কাপা হাতে সিগারেটটি চেপে ধরে আছি। সামনে তাকিয়ে কি দেখছিলাম মনে করতে পারছি না। কোন কিছুর দিকে এক দৃষ্টি তে তাকিয়ে থেকেও ঝাপসা দেখা সম্ভব এই প্রথম খেয়াল করলাম! সিগারেটের ধোয়াটাও যেন মাঝে মাঝে দৃষ্টি ঝাপসা করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
হঠাতই যেন সবকিছু বদলাতে শুরু করল। হয়ত আগেও পরিবেশ টা এমনই ছিল, কেয়ার করি নি। টিউশনি থেকে সরাসরি বাড়িই । কিন্তু এখন সময় কাটে ঠিক এই জায়গাটাতে। আশে পাশের গাছগুলোও হয়ত আমাকে দেখতে দেখতে ক্লান্ত।
কি জানি...... ঠিক সামনের বাড়ি টার দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। আবার মনোযোগ দেয়ার চেষ্টা করি। হঠাত জানলা খুললে যদি তাকে দেখা যায়! খারাপ লাগা আরো বেড়ে যায়। মনে হয় তাকে না দেখলেই বরং ভাল হত,এমন চিন্তা আসে। তবুও দিনের পর দিন বসে থাকি...... বাসায় ফিরলেও হাজার চিন্তা উকি দেয়
তাকে ঘিরে। কল্পনায় কত রূপেই না আস তুমি! তখন মনে হয় তুমি যদি কল্পনায় না আসতে তাহলেই বোধহয় ভাল হত। তবুও তুমি আস, বারবার... কল্পনায়। কল্পনা গুলো যে বড্ড বেয়াড়া।
মাঝে মাঝে চোখে চোখ পরে। ভাবতে ভাল লাগে হয়ত তুমি একদিন বলবে, কেন এভাবে তাকিয়ে থাক? আর গতকাল আসনি কেন বাসার সামনে? তখন আমি শূধুই হাসব। রাগে তোমার নাকের ঠিক উপরে দুই এক বিন্দু ঘাম জমবে। শীতের রোদ সেগুলোর উপর পরে তোমাকে অপ্সরি করে তুলবে, তুমি হয়ত বুঝতেও পারবে না। হঠাত হীমেল হাওয়ায় এক গুচ্ছ কেশ তোমার মুখ ঢেকে দিয়ে প্রকৃতিকে ঝলসে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করবে যেন! কিন্তু লুকানো রূপের সৌন্দর্য যে বেমানান
ভাবেই ভয়ংকর!
আঙুলে আগুনের আঁচ টের পাচ্ছি। সিগারেট পূড়তে পুড়তে ফিল্টারের কাছে চলে এসেছে। শেষ একটা টান দিয়ে ফেলে দেয়া দরকার, সাথে সম্ভব
হলে সকল অনুভূতিও! ভেতর থেকে নিকোটিনের সাথে সাথে জমে থাকা কস্ট গুলোও বের করে দিতে হবে। শেষ টান টা দেয়া দরকার..........
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে মার্চ, ২০১৫ রাত ৮:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





