রমেল চাকমাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল একটি মিথ্যা মামলা দিয়ে। ধরে নিলাম- কথিত অভিযোগ সত্য, তাহলে তাকে তো গ্রেফতার করবে পুলিশ। আর্মি কেন? রমেল চাকমা মারা গেছে আর্মির নির্যাতনে, কিন্তু আর্মি দাবি করছে সে মারা গেছে পুলিশি হেফাজতে। আবার পুলিশ বলছে- নির্যাতনের ভারে ন্যুজ রমেলকে পুলিশের কাছে আর্মি হস্তান্তর করতে চাইলে পুলিশ তাকে নিতে অস্বীকৃতি জানায়।
বিষয়টি আরও স্পষ্ট, যখন দেখি- আর্মি রমেল চাকমার লাশ পরিবারের কাছে না দিয়ে ছিনিয়ে নিয়ে গেল এবং গোপনে লাশটি পুড়িয়ে ফেলা হল। শুধুৃ কি তাই? সাংবাদিকদের হুমকি দেয়া হচ্ছে যাতে নিউজটি প্রচার না করা হয়। নিশ্চয়ই রমেল চাকমার প্রতি আর্মির এহেন আচরণ দেখে আপনাদের মনে পড়ছে হতভাগী তনুর কথা!
পাহাড়ি অঞ্চলে আর্মিরা যে অপশাসন চালাচ্ছে তার শেষ কোথায়? বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে সেখানে থাকা জুম্মদেরও সকল বিষয়ে অধিকার আছে, যতটা বাঙালির আছে। তাহলে রাষ্ট্র কেন এই নিপীড়ণ আজও অব্যাহত রেখেছে? একবার মনে করে দেখুন- বিপুল চাকমা ও তার মায়ের সাথে সেদিন কী ন্যাক্কারজনক আচরণ করেছিল প্রশাসন!
রমেল চাকমা হত্যার কোনো তদন্তই হবে না-এটা নিশ্চিত। তাই কেবল অশ্রুপাত আর অভিসম্পাত করা ছাড়া উপায় কী!
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




