সবাই খুশিমনে হাসপাতাল থেকে আমাকে বাসায় নিয়ে আসল।অনেক দিন বিরতি আর অসুস্থতার জন্য মায়ের বুকে দুধ ছিলনা, আমি কোটার দুধ খেয়েই বড় হতে থাকলাম।
ছয় মাসে আমি শক্ত অসুখে পরলাম, ডাক্তাররা কোনো অসুখ খুজে পায়না, এদিকে আমার অবস্থা এখন যায় তখন যায়।মা বাবাকে বললো, আমাকে গ্রামেই নিয়ে চল, আমার বাচ্চা ওখানে গিয়ে মারা যাক।আমাকে নিয়ে দাদী আর মা রওনা দিল গ্রামের দিকে, সারাটা রাস্তা দুজনে চোখের পানি মুছে আর একটু পর পর বুঝতে চেষ্টা করে আমি কি বেচে আছি! নানীর বাসায় নিয়ে যাবার পর নানী বলল জীনের আছর! কিছুদিন থাকার পর আমি সুস্থ হয়ে ফিরে আস্লাম।গ্রামের সবাই দেখতে এসেছিল সাত মাসের বাচ্চা –একদম পিচ্চি বাচ্চা! তখন কেউ খেয়াল করেনি এ বাচ্চা জন্ম নিয়েছে সবাইকে অনেক কষ্ট দিতে আর নিজে বেদনায় সিক্ত হয়ে নিথর হতে!
ফিরে আসলাম আমি শহরে বাবার কাছে, আমি বাবার খুব আদরের, সারাদিন কাজ শেষে ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফিরে আমাকে নিয়ে খেলতে বসে যেত রাজ্যের গল্প করতে যেন আমি সব বুঝি!সাত মাসেই আমার মুখে বুলি ফুটে গেল।এগার মাসে হাটতে শুরু করলাম। সব জায়গাই অকাল্পক্কতা দেখানোর সুযোগ যেন হাতছাড়া না হয় তার নিরন্তর প্রচেষ্টায় আমি লেগে রইলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


