somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

চেংকু প্যাঁক
নাস্তিকরা বঁদড়ামি করবো আর আমি নিশ্চিন্তে বেহেশতে চইলা যাওয়ার ধান্দা করমু ! কক্ষনো না, বরং আমি এই কুলাংগার গুলারে জাহান্নাম পর্যন্ত ধাওয়া করমু, ওগো লগে জাহান্নামে ঢুকমু, ওগো আগুনের চাপাতি দিয়া কুপামু.......এর পরে আমার কইলজা ঠান্ডা হইবো।

সিকিম স্ট্যান্ডঅফ: ভারতের চায়না ভীতি

০৮ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

চিকেনস নেক বা মুরগীর গলা সবসময়ই দুর্বল, ভারতের দুর্ভাগ্য যে উত্তর-পূর্ব সাতটি রাজ্য (সেভেন সিসটার) যেই শিলিগুরি করিডোরের মাধ্যমে ভারতীয় মূল ভুখন্ডের সাথে যুক্ত তার অবস্থা চিকেন্স নেক এর মত।



বলিউডি সিনেমার স্বপ্নের দেশে বসবাসকারি ভারতীয়রা গলাবাজি আর কুটনামির জোরে দুর্বল প্রতিবেশিগুলির উপর ফাপর নিলেও, ভিতরে ভিতরে তাদের অবস্থা যে নড়বড়ে সম্প্রতি দুটি ঘটনার মাধ্যমে তা বেশ ভাল ভাবে ফুটে উঠেছে। প্রথম ঘটনাটি ছিল পাকিস্তানের উপর চালানো সো কলড সারজক্যাল স্ট্রাইক, প্রথমে যুদ্ধের হুমকি দিলেও পরে তাদের বোধদয় হয় যে সত্যিকারের যুদ্ধে বীরত্ব ফলানোর মত অবস্থায় তারা নেই। বিষয়টা সম্প্রতি আরো পরিষ্কার হল সিকিম নিয়ে চিনের সাথে দড়িটানা খেলার গোমর ফাঁক হওয়ার মাধ্যমে।

ডাকো লা ভ্যালিতে চিনের নিয়ন্ত্রিত ভুমিতে চিনকে রাস্তা বানাতে বাধা দেওয়ার ফলাফল যে এত ভয়াবহ হবে জানলে ইন্ডিয়া কখনই এই কাজ করত না।

প্রথমে লাফালাফি করলেও এখন তারা নিজেই নিজেদের মিডিয়াগুলিকে আরো সতর্ক হওয়ার জন্য উপদেশ দেয়া আরম্ভ করেছে।

Sikkim standoff: Media must advocate futility of war, not play agent provocateur

এক্সপার্টদের মতে চিকেন্স নেক ভারতের জন্য যেভাবে গুরুত্বপূর্ন ঠিক একই কারনে অত্যন্ত দুর্বল একটা যায়গা। উত্তর-পূর্ব সাতটি রাজ্য কয়েকটি রেললাইন, হাইওয়ে এবং পাওয়ার লাইনের মাধ্যমে মূল ভারতীয় ভুখন্ডের সাথে যুক্ত তার সবকয়টিই এই শিলিগুরি করিডোরের কাছাকাছি কয়েকটি নদী অতিক্রম করেছে। চাইনজ মিলিটারির ব্রিজগুলি ধ্বংস করার জন্য এমনকি বিমান বাহিনীও পাঠানোর দরকার নাই, ডিএফ-১৫ এবং ডিএফ-২১ সিরিজের কয়েকটি মিজাইল দিয়েই নিঁখুত ভাবে চিনারা এই কাজটা করতে পারে। ফলাফল সেভেন সিসটার মূল ভারতীয় ভুখন্ড থেকে লম্বা সময়ের জন্য আলাদা হয়ে যাওয়া, যুদ্ধ কালীন পরিস্থতিতে যা খুবই ভয়াবহ।

ভারত যদি বাংলাদেশের ভুখন্ড ব্যবহার করতে চায়, সেইটাও খুব একটা ফলপ্রসু হবে না। কারণ, স্পাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে চিন সেটা সবসময় জানতে পারবে, এবং বাংলাদেশকে ঘিরে ভারতের কিছু ব্রিজ উড়িয়ে দিলে সেইটাও বন্ধ হয়ে যাবে।

