somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স(কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা)

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভবিষ্যতের পৃথিবী কেমন হবে তা বোঝাতে যন্ত্র মানব, রোবট, কথা শোনা মেশিন এই সমস্ত উপাদান বেশী ব্যবহৃত হয় । এই সমস্ত উপাদানগুলো নিজে নিজে যেভাবে চলবে তার মূল রহস্য একটা জায়গায় । তা হলো আটিফিসিয়াল ইনটিলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্সি শব্দটির সম্ভব্য বাঙ্গলা হয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কিন্তু তাতে নাম করনটি সার্থক হয় না । কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শব্দটির মানে দাড়ায় আসল নয় এমন বুদ্ধিমত্তা । কিন্তু তার চেয়ে বানানো বুদ্ধিমত্তা শব্দটি অনেক বেশী গ্রহনযোগ্য। কিন্তু শব্দটা যতটা মানান সই শুনতে ততটা শ্রুতি মধুর নয়। বর্তমান বিশ্বে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে চলছে নানা আলোচনা আর জোর গবেষনা।মূলত যন্ত্রকে আরো উন্নত করতেই চালানো হচ্ছে গবেষনা। সায়েন্স ফিকসনের কল্যানে অনেকেরে ধারনা ভবিষ্যতে যন্ত্রকে একটা মানবিক রুপ দেবার নামই বুঝি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা । ধারনাটা একেবারে ভূল নয় । তবে পুরোটাই আবার ঠিক নয় । কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শব্দটা মানুষ নিজের প্রয়োজনে নিজেই তৈরী করেছে।জীব বিঞ্জানের ইতিহাসে মানবের বির্বতন হয়েছে তার মস্তিস্কের বিকাশের সাথে। এই বিকাশের প্রক্রিয়াটা হয়েছে প্রকৃতির নিয়মে। এই বিবর্তনে তার যে জায়গাটি সবচেয়ে বেশী কার্যকর ভুমিকা রেখেছে তা হল তার চিন্তা শক্তি। বাকী প্রানীকুল যেখানে প্রকৃতিক নিয়মকে মেনে চলেছে , সেখানে মানুষ চিন্তা শক্তি খাটিয়ে তার সংস্কৃতি ও প্রযুক্তিকে করেছে আর উন্নত। এখানেই মানুষ থেমে থাকছে না । সে তার প্রযুক্তি বা যন্ত্রকেও চিন্তা ভাবনা করার সুযোগ করে দিতে চায় । এই বিষয়টিই আসলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা । চিন্তা শক্তির সঙ্গে বুদ্ধি আসবে না । যার চিন্তা শক্তির অভাব তাকে আমরা বুদ্ধিমান বলি না । আমাদের পাশের বাসায় গোবরা । তাকে জিজ্ঞেস করা হল পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রানী কি? জিরাফ , গোবরার উত্তর । এবার যদি তাকে বলা হয় বলতো এরচেয়েও বড় প্রানী কি পৃথিবীতে আছে ? সে বলবে, আছে ? তাহলে বল সেটা কি ? গোবরা বলবে হাতি। এবার গোবরাকে যদি জিজ্ঞেস করি এবার বলতো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রানী কি? সে বলবে জিরাফ। গোবরার বুদ্ধিমত্তা পরখ করার আরেকটা উপায় হল তাকে জিজ্ঞেস করি, অংকে কত পেলি গোদা ? তিনটা শূন্য । এখন প্রশ্ন হচ্ছে গোবরা বুদ্ধি বলি কি কিছুই নেই ? অবশ্যই আছে । তার যেখানে সমস্যা সেটা হল তার চিন্তা শক্তি।তার চিন্তাশক্তিতে যুক্তির জায়গাটা গোলমেলে। বুদ্ধি, চিন্তা, ভাবনা এই সব বিষয় গুলো আসে একটা জায়গা থেকে তা হল মস্তিস্ক। কাজেই বুদ্ধিমত্তা বিষয়টি বুঝতে গেলে অবশ্যই মস্তিস্কের কার্য প্রনালী আগে বোঝা দরকার। মস্তিস্কে আছে অজস্ত্র স্মৃতি ধরে রাখে নিউরন। চোখ গ্রহন করে পাঠায় মস্তিস্কে। এই স্মৃতি থেকে পাওয়া ত্যথাদি মস্তিস্কে সনি্নবেশিত হয় । তার মধ্যে থেকে মানুষ তথ্য গ্রহন করে । কিছু তথ্য মস্তিস্কে রেখে দেয় । সেই তথ্যকে মানব মস্কিক বিশ্লেষন করে । এখন পয়নর্্ত জানা গেছে , অন্য প্রানীর মস্তিস্ক ঘটনাকে বিশ্লেষন করতে পারে না । তারা শুধু সিদ্ধান্ত টানে। একটা উদহরন দিলে ব্যাপারটা পরিস্কার হবে। একজন মানুষ একটা রাস্তায় হারিয়ে গেছে।নতুন জায়গায় আবার অজস্ত্র রাস্তা তৈরী হয়েছে। সেগুলো থেকে কোন রাস্তাটা বেছে নিতে হবে তা মাুনষের জানা নেই । সে সম্ভব্য রাস্তা বেছে নেবার েেত্র প্রাথমেই যুক্তি এবং মস্তিস্ক খাটিয়ে সমস্ত রাস্তা গুলোকে কে যাচাই করে বের করার চেষ্ট করবে।। তারপরে সে রওনা দেবে। সে আরেকটা কাজ করার তা হল পুরো রাস্তার নকশা করা প্লান লেখে রাখা। যাতে সে এবং থেকে যুক্তি দিয়ে বেছে নেবার চ্ােষ্টা করবে কোন রাস্তাটায় আগে কোন পায়ের ছাপ আছে কিনা, সেই রাস্তাটা এই কার্য প্রানলীর একটা ধারা তৈরী করছে। অন্য দিকে অন্য কোন প্রানী যদি তা করার চেষ্টা করে তবে সে । সে প্রাকুতিক শক্তি কাজে লাগিয়ে তার রাস্তা বের করার চেষ্টা করবে । এতে এমন হতে পারে সেটা খুজতে গিয়ে সে সম্ভ্ব্যব 20 টি রাস্তাই যাচাই করে দেখবে । যখন সে রাস্তা পেয়ে যাবে তখন সে আর সেই রাস্তাটা তার মাথায় একেবারে ছবির মতো বসে যাবে। এর পর যদি সে সেই রাস্তা আর কোনদিন না ব্যবহার করে তবু তার পরে তার ধারাবাহিক উত্তর পুরুষ যদি আবার সেই রাস্তা পারি দেয় তবে সেটা তার জিনের মধ্যে থেকে সেই রাস্তা খুজে বের করে সে ঠিকই রাস্তা পাড়ি দিতে পারবে। এখন একটা গাড়ীকে যদি রাস্তায় চলতে দেওয়া হয় ( অবশ্যই চালক ছাড়া) । তাহলে সে সোজা চলতে থাকবে এবং সামনে গিয়ে ধাক্কা খাবে। এমন যদি হয় গাড়ীটি কোন চালক ছাড়াই চলছে তাহলেই বলতে হবে গাড়িটির ভেতর রাস্তার দিক নির্দেশনার সফটওয়ার আছে । আর যদি একদিন গাড়িটি কোন সফটওয়ার ছাড়াই সঠিক ভাবে চলছে , বলা যেতে পারে সেই গাড়িটা বুদ্ধিমান। তবে সঠিক পথে চলতে গেলে সবচেয়ে বেশী জরুরী , লজিক ওরফে যুক্তি বিদ্যা। প্রত্যেক বাঙ্গালী কি লজিক মেনে চলে?
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ ভোর ৪:৪৫
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমরা যেন পারষ্পরিক সম্মান আর ভালোবাসায় বাঁচি....

