somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"পচে যাওয়া সমাজ ঘেন্না হয়.........স্বপ্ন দেখি সুন্দর সম্পর্কের"

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ বিকাল ৩:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যেখানে মানুষ পচে গেছে সেখানে অন্য কিছু পচলে বা উৎকট গন্ধ ছড়ালে তার গন্ধ এখন আর আমি বা আমরা কেউ ই পাই না। ভদ্রতা, বিশ্বাস, সত্যবাদীতা অনেক আগেই আমাদের ত্যাগ করেছে। এতটা পচে গেছে মানুষ যে চারপাশে তাকালে বমি আসে....... চারপাশ এত এতটা পচে গেছে যে সিনিয়র তার সন্মান রাখতে পারছে না আবার জুনিয়র ও সন্মান দিতে পারছে না পরিবার ও পাচ্ছে না তার পাওনা। পচে যাওয়া সমাজে পচাগলা চরিত্রের সিনিয়র ছেলেপুলে ও বন্ধুরা নিজের বন্ধু থেকে শুরু করে নিজের কাছে পিঠের জুনিয়র ছেলেদের মেয়েবন্ধুদের কে গোপনে প্রেমের প্রস্তাব দিচ্ছে/ সম্পর্কের টান পোড়নের সুযোগ নিচ্ছে আবার তাদের সম্পর্কে রসালো কথা বলে যা শূনলে...... এমনকি হাতে নাতে ধরা পড়ে গেলেও কি সুন্দর মিথ্যা বলে যেন এটা একটা আর্ট........অথচ দিনের আলোই এরা পীর......কত কি? আবার মেয়েরাও কম না ১৬ কলা দেখিয়ে একই সাথে প্রেমিকের সাথে প্রেম ও অন্যদের সাথে প্রেমের অভিনয় থেকে শুরু করে কত কিছু করে বেড়াচ্ছে তারাই জানে। ব্যাপারগুলো এখন গন্ধ ছড়াতে শুরু করেছে ............ আর বাবা-মা তারা তো সব কিছুর বাইরে। তারা জানেই না যে তাদের স্বপ্ন কন্যা বা স্বপ্ন পুত্ররা কি করে চলেছে তাদের অজান্তে। চারপাশে শুধু পচা গলা গন্ধ, সম্পর্কের বিষ আর পরকীয়া। মানুষ ই যেখানে পচে গেছে সেখানে অন্য কিছু ভাল থাকবে এটা আশা করা ঠিক হবে না। সমাজটা এতখানি পচে গেছে যে কেউ কারো ভালো দেখা তো দূরের ব্যাপার সামান্য বিশ্বাস পর্যন্ত করতে পারে না। আজ কাল নিজের বোন বা কাজিনের সাথেও মানুষ নিজের বন্ধু বান্ধব বা পরিচিতদের পরিচয় করিয়ে দিতে চাই না। এর কারন কি ? কখনো চিন্তা করে দেখেছেন কি? আজ কোথায় এসে আমরা দাড়িয়েছি বা কোন ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে চলেছি। সমস্যা এখন এতটাই প্রকট যে নিজের বউকেও বন্ধু-বান্ধবীদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে সাহস করে না। আর যারা প্রেম করে বইয়ে করে তারাও যে খুব সুখে আছে ব্যাপারটা তা না । ঝগড়া-বিবাদ লেগেই আছে সারাক্ষন। আর সুযোগ নিতে বসে পচা-গলা চরিত্রের বন্ধু / বড়ভাই/জুনিয়র/ মাঝ বয়সী পুরুষ। এ কথা মেয়েদের জন্যও প্রযোজ্য। অনেক মেয়েতো বিয়ের পর স্কুল/কলেজ/ভারসিটি জীবনের বন্ধুদের কে ভুলে যায় বললে ভুল হবে এমন ভাব ধরে যে কোনদিন দেখাই হয়নি। ভুলে যেতে চাই কারন পাছে কিছু বের হয়ে আসে।
কিছুদিন আগে এক বড় ভাই বলছে একটা মেয়ে বিয়ে করতে হবে যে চাকরি করে । কারন জানতে চাইলে বলল চাকরি না করলে বাসায় বসে কেবল সিরিয়াল দেখবে আর ......।। আবার এক আপু বলল ইদানীং নাকি ভাইয়া সময় দেয় না তাই কলিগের সাথে শপিং এ এসেছে ...(বসুন্ধরা মার্কেটে দেখা হবার পর) । আর এক জন তো আপেলের ঝোল রান্না করে বলেছিল দাও দেখি ওর ওর নাম্বার একটু হে হে হে হে ......এমনি আর কি? আমাদের ভেবে দেখার সময় এখনই আমরা কি এই সব সাথে নিয়ে চলব বা নিজেদের পরিবর্তন করব। জানি পরিবর্তন আসবে না কারন আমরা বাংগালীরা এতটাই ভালো যে খারাপ জিনিস খুব সহজেই আত্মস্ত করে নিতে পারি। ভাল কে ভাল বলার সাহস আজ আমাদের নেই। ভাল ভদ্র ছেলে/ মেয়েদেরকে আমরা আজ খ্যাত/ আনকালচার্ড/ গেয়ো/ বলে গালি দিচ্ছি আর আশা করে বেড়াচ্ছি ভাল কিছুর কি চমৎকার আমাদের চিন্তা ভাবনা।
প্রশ্ন হতে পারে আমি কেন বলছি বা আমাকেই কেন বলতে হবে ? আমি এই পচে যাওয়া সমাজের একজন পচনশীল একজন দর্শক মাত্র। অনেকেই অনেক ঘটনা দেখে বা সাক্ষী হয় কিন্তু লজ্জা বা সামাজিকতার ভয়ে কেউ বলতে চাই না বা পারে না কিন্তু আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি কারন কাউকে না কাউকে বলার দায়িত্ব নিতে হয়। আর আমি চলি অনেকের সাথে, মানুষের এই জীবন ও জীবন ধারা নিয়ে আমার নানা প্রশ্নের জন্য ই আমি লিখি।
আমরা যারা সেকেলে, ধর্ম কর্ম মানি, মানুষ কে ভালবাসি , এখনো কিছু করার আগে চারপাশের মানূষ কি বলবে এট নিয়ে চিন্তিত হয়, তাদের আসলে কিছু করার নেই শুধু দেখে যাওয়া আর হা হুতাশ করা ছাড়া। যখন দেখি কিছু বলা যাচ্ছে না তখন লিখে ফেলি অন্তত নিজের একটা দায়বদ্ধতার জায়গা আছে। যারা সেকেলে তারা চোখ কান মুখ বন্ধ করে থাকুন আর দেখুন ঠিক আমার মত।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্ব নিয়ন্ত্রণের এই সুযোগ কি আরেকবার আসবে? বা তারাই-কি এটা হাত ছাড়া করবে???

