সিটিং নিয়ে চিটিং কিংবা লোকাল নিয়ে হাই-ভোকাল,
কী করার, কে দেবে সামাল?
প্রতিনিয়ত যাত্রী হয়রানি কিংবা ভাড়া সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কথা বলবেন? তবে জেনে রাখুন কিচ্ছুটি হবে না। কারণ ওদের ব্যাপক ক্ষমতা। একদিন গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দিলেই আপনার আমার হা-পিত্যেশ শুরু হয়ে যাবে। বলা চলে, আমরা যাদের কাছে জিম্মি তাদের মধ্যে প্রধান হল পরিবহন মালিক কর্তৃপক্ষ।
কয়েকদিন আগে দেখলেন না! পরিকল্পিতভাবে সড়কে বাস চাপা দিয়ে মেরে ফেলার কারণে আদালত রায় দিল, অথচ খোদ সরকারী মন্ত্রীই হরতাল ডেকে বসলেন। তো, প্রতিকার চাইবেন কার কাছে?
এর সবচেয়ে জঘন্য উদাহরণ এবার দিই তাহলে। ২/১ দিন আগে বাসের মধ্যে ভাড়া ও অহেতুক সময়ক্ষেপন করে যাত্রী হয়রানি করার প্রেক্ষিতে যাত্রীদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। তখন বাস কর্তৃপক্ষ পেটালো সমকাল-এর সাংবাদিক ইন্দ্রজিৎ সরকারকে। তখন আহত হন একাত্তর টিভির আতিক রহমানও। তারা তাৎক্ষনিক রাস্তার পাশে থাকা ভ্রাম্যমান আদালতে জানান, কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট উল্টে তাদেরকেই বকলেন। এমনকি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনেই তাদের উপর চড়াও হচ্ছিল বাসের চালক ও সুপারভাইজার।
কী করার, কে দেবে সামাল?
ভরসা নেই কারো প্রতি- সাদা বা লাল!
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৩:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




