে একটি নতুন দেশ করা।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১২:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