লিখেছেন লিংকন বাবু০০৭, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৫০

ইরানী নেতা খামেনি শহীদ হওয়ার পরে ইরান কি বলেছিল মনে আছে???

ইরান কইছিলো, ইরানের এই অবস্থার জন্য যারা দায়ী সেই বেবাক দেশকে রাস্তায় এনে দাঁড় করানো হবে।
প্যান্ট খুলে ছেড়ে দিবে-(এটা আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোন কিছুর অস্তীত্ব বিহীন মহাশূন্যে অস্তিত্বের প্রক্রিয়া কি ছিল?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৭



কোন কিছুর অস্তীত্ব বিহীন মহাশূন্যে অস্তিত্বের প্রক্রিয়া হলো উদ্ভব। কারণ সৃষ্টি বা তৈরী কারক না থাকা। তাতে কী উদ্ভব হবে এটা অনিদৃষ্ট। কারণ এটা নিদৃষ্ট করার কেউ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মক্কা থেকে বদর: মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ভূরাজনীতি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৫


মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। অন্তত চুক্তিগুলোর নাম শুনলে তেমনটাই মনে হয়। মক্কা ও বদর। মুসলিম ইতিহাসের দুটি পরিচিত নাম। নাম শুনে মনে হতে পারে, বহুদিনের বিভেদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা: "দি ম্যাট্রিক্স" এবং নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খাবেন সবাই সমকামী হয়ে যাবেন

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×