‘ধর্মকারী’, ‘দাঁড়িপাল্লা ধমাধম’ নামের নাস্তিকগ্রুপের কয়েকটা পেজ আছে, যেখানে তারা এমন অসভ্য-অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে তা দেখে একজন সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষের বমি আসবে । মানুষের বিকৃত রুচি কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে? এদের কাছে পারিবারিক-সামাজিক শৃঙ্খলার চাইতে অবাধ ব্যক্তিস্বাধীনতা অধিক যৌক্তিক ও একমাত্র কাম্য । অবাধ ব্যক্তিস্বাধীনতার নামে নাস্তিক্যদর্শনের বেশিরভাগই মুক্ত যৌনাচারে বিশ্বাসী । এটা এতোদূরই গিয়ে পৌঁছেছে যে তা মা-বাবা-ভাই-বোনের পবিত্র সম্পর্কের সীমা অতিক্রম করেছে । যারা যার তার সাথে মুক্ত যৌনাচারে যৌক্তিকতা খুঁজে পায়, তাদের পক্ষে নবী-রাসূল-অবতার-মহামানবদের চরিত্র নিয়ে অশ্লীল সাহিত্য, অশ্লীল ছবি তৈরি করা খুবই স্বাভাবিক এবং তারা এটা প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে । মুক্তমনা ও নাস্তিক্যদর্শন দিয়ে সমাজ-রাষ্ট্র কখনোই চলতে পারেনা । কারণ, মুক্তমনা ও নাস্তিক্যদর্শনের কাছে পারিবারিক-সামাজিক শৃঙ্খলার গুরুত্ব নেই । তারা পরিবার প্রথাকে-বিয়ের প্রথাকে বর্বর-অমানবিক-স্রেফ যৌনতার চুক্তি হিসেবে বলছে । পরিবারহীন, বিয়ে হীন পারিবারিক শৃঙ্খলা কল্পনাও করা যায় না । আর পরিবার যেখানে নেই সেখানে সামাজিক শৃঙ্খলার অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যাবেনা । আবার যেখানে পারিবারিক-সামাজিক শৃঙ্খলা নেই সেখানে রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা যে থাকবেনা সেটা নিঃসন্দেহে বলে দেয়া যাবে । ফলে মুক্তচিন্তা ও নাস্তিক্যবাদী দর্শন প্রতিষ্ঠিত হলে সমগ্র রাষ্ট্র চরম এক বিশৃঙ্খলায় থাকবে । অন্যায়-অবিচার-ধর্ষণ-অমানবিকতায় পরিপূর্ণ হয়ে যাবে সর্বত্র । মুক্তমনা ও নাস্তিক্যদর্শনে নেই সত্য-মিথ্যা, ন্যায়-অন্যায়, ভালো-মন্দ, কল্যাণ-অকল্যাণের মানদন্ড নেই, এসবের সীমার ঊর্ধ্বেই মুক্তমনা দর্শন । নিঃসন্দেহে প্রমানিত, সত্য-মিথ্যা, ন্যায়-অন্যায়, ভালো-মন্দ, কল্যাণ-অকল্যাণের মানদন্ড কেবলমাত্র স্রষ্টা দ্বারা নির্ধারিত, যা তিনি নবী-রাসূল-অবতারদের দিয়ে কখনো গ্রন্থের মাধ্যমে শিক্ষা দিয়েছেন কখনো মুখনিঃসৃত বাণী দিয়ে । তবে এটা সত্য যে, নবী-রাসূল-অবতারদের দ্বার প্রতিষ্ঠিত প্রকৃত ধর্ম আজ ধর্মব্যবসায়ী আলেম-পুরোহিত-সাদ্দুসাই-ফরিশি-পোপদের দ্বারা বিকৃত । কোনো ধর্ম ও ধর্মগ্রন্থ এতোটাই বিকৃত হয়েছে যা রূপকথার গল্পকেও হার মানায়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রাম সন্ত্রাসবাদে পরিণত হয়, কুসংস্কারে জর্জরিত হয়ে তা অমানবিকতায় রূপ নিয়েছে । তাই বলে তো বলা যাবেনা ধর্মের কোনো অস্তিত্ব নেই । জলহীন নদী দেখে যেমন বলা উচিত না যে, এটা নদী ছিলোনা, তেমনি বিকৃত ধর্ম দেখে বলা যাবেনা যে ধর্ম নামের কিছুই ছিলোনা । মাথা ব্যাথা করলে তো আমরা মাথা কেটে দিতে পারিনা । তাই ধর্ম যখন কাঙ্খিত শান্তি দিতে পারছেনা, তখন ধর্মের অস্তিত্ব অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই । বরং আমাদের উচিত প্রকৃত ধর্মকে অসত্যের আড়াল থেকে উন্মোচন করা । মানবতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এটা নাস্তিক ও আস্তিক উভয়কে করা উচিত ছিলো । তারা আজ পরস্পর দ্বন্দ্বে-তর্কে যতোটা সময় ব্যয় করছে ততটুকুন প্রকৃত ধর্মকে অসত্যের আড়াল থেকে উন্মোচন করতে সময় দিলে আমরা আজ হয়তো প্রকৃত ধর্মকে খুঁজে পেতাম । যাইহোক, আল্লাহর অশেষ মেহেরবান, সেই কঠিন কাজটি মহান আল্লাহ হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠাতা, প্রথম এমাম মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী’র দ্বারা করিয়েছেন । ইনশাআল্লাহ অতিশীঘ্রই সারাপৃথিবীতে আবারও সত্য ধর্ম প্রতিষ্ঠিত হবে, প্রতিষ্ঠিত হবে রামরাজত্ব, কিংডম অব হ্যাভেন । কতদিনে হবে? এ প্রশ্নের উত্তর মিলবে যতো তাড়াতাড়ি মানুষ প্রকৃত সত্যটা বুঝতে পারবে এবং মেনে নিবে ।
মানবিকতার খাতিরে, মানবিক কল্যাণের জন্য মুক্তচিন্তা ও নাস্তিক্য দর্শন অবশ্যই পরিত্যাজ্য
সাবধানের মার্ নেই
নিউ ইয়র্ক থেকে ফিরার পথে নিউ আর্ক্ লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে যখন এরোপ্লেনে উঠে নির্দিষ্ট সীটের কাছে পৌঁছলাম দেখলাম এক প্রৌঢ় ভদ্রলোক জানালার পাশের সিটটাতে অলরেডি বসে আছেন। আইল ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
হারানো বিজ্ঞপ্তি

অত্যন্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, গত প্রায় দুই বছর যাবৎ বিবেক, বুদ্ধি, জ্ঞান, বিচার ও বিবেচনা - এই পাঁচজনকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একসময় তাঁরা... ...বাকিটুকু পড়ুন
মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?

মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?
শেখ হাসিনা কি ফিরবেন?
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কখনো কখনো একটি বৈঠকের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে- কোন বৈঠকটি হলো, কোনটি হলো না এবং কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন
সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......
আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন
অল্প একটু পাশে থেকো
আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।
শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।
আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।