ল্যান্ড রুট না থাকলে ভারত চেষ্টা করবে আকাশ পথে রি-ইনফোর্সমেন্ট পাঠাতে। এখানে সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে দাড়াবে চাইনিজ বিমান বাহিনীর ফিফথ জেনারেশন স্টেলথ জংগি বিমান। ফলাফল হবে অত অল্প সময়ে "দেখতে পাওয়া যায় না" এমন শত্রুর হাতে বিশাল পরিমান ক্ষয়ক্ষতি। সেই সাথে ভারতের মাওবাদি সহ বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদি গোষ্ঠি চোরাগুপ্তা হামলা চালিয়ে ভারতের চোখের পানি নাকের পানি একত্র করে ছাড়বে।

অতি পুরাতন সোভিয়েত যুগের বিমান বাহিনী দিয়ে হিমালয় পর্বতমালা অতিক্রম করে চিনের উপর হামলা করতে গেলে ভারতীয় বিমান বাহিনীর ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হবে। সবচেয়ে বড় যেই ধরাটা ভারত খাবে তা হল, জংগি বিমানের পাইলট স্বল্পতা। প্রতি ১ টা বিমানের বিপরীতে ভারতের পাইট সংখ্যা ০.৮, মানে ১ এর চেয়ে কম (পাকিস্তান, চিন, যুক্তরাষ্ট্রের পাইলট সংখ্যা বিমান প্রতি ২ এর উপরে)। বিমান মরলে তা দ্রুত পূরণ করা সম্ভব কিন্তু পাইলট মরলে দ্রুত পাইলট ট্রেইন আপ করা সম্ভব না।

ভারত মহা সাগর দিয়ে চিনের ট্রেড রুট বন্ধ করার যেই পরিকল্পনা ভারতের আছে, ঐ অন্চলে চাইনিজ সাবমেরিনের কারনে যেইটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। এছাড়াও পাকিস্তানের ভিতর দিনে ইকোনোমিক করিডোর হয়ে চিনের বিকল্প ট্রেড রুট বন্ধ করতে হলে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ লাগাতে হবে, যেইটা ভারত কখনই চাইবে না।

এই সুযোগে আমেরিকা ভারতকে সাহায্য করার নামে কিছু ব্যাবসা করে নিবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জুলাই, ২০১৭ সকাল ৯:৪৭
১১টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সেই সৈনিকটি কি রাতে ঘুমাতে পেরেছিল?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:১৯


সেই সৈনিকটি কি রাতে ঘুমাতে পেরেছিল?

এই বাংলাদেশের পলিমাটিতে ইতিহাস খুব ভয়ংকর।

এখানে কখনো কখনো নদী শুধু পানি বহন করে না- বহন করে রক্তের স্মৃতি।
গাছ শুধু ছায়া দেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

কুরআন থেকে মাদ্রাসার ছাত্রের বিস্ময়কর বিদ্যুৎ আবিস্কার :-ls

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫২

চারিদিকে বিদ্যুতের জন্য ত্রাহি ত্রাহি অবস্থার মধ্যে মাদ্রাসার এই ছাত্রটি কুরআন গবেষণা করে আমাদের জন্য ফ্রি বিদ্যুতের ব্যবস্থা করেছেন। বিজ্ঞান পড়েননি, পড়েছেন কুরআন-হাদিস! সেই মাদ্রাসাছাত্রই বানালেন মাধ্যাকর্ষণ দিয়ে বিদ্যুতের যন্ত্র!

অবেশেষে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন এক মরীচিকা

লিখেছেন রোকসানা লেইস, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:২৬


ফেসবুক এ কতজনই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠায় সবার সাথে কথা হয় না। তানিম ছেলেটি কবে থেকে ফেসবুক এ ছিল মনে নেই। একসময় সে যোগাযোগ করল আমার লেখা, পড়ার আগ্রহ দেখালো।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে----- ড্রাকুলা হাসিনা।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:৫৭



ড্রাকুলার হাসিনা তো আর এমনি এমনি বলেনি যে, আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে।

রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। যা মূলত ভারতকে একতরফা সুবিধা দেওয়ার জন্য তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবিশ্বাস্য, অবিস্মরণীয়! বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয় অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে!!! :-ls B-)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯



অবিশ্বাস্য, দুর্দান্ত, অতুলনীয়,অবিস্মরণীয় যে বিশেষণই ব্যবহার করি না কেন বাংলাদেশের এই জয়ের মহত্ব বুঝাতে কোন শব্দ ভান্ডারই যেন যথেষ্ট নয়। আমি রীতিমত বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি বাংলাদেশের এমন পারফর্মেন্স দেখে!! বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×