গত দুদিন ধরে ফেসবুকে কোটা প্রথার পক্ষে ও বিপক্ষে অনেকের অনেক বক্তব্য পাঠ করলাম যাদের অনেকেই চান কোটা প্রথা থাকুক আবার অনেকেই কোটা প্রথার বিরোধী। যারা কোটা প্রথা উচ্ছেদ করার লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন তাদেরকে অনেকেই জামাত শিবিরের দোসর বলছেন বলার পেছনে যদিও যুক্তি সঙ্গত কারণ রয়েছে। তবে প্রকৃতপক্ষে এই কোটাবিরোধী আন্দোলনে জামাত শিবির যেমন রয়েছে তেমনই রয়েছে অনেকে সাধারণ ছাত্র।
যদি তাদের সবাই জামাত শিবিরেরই হবে তাহলে কি দেশের জামাত শিবিরের বাহিরে কোন মেধাবী নেই, নাকি জামাত শিবিরের বাহিরেও যেসব মেধাবী রয়েছেন তারা জামাত শিবিরের এনে দেওয়া ফল খেতে চাচ্ছেন। এ আন্দোলনে যদি কোটা প্রথা শিথিল হয় তবে লাভ হবে দেশের সকল মেধাবীদেরই।
আমি ব্যক্তিগত ভাবে কোটা প্রথা সম্পূর্ণ উচ্ছেদের পক্ষে নই। তবে এটিকে সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে। বর্তমানে বিসিএস পরীক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ৫৬% কে চাকরী হবে কোটার ভিত্তিতে বাকি ৪৪% এর চাকরি হবে মেধার ভিত্তিতে। সকল কোটা ৫৬% থেকে কমিয়ে ২৫% এর ভেতর রাখতে হবে এবং মেধা ভিত্তিতে ৭৫% শিক্ষার্থীকে সুযোগ দিতে হবে।
আওয়ামীলীগ সরকার সাধারণ ছাত্রদের উপর পুলিশী আক্রমণ চালিয়ে শেষ পর্যায়ে এসে আরো অনেক ভোট হারালো যা তারা কৌশলগত ভাবে হস্তক্ষেপ করলে ভোটের পাল্লা কিছুটা বাড়াতে পারত।
ফেসবুক থেকে আমার এক প্রিয় মানুষের কাছ থেকে নেওয়া

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




