somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইসলামে সুন্নতে খাত্না/মুসলমানির যুক্তিকতা

২২ শে অক্টোবর, ২০১৬ রাত ৯:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমাদের দেশে এবং সারা দুনিয়া জুড়ে মুসলিম পরিবারের ছেলে সন্তানদের একটা অমানুষিক অভিজ্ঞতাআর মদ্যে দিয়া যেতে হয়। যেটা আমরা আমাদের দেশে মুসলমানি বা সুন্নতে খাত্না হিসাবে জানি। সারা পৃথিবী জুড়ে এটা টাহারা (tahara) হিসেবেও পরিচিত যার বাংলা মানে হচ্ছে পাবন বা পরিসুদ্দকরন। কিন্তু আমরা এটা কেন করি? আমরা ভাবি এটা মুসলমান হিসেবে আমাদের জন্য করাটা বাদ্যতামূলক, কারণ আমাদের নবী আমাদের এটা করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে। কিন্তু আসলেই কি তা?

হযরত মুহাম্মাদ কখনই সত্তহীন ভাবে বলে নাই এটা করার জন্য এবং কোরানেও কোথাও বলা নাই এটা করার কথা। বরঞ্চ কোরানে প্রকিতিকে বা শরীরের আকৃতি বিকৃত না করার নির্দেশনা দেয়া আছে (সূরা ৪,১১৯)। কোরানে আরও পরিষ্কার ভাবে বলা আছে, অবশই আমি মানুষকে সুন্দরতম অবয়অবে তৈরি করেছি (সূরা ৯৫, ৪)। তাহলে এই সুন্নতে খাত্না/মুসলমানি কিভাবে আসলো ইসলাম ধর্মে ?

কিছু কিছু হাদিসে এটা পাওয়া যায় যে, হজরত মুহাম্মাদের বাইযেন্তাইন সম্রাজ্জ থেকে পাওয়া একটা পত্রতে তাকে সুন্নৎ করা মানুষদের নেতা হিসেবে উল্লেখ করার কথা। কিন্তু এটাকে কি নির্দেশনা হিসেবে নেয়া যায়? বরঞ্চ এটাকে আমরা একটা সাংস্কৃতিক ধারা হিসেবে নিতে পারি ওইসময়ের মানুষদের জন্য। আবও কিছু কিছু হাদিসে এটাকে ফিতরা হিসেবে বলা আছে , আবার অনেক হাদিসে এটার কোন উল্লেখও নেই । কাজেই আমরা এখানে একটা স্ববিরদিতা দেখতে পাই। আর যেসকল হাদিসে এটাকে উল্লেখ করা আছে , সেখানে কোথাও এটাকে হযরত মুহাম্মাদের সত্তহীন নির্দেশনা হিসেবে উল্লেখ নেই।

পরিশেষে এটাই বলতে চাই যে, সুন্নতে খাত্না/মুসল্মানি নিয়ে ইসলামের কোথাও পরিষ্কার ভাবে কোন নির্দেশনা দেয়া নাই। কাজেই এটাকে ফরয বা বাধ্যতামুলুক ভাবারও কোন কারণ নাই । কাজেই কেন আমরা এই ছোটো ছোট ছেলে গুলিকে এই আমানুসিক কষ্টের মদ্যে দিয়ে যেতে বাধ্য করব ?
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০১৬ রাত ৯:৩৯
৭টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

তারা ভারতের এই সফট টুলস রবীন্দ্রনাথকে রক্ষা করবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩


কয়েকদিন আগে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জাতীর পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হলো, সেখানে তো গ্রেপ্তার দেখলাম না! সেখানে কি পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবণতির শঙ্কা ছিলো না? পাকিস্তানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

এআই মন্তব্যের পর ব্লগারগণের পোষ্ঠ ভালো বুঝে আসে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২০



চাঁদগাজী/সোনাগাজী বলতেন অনেক ব্লগার গরুর রচনা এবং অনেক ব্লগার গার্বেজ লেখেন। তাঁর এমন মন্তব্যের কারণে তাঁর বিরোধী ব্লগার সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে তিনি বার বার ব্যানের শিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মনে রং নেই আর=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫২


মন তো ছিল গোলাপী রঙ আভায় বন্দি, মন ছিল চন্দ্র মল্লিকা,
মন আর সেই মন নেই, মনের চারিপাশে এক সমুদ্দুর কুহেলিকা;
মন যেন পাথর হয়ে আছে, নেই অফুরন্ত ফুরসত
মন গোলাপী রঙ নয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ, রাজনীতিতে আতঙ্ক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫০


দেশে এখন যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা মধ্য ডানপন্থী রাজনৈতিক দলের মানুষজন । সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে আছেন প্রবীণ নেতা নিতাই চন্দ্র রায়। এই অবস্থায় শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে দেয়ালে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথের ধর্মীয় পরিচয়, গ্রাফিতিতে চুনকালি ও পলিটিক্যাল ইসলাম

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:০৪


রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকজন প্রগতিশীল লেখকের লেখা পড়ে আমি হতাশ ও বিস্মিত হয়েছি। তাঁদের মধ্যে একাধিকজন লিখেছেন, রবীন্দ্রনাথ হিন্দু ছিলেন না, তিনি ছিলেন ব্রাহ্ম।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×