আমার কী এমন ক্ষতি-বৃদ্ধি
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ রাত ৮:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আবহাওয়া কেমন, বাইরে বৃষ্টি পড়ছে না বাতাস বইছে হু হু, তা জেনে আমার কী লাভ, যদি গট গট পা ফেলে দরজা পেরিয়ে গিয়ে খোলা আকাশের নীচে না দাঁড়াই। চেয়ার টেবিলে আটকে থাকতে কখনও আমার খারাপ লাগে না, তাই বলে একটানা এরকম উপাসনার নিমগ্নতায় ল্যাপটপে উবু হয়ে ঝুলে থাকা বৌদ্ধের মূর্তি মূর্তি নির্বাণপ্রাপ্তির চেয়েও প্রাণহীন। নিজেকে প্রবোধ যে দিতে পারছি সবসময় এমন নয়, মনোযোগের বড়শি থেকে টোপটা আলগা হয়ে জলের তলে ডুব মারলে অজুহাত ফর্দ বানিয়ে উঁকি-ঝুঁকি মারা হয়ে যাচ্ছে ব্লগের পাতায় কিংবা খেলার ওয়েবসাইটে। কিন্তু চট-জলদি নিজেকে ধরে-বেঁধে এনে আবার পুরে ফেলতে হচ্ছে ছাপানো কাগজ, বই-পত্র-রিপোর্ট আর নানারকম কাগজি আবর্জনার গুমোট হাজতে। চারপাশে যা যা ঘটবার ঘটে যাচ্ছে আমার বা কারো অপেক্ষা না করেই বরং আমাকেই বঞ্চনার বোধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে ঘটনাগুলো ঘটবার সম্ভাবনা। কানের কাছে পোকা-মাকড়ের ঘিনঘিন বিরক্তিকর শব্দকেও ভাবছি বহুদূরের সানাই কারণ কিছুই তেমন করে স্পর্শ করছে না বা সত্যি করে বললে হবে প্রতিবেশের বিচিত্র ধ্বনির স্রোত এড়িয়ে অন্যজলে ডুব দিয়ে আছি বলে সবকিছু কৃষ্ণগহ্বরে সেধিঁয়ে আছে বলে মনে ভাবছি। বিবিসি' দশটার খবরে টনি ব্লেয়ারের বিরুদ্ধে তরম্নণ লেবার এমপিদের কু্য ঘটানোর অপচেষ্টার সংবাদ দিয়ে যাচ্ছে আর সংবাদপাঠক তার সাথে মিশিয়ে দিচ্ছে অপেক্ষায় থাকতে থাকতে অধৈর্য হয়ে ওঠা গর্ডন ব্রাউনের দীর্ঘশ্বাস। কাতারের সাথে ফুটবলে বাংলাদেশের ফলাফল কী হলো তা না হয় নাই জানলাম, অথবা ইন্ডিয়া কেমন খেললো সৌদিআরবের সাথে কিন্তু সিঙ্গাপুরের কাছে চীন হেরে গেছে সে খবর ঠিকই চলে আসে কানের পর্দায়। লন্ডনে এই ফাঁকে নাকি বিপ্লব হয়ে গেছে আগে যেখানে শুধু মেট্রো, সিটিএএম আর স্ট্যান্ডার্ড লাইট এই তিনটি পত্রিকা ফ্রি পাওয়া যেত সেখানে নাকি আরো তিনেক নতুন পত্রিকা যুক্ত হয়ে ফ্রি পত্রিকার সংখ্যাকে আধ-ডজনে নিয়ে গেছে। নতুন আরো কিছু পত্রিকা লাইন দিয়ে আছে কেন লিভিংস্টোনের সবুজ বাতির আশায়, যদি মিলে যায় তবে তারাও লন্ডনের পথে পথে ফাও ফাও দিয়ে যাবে সেলিব্রিটিদের ঘরকন্না আর দিনযাপনের কেচ্ছাভরা নিউজপ্রিন্ট। বাঁধ ভেঙে পড়লেই বিপ্লব অর্ধেক হয়ে যায় তবুও নতুন করে নানা রকম আওয়াজের বিপ্লব ঘটে যাছে বিচিত্র হুমকি আর হিড়িকে, পাঁচের মধ্যে এক হওয়ার আকাঙ্খায় নাকি ব্লগাররা সব হাবিবযুক্ত নিক নিচ্ছে হুড়মুড় করে।
যার যেমন ইচ্ছে নেচে উঠুক এবং তা ডুগডুগি শুনে বা না শুনেই হোক এসবে আমার কী এমন ক্ষতি-বৃদ্ধি, আমার তো আরো আরো দিন ঝুঁকে পড়ে খুঁটতে হবে অক্ষর আর যতিচিহ্ন।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৫:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সাংবাদিক নারী বা সাংবাদিকতার সাথে সম্পর্কিত পেশায় জড়িত মেয়েরা কি একটু টিপিক্যাল টাইপের হয়??
আমার তো তা-ই মনে হয়! এছাড়া, চিন্তার গভীরতা ওদের একটু কমও মনে হয়েছে আমার...
...বাকিটুকু পড়ুনএতদিন উপমা হিসাবে জেনেছি কারোর চোখ থাকে পটল চেরা, কারোর থাকে বাবুই পাখির বাসার মতন।
এই প্রথম দেখলাম গ্রে'স এলিয়ানের চোখ - এত মায়ায় ভরা।... ...বাকিটুকু পড়ুন
লিখেছেন
ঢাকার লোক, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩৪

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাওন হাওরের বর্গাচাষি আলী আকবর। কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ কৃষিকাজ করি খালি বাঁইচ্যা থাকার লাগি। কোনো লাভ নাই।’ হিসাব কষে বলেন, এখন...
...বাকিটুকু পড়ুন
বাতাসের নিঃশ্বাস, পিঠ ঠেকে যাচেছ
শহরের ধূলি বালির নর্দমার কাছে;
কখন চিৎকার করে বলে ওঠবে-
দূষিত নিঃশ্বাস তোমরা সরে যাও
তোমরাই স্বার্থপুরের রাক্ষস রাক্ষসী;
সাবধান বাতাসের কোটি নিঃশ্বাসগুলো
লজেঞ্জুষ হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে-
খুব আদর করে...
...বাকিটুকু পড়ুন