somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ক্রিকেট গ্রুপিং নিয়ে কিছু কথা

২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশ ক্রিকেটের সেরা সময়টা এখন চলছে। বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশ অবস্থানটাকে এখন নড়বড়ে বলা যাবে না। মোটামোটি শক্ত একটা অবস্থান তৈরি হয়েছে। দেড় যুগ শেষে এখন বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী দল। সময়ের সাথে সাথে অভিজ্ঞতা বেড়েছে। তৈরি হয়েছে বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ ও পরিনত ক্রিকেটার।
সময়ের সাথে সাথে সব কিছু পরিবর্তন হয়। বাংলাদেশ ক্রিকেটেও এসেছে অনেক নতুন পরিবর্তন। সমর্থকদের মাঝেও এসেছে পরিবর্তন। ক্রিকেটের উন্নতির সাথে সাথে সমর্থকদের কার্যক্রম এসেছে নতুন মাত্রা। তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন সমর্থকগোষ্ঠী। এইসব সমর্থকগোষ্ঠীর সমর্থনের ধারা আলাদা। এই কারণেই এইসব সমর্থকদের মাঝে নতুন জটিলতা তৈরি হচ্ছে। ব্যাপারটা নিয়ে ভাবার সময় এসে গেছে।
আমাদের বাংলাদেশ ক্রিকেটে বড় কয়েকটি নাম রয়েছে। এরা বাংলাদেশ দলের গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞ সিনিয়র ক্রিকেটার। আর এদের রয়েছে কিছু আলাদা সমর্থকগোষ্ঠী। এইসব সমর্থকরা বাংলাদেশে ক্রিকেটের চেয়ে নিজ নিজ সমর্থিত ক্রিকেটারকেই গুরুত্ব দিয়ে থাকে। কখনো কখনো নিজ সমর্থিত ক্রিকেটারকে প্রশংসা করতে গিয়ে অন্যান্য ক্রিকেটারকে হেয় করতে এদের দ্বিধা হয় না। আবার কখনো একে অপরের দিকে কাঁদা ছুড়াছুড়ি করতেও দেখা যায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এরকম ঘটনা প্রায়ই নজরে আসে।
কারো ফ্যান হওয়াটা দোষের কিছু না। সব ক্রিকেটারের মধ্য থেকে নির্দিষ্ট একজন ক্রিকেটারকে আপনার বেশি ভালো লাগতেই পারে। এটাই স্বাভাবিক। তবে একজন ক্রিকেটারের ফ্যান হয়ে অন্য ক্রিকেটারকে হেয় করাটা স্বাভাবিক না। যেকোনো ক্রিকেটারকে বকা খেতে দেখলে একজন ক্রিকেট সমর্থক হিসেবে আমার বেশ খারাপ লাগে। সমর্থক হিসেবে সমালোচনা করার অধিকার সবার রয়েছে। তবে সমালোচনার ভাষাটাও জানা থাকা উচিত।
ক্রিকেটারদেরকে নিয়ে গ্রুপিং করে পরস্পরের প্রতি বিবাদে লিপ্ত হওয়াটা প্রকৃত সমর্থকের কাজ হতে পারে না। ক্রিকেটাররা মাঠে লড়াই করছে অন্য দলকে হারাতে। আর কিছু মস্তিস্ক বিকৃত বোকা সমর্থক একে অপরকে বকা দিয়ে বেড়াচ্ছে। এটা আমাকে বেদনা দেয়।
আমারও অপছন্দের ক্রিকেটার আছে বাংলাদেশ দলে। কিন্তু বাংলাদেশের হয়ে যখন খেলে তখন তাকে সমর্থন করতে হয়। সে ভালো খেললে প্রশংসাও করতে হয়। তাকে আমি বকা দিতে পারি না। তাকে আমার বকা দেওয়া উচিত না। আমি বাংলাদেশ দলের সমর্থক।
ক্রিকেট নিয়ে গ্রুপিং করাটা অন্যায় না। কিন্তু ক্রিকেটারদেকে হেয় প্রতিপন্ন করাটা অন্যায়। ক্রিকেটারদের হেয় করা উদ্দেশ্যে নয়, গ্রুপিং করুন ক্রিকটারদের সমর্থনে।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:১৬
৬টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×