somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আফগানিস্তানের ভেতরে আরেকটি ছোট দেশ করার দরকার ছিলো।

২৬ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১২:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



কয়েক লাখ আফগান এয়ারপোর্টের দিকে আসতে চাচ্ছে, তালেবান, আলকায়েদা ও আইএস'এর বাধার কারণে ও ভয়ে আসতে পারছে না; যারা আমেরিকানদের সাথে চাকুরী করেছে, তাদের বড় অংশ কাবুল শহর ছেড়ে দুর গ্রাম ইত্যাদিতে পালিয়ে যাচ্ছে। আজ অবধি আমেরিকা ৬০ হাজারের মতো মানুষকে বিমানযোগে আফগানিস্তানের বাহিরে এনেছে; ৩১ তারিখ অবধি আরো ১ লাখের বেশী মানুষকে আনার মতো ব্যবস্হা আছে; কিন্তু এত বেশী মানুষকে আনলে এদের দায়িত্ব কারা নেবে?

কমপক্ষে ১ কোটীর বেশী আফগান পালিয়ে আমেরিকা আসতে আগ্রহী; যারা এয়ারপোর্টে আসতে পেরেছিলো, তাদের একাংশ পালিয়ে যাবার সুযোগ পেয়েছে, বাকীরা সেই সুযোগ পাবে না; কিন্তু এদেরকে সাময়িককভাবে হলেও রক্ষা করার কোন সুযোগ ছিলো কিনা?

মানুষ প্রাণ ভয়ে পালাতে চায়, এয়ার পোর্টের চারিদিকে অপেক্ষামান নরনারীরা তাদের ছেলেমেয়েদের প্রাণ রক্ষার জন্য আবেদন জানাচ্ছে আমেরিকান সৈনিকদের কাছে; কিন্তু সৈনিকদের তেমন কোন ক্ষমতা দেয়া হয়নি; তাদেরকে না আনাও অমানুষিক, আবার আমেরিকা এত মানুষকে কেন আনবে, সেটাও একটা প্রশ্ন। তাদের জীবনের নিরপত্তার জন্য আমেরিকা কি করতে পারতো?

আমেরিকা কাবুল প্রদেশ ও নাংগারার প্রদেশ দখলে রেখে, ষেখানে এসব আফগানদের জন্য ছোট একটা দেশ করতে পারতো; তালেবান-বিরোধী আফগানদের এখানে নিয়ে এসে একটি আলাদা দেশের পত্তন করা যেতো; দেশে চিহ্নিত তালেবনা-বিরোধী মানুষের সংখ্যা ২০ লাখের কম; তালেবানরা এদের সবাইকে প্রাণে মারবে না, কিন্তু এদের থেকে সবকিছু কেড়ে নেবে, এদের পরিবারের পুরুষেরা পালিয়ে পাকিস্তান, তুরস্ক, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান চলে যাবে; সামান্য কিছু অস্ত্র ধরবে, আমেরিকান সাহায্যের জন্য বসে থাকবে; কিন্তু বাইডেন সরকার এদের সাহায্য করার চেষ্টা করবে না। তদুপরি, করোনার কারণে এরা ইউরোপ থেকেও কোন সাহায্য পাবে না; এরা নর্দাণ এলায়েন্সের মতো পঁচে মরবে, এদের পরিবারগুলো দোযখে বাস করবে।

একটা সাময়িক সমাধান হতো, কাবুল প্রদেশ ও নাংগারের প্রদেশ নিয়ে একটি নতুন দেশ করা।





সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে আগস্ট, ২০২১ রাত ১২:৩৫
২০টি মন্তব্য ২০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নিউইয়র্কের ডায়েরী ২: এভাবেই জীবন কেটে যাচ্ছে জীবনের নিয়মে

লিখেছেন কাছের-মানুষ, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৩৯


লং আইল্যান্ডের একটি রাসবেরি ফার্মে গত সপ্তাহে

এক লোক একটা মাছি মারার জন্য পেপার গোল করে তাড়া করছে। মাছিটি উড়ে গিয়ে দেয়ালে বসল। লোকটা যেই মারতে যাবে, মাছিটি হাতজোড় করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হোমিওপ্যাথি হচ্ছে একটি ধাপ্পাবাজ কিবিরাজি চিকিৎসা পদ্ধতি এর বৈজ্ঞানিক কোন ভিত্তি নেই

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১:০৪



হোমিওপ্যাথি যে একটি ভাঁতাবাজি চিকিৎসা পদ্ধতি তা আমি আগেও জানতাম কিন্তু আমি কখনো এর বিরুদ্ধে কথা বলিনি বা কোথাও কিছু লিখিনি- তবে আজ কি মনে করে চ্যাটজিপিটির কাছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছোট গল্পঃ ভ্রম

লিখেছেন সামিয়া, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৩



চোখ বন্ধ করলেই আমি ধোঁয়া দেখি। ঘন, ধূসর ধোঁয়া। যেন কেউ ভেজা কাঠ জ্বালিয়েছে। তার সঙ্গে মিশে থাকে পোড়া কাপড়ের গন্ধ। কখনও মনে হয় প্লাস্টিক, কখনও মনে হয় পুরোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড় আমি ভালোবাসি

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩

পাহাড় আমি ভালোবাসি
...........................................



চললাম তবে তোমার সাথে,
হাতটি রেখে হাত বাড়াতে।
পিছুটানের বাঁধন ছিঁড়ে,
হারাবো ওই মেঘের ভিড়ে।

পাহাড় চূড়ায় রোদের হাসি,
শুনছো ! তোমায় ভালোবাসি।
চলবে নদী আপন বেগে,
নতুন কোনো আশার মেঘে।

ইচ্ছেগুলো পাক না ডানা,
আজকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

পৃথিবীতে শ্রেষ্ঠ সম্পদ কি?

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২১



এই মুহুর্তে আমি গাজীপুর যাচ্ছি।
সময় সকাল দশটা। রবিবার। রাস্তায় জ্যাম যেতে অনেক সময় লাগবে। লাগুক। সমস্যা নেই, হাতে অনেক সময় আছে। আজ আমার কোনো কাজ নেই। বউ বাচ্চা বাসায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×