অভিশাপের রাতে সাপে কামড়ালো- তুমি বললে, শাপে বর;
স্পর্শকাতর রাত্রিতে স্পর্শের নাম মৃত্যু,
এপিটাফের বুকে আক্ষরিত হয়
কোনো কোনো মৃত্যুর নাম বেঁচে ওঠা।
সান্ধ্য ভাষায় অভিশাপ লেখা হুতোম জানে না-
চুমুর তেহাই বিসমমাত্রার বেদমদার,
অ-নামী রাগে উন্মত্ত হয়ে ওঠে পুষে রাখা বুনো হরিণ;
তক্ষকের লেজে পা দিয়েও নিরুত্তাপ ভাসিয়ে দেয় নূহের নৌকা,
স্তনের মতন ফুলে ওঠে সাহস- পাড়ি দেবে পুলসিরাত...
(Note: দীর্ঘদিন কবিতা লেখা হয় না। বইমেলার পর একটি মাত্র গান ও কয়েকটি রিভিউ কিংবা গদ্য ছাড়া লেখা হয়নি কিছুই। তবে ছটফট করছিলাম কবিতা লেখার জন্য। তবে কি কাব্যলক্ষ্মী আমাকে পর করে দিচ্ছে? এরকম হতাশা নিয়েই সেদিন গেছিলাম বরিশাল। ফেরার পথে লঞ্চের কেবিনে শুয়ে শুয়ে ভাবছিলাম কয়েক মাস আগের একটি অনুভূতির কথা। আর সেটা থেকেই লিখে ফেললাম এই কবিতাটি। কীর্ত্তণখোলার বুকে ৩১ মার্চ’ ২০১৭ তারিখ রাতে লেখা এই কবিতাটি আজ পোস্ট করে দিলাম। )

সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




