১। চরমভাবে বিদেশি হার্ডওয়্যার নির্ভর হওয়া, যুদ্ধ কালীন পরিস্থিতিতে যখন ক্ষয়ক্ষতি হতে থাকবে, সেটা পূরণের জন্য ভারতকে অন্যদেশের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে (এই চান্সে সবাই ব্যবসা করবে)। অন্যদিকে চিনের সেই সমস্যা তো নাইই উপরুন্ত আছে পৃথিবীর সেরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রডাকশন লাইন। একটা বিমান হারালে চীন দুইটা বিমান বানাবে, কিন্তু ভারত সেটা পারবে না।
২। শিলিগুরি করিডোরে স্ট্র্যাটেজিক ডেপথ না থাকা এবং ভালনারেবল কানেকটিভিটি।
৩। ভারতের লং রেন্জ মিজাইল গুলির ভয়াবহ এ্যাকুইরেসি সমস্যা, টার্গেটে আঘাত করতে না পারলে মিজাইল দিয়ে কি হবে? কয়েকদিন আগে ভারত চতুর্থ বারের মত একটা সাব সনিক ক্রুজ মিজাইলের ব্যর্থ পরীক্ষা করেছে। সমমানের বাবুর ক্রুজ মিজাইল পাকিস্তান সেই প্রাচীন কাল থেকে ব্যবহার করে আসছে। যেই ব্রাহামোজ ক্রুজ মিজাইল নিয়ে ভারত তাংফাং করে, সেটা আসলে রাশিয়ান প্রোডাক্ট
৪। বিমান বাহিনীর অতি নিম্মমানের ব্যবস্থাপনা (ভারতীয় বিমান বাহিনীর অনেক জংগি বিমানকে উড়ন্ত কফিন বলে ভারতীয় পাইলটরাই ঠাট্টা করে)। অধিকাংশ বিমান সোভিয়েত আমলের, অনেক আগে রিটায়ারমেন্ট এজ পার হয়ে গেছে, কোন রকমে জোড়াতালি দিয়ে এইগুলি চালানো হচ্ছে। কয়েকদিন আগে শুনলাম ভারতীয়রা মালয়েশিয়ার কাছ থেকে সেকেন্ড হ্যান্ড মিগ-২৯ বিমান কিনতেছে - এতই খারাপ অবস্থা।
৫। এছাড়াও কমান্ড কোঅর্ডিনেশনের আধুনিক ব্যাবস্থায় এদের অনেক ঘাটতি আছে, যা যুদ্ধ কালীন অবস্থায় বিপদ হয়ে দেখা দিবে।
৬। শীলিগুরি করিডোরের আশে পাশে ভারতের প্রতিবেশিরা অযাচীত দাদাগিরির কারনে চরম ভাবে বিরক্ত, এইটা চীনের জন্য প্লাস পয়েন্ট এবং ভারতের জন্য মাইনাস পয়েন্ট।
৭। মাওবাদি, উলফা ইত্যাদি গোষ্ঠির উপস্থিতি।
৮। চিনের হাই গ্রাউন্ড, উঁচু যায়গায় দাড়িয়ে যুদ্ধ করার সুবিধা চিনের পক্ষে থাকবে ভারতের থাকবে নিচু যায়গার দাড়িয়ে যুদ্ধ করার অসুবিধা।
৯। সর্বপরি ভারতীয়রা হল লো-কোয়ালিটি একটা জাতি, ৩০ বছর চেষ্টা করে একটা জংগি বিমান বানানোর পরে খোদ ভারতের বিমান এবং নৌ বাহিনী সেই বিমান রিজেক্ট করে দিয়েছে।
আর কি বলব?
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জুলাই, ২০১৭ রাত ৮:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