লিখেছেন জানা, ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৪২



প্রিয় ব্লগার,

শুভেচ্ছা। প্রায় বছর দুয়েক হতে চললো, আমি সর্বশেষ আপনাদের সাথে এখানে কথা বলেছি। এর মধ্যে কতবার ভেবেছি, চলমান কঠিন সব চিকিৎসার ফলে একটা আনন্দের খবর পেলে এখানে সবার সাথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বালাদেশের নির্বাচনী দৌড়ে বিএনপি–জামায়াত-এনসিপি সম্ভাব্য আসন হিসাবের চিত্র: আমার অনুমান

লিখেছেন তরুন ইউসুফ, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৩



বিভিন্ন জনমত জরিপ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রবণতা এবং মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক তৎপরতা বিশ্লেষণ করে ৩০০ আসনের সংসদে শেষ পর্যন্ত কে কতটি আসন পেতে পারে তার একটি আনুমানিক চিত্র তৈরি করেছি। এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম পরে, আগে আল্লাহ্‌কে মনে রাখো

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৩৭

প্রিয় শাইয়্যান,
পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্‌কে তুমি যখন সবার আগে স্থান দিবে, তখন কি হবে জানো? আল্লাহ্‌ও তোমাকে সবার আগে স্থান দিবেন। আল্লাহ্‌ যদি তোমার সহায় হোন, তোমার আর চিন্তা... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনঃ কেন আমি বিএনপিকে ভোট দিবো?

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:২৯



আসছে ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এ ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সরকারপক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই নির্বাচন হবে বিতর্কমুক্ত এবং উৎসবমুখর পরিবেশে। আমার অবশ্য এই দুই ব্যপারেই দ্বিমত... ...বাকিটুকু পড়ুন

‘বাঙালি মুসলমানের মন’ - আবারও পড়লাম!

লিখেছেন জাহিদ অনিক, ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আহমদ ছফা'র ‘বাঙালি মুসলমানের মন’ বইটা আরাম করে পড়ার মতো না। এটা এমন এক আয়না, যেটা সামনে ধরলে মুখ সুন্দর দেখাবে- এমন আশা নিয়ে গেলে হতাশ হবেন। ছফা এখানে প্রশংসা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×