১৮/১১/২০০৯
আজ সকালে মনে হয় বৃষ্টি হইছে। শীত শীত ভাব লাগছে। উত্তর কাফরুল হতে স্বর্ণালী চেকপোষ্ট এসে রিকশা নিলাম থার্ড গেট। ওয়ার্কশপে এসে রিকশাকে রাস্তা ক্রশ করতে হয়। একজন আর্মি ট্রাফিক নিজ হাতে সিগনাল চেন্জ করেন। গ্রীণ সিগন্যাল দেওয়ার পর রিকশাগুলো ক্রস করছিল , এমন সময় পোঁ পোঁ সাইরেন বাজিয়ে সাদা পাজেরো টাইপ একটি গাড়ি আসছে। সামনে বাংলাদেশের পতাকা। সাথে পুলিশের গাড়ি। প্রথমে ভাবলাম আর্মির প্রধান কিংবা আর্মির কোন বড় কর্মকর্তা যাচ্ছে। পতাকা দেখে নিশ্চিত হলাম মন্ত্রী ফন্ত্রী হবে।
মূল সড়কে তখন কিন্তু রেড সিগন্যাল । ভিআইপি গাড়িটি তখন রিকশার পাশ দিয়ে ঘেষে চলে গেল। আমার রিকশা তখন রাস্তা ক্রস করে ফেলেছে। দেখলাম সাদা পাজেরো গাড়ির ড্রাইভারের পাশের সীটে বসে আছেন শ্রম ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন।
বুঝলাম যে, আইন সকলের জন্য সমান নয়। এই যে, মন্ত্রীর গাড়ি সিগন্যাল না মেনেই চলে গেল। উনাদের সময়ের মূল্য অনেক। একমুহূর্ত সময় নষ্ট হলে না জানি দেশের কোনো বড় ক্ষতি হয়ে যায়! তারপর আবার উনি প্রধানমন্ত্রীর বেয়াই। ভাবখানা এমন যেন-
প্রধান মন্ত্রীর বেয়াই
কেয়ার করি থোড়াই।
অনেকে বলেন, তিনি নাকি একাত্তরে ছোটখাটো একজন রাজা...... ছিলেন।
থার্ড গেটে এসে ফার্মগেটের উদ্দেশ্যে বাসে উঠলাম। প্রধান মন্ত্রীর কার্যালয় অতিক্রম করার সময় দেখলাম এসএসএফ এর কুত্তাটা শীতে জবুথুবু হয়ে আছে। প্রধানমন্ত্রী ইতালি। তাই ব্যস্ততা কম। সরি, এটাকে কুত্তা বলা বোধহয় ঠিক হয়নি। মোটা তাগড়া শরীর। এদেরকে ডগ না বললে মানায় না।
ফার্মগেট এসে দেখি বেজায় ভিড়। মতিঝিলের বাস ধরবো। গ্রীণওয়ে বাসে উঠে পড়লাম। গুলিস্থান অতিক্রম করছি। আন্ডারপাসগুলোর বাইরের দেয়ালে কবি শামসুর রাহমানের স্বাধীনতা তুমি রবি ঠাকুরের অজর কবিতা চাপা পড়েছে বাংলা সিনেমা বলো না কবুল আর ইংলিশ/চাইনজি মুভি চাই লাই এর পোস্টারের আড়ালে। দেখার কেউ নাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